মর্মান্তিক : কাজী অফিসের সামনে প্রেমিকের এসিডে ঝলসে গেল ইডেন কলেজ ছাত্রী
মর্মান্তিক : কাজী অফিসের সামনে প্রেমিকের এসিডে ঝলসে গেল ইডেন কলেজ ছাত্রী
স্টাফ রিপোর্টার
| « আগের সংবাদ | পরের সংবাদ» |
বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় প্রেমিকাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে এসিডে ঝলসে দিয়েছে প্রেমিকনামধারী এক দুর্বৃত্ত। এসিড দগ্ধ ইডেন কলেজের ছাত্রী (২২) এখন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। গতকাল সকালে রাজধানীর চাঁনখারপুলের কাজী অফিসের ভেতরে এ ঘটনাটি ঘটেছে। এ ঘটনায় প্রেমিক মনির উদ্দিন ও তার সহযোগীরা পালিয়ে গেলেও সন্দেহজনক দু’জনকে আটক করেছে পুলিশ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ছাত্রীটিকে জোর করে বিয়ে করার জন্য মনির উদ্দিন নামে এক ব্যক্তি চাঁনখারপুল এলাকার একটি কাজী অফিসে নিয়ে যান। এ সময় তার সঙ্গে মাসুম নামে এক সহযোগী ছিল। ছাত্রীটি তখন মনিরকে এ মুহূর্তেই বিয়ে করতে রাজি নয় বলে জানায়। তাদের মধ্যে তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে মনির উদ্দিন ও তার সহযোগী প্রথমে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপায়। এরপর তার শরীরে এসিড মেরে ঝলসে দেয়া হয়। মনির উদ্দিন একটি ওষুধ কোম্পানিতে চাকরি করত বলে পুলিশ জানিয়েছে।
ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে এসিডদগ্ধ ছাত্রী সাংবাদিকদের জানান, মনির তাকে বিয়ে করার জন্য জিম্মি করে চাঁনখারপুলের কাজী অফিসে নিয়ে যায়। এরপর বিয়ে করার জন্য চাপ দেয়। এতে সে রাজি না হলে মনির ও তার সহযোগী মাসুম ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপায়। এরপর তার শরীরে এসিড নিক্ষেপ করে পালিয়ে যায়। তিনি বলেন, মনিরের সঙ্গে আগে থেকেই সম্পর্ক ছিল।
ছাত্রীটি ইডেন কলেজের বাংলা বিভাগের ৪র্থ বর্ষের ছাত্রী। তিনি রাজধানীর সার্কিট হাউস অফিসার্স কোয়ার্টারে থাকেন। হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুরে তার গ্রামের বাড়ি বলে জানা গেছে।
বংশাল থানা পুলিশ জানায়, এ ঘটনার পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে বিকন ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি বিশ্বজিত্ ঘোষ ও পংকজ কুমার রায়কে সন্দেহজনক ঘোরাফেরার সময আটক করা হয়েছে।
বংশাল থানার ওসি জানান, ইডেন কলেজ ছাত্রীর ভাই ও পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ছাত্রীটির সঙ্গে ছেলেটার সম্পর্ক ছিল। তাদের আগে বিয়ে হয়েছিল অথবা হওয়ার কথা ছিল। আর এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। বংশাল থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক বিশ্বজিত্ জানান, ছাত্রীটি প্রেমিক মনির উদ্দিনকে বিয়ে করার জন্য চাঁনখারপুল কাজী অফিসে যায়। সেখানে তাদের মধ্যে বনিবনা না হওয়ায় মনিরসহ অজ্ঞাতনামা ৩/৪ জন তাকে প্রথমে কুপিয়ে ও পরে এসিড দিয়ে তার শরীর ঝলসে দেয়। বর্তমানে বার্ন ইউনিটের অবজার্ভেশন ওয়ার্ডে চিকিত্সাধীন রয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ছাত্রীটিকে জোর করে বিয়ে করার জন্য মনির উদ্দিন নামে এক ব্যক্তি চাঁনখারপুল এলাকার একটি কাজী অফিসে নিয়ে যান। এ সময় তার সঙ্গে মাসুম নামে এক সহযোগী ছিল। ছাত্রীটি তখন মনিরকে এ মুহূর্তেই বিয়ে করতে রাজি নয় বলে জানায়। তাদের মধ্যে তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে মনির উদ্দিন ও তার সহযোগী প্রথমে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপায়। এরপর তার শরীরে এসিড মেরে ঝলসে দেয়া হয়। মনির উদ্দিন একটি ওষুধ কোম্পানিতে চাকরি করত বলে পুলিশ জানিয়েছে।
ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে এসিডদগ্ধ ছাত্রী সাংবাদিকদের জানান, মনির তাকে বিয়ে করার জন্য জিম্মি করে চাঁনখারপুলের কাজী অফিসে নিয়ে যায়। এরপর বিয়ে করার জন্য চাপ দেয়। এতে সে রাজি না হলে মনির ও তার সহযোগী মাসুম ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপায়। এরপর তার শরীরে এসিড নিক্ষেপ করে পালিয়ে যায়। তিনি বলেন, মনিরের সঙ্গে আগে থেকেই সম্পর্ক ছিল।
ছাত্রীটি ইডেন কলেজের বাংলা বিভাগের ৪র্থ বর্ষের ছাত্রী। তিনি রাজধানীর সার্কিট হাউস অফিসার্স কোয়ার্টারে থাকেন। হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুরে তার গ্রামের বাড়ি বলে জানা গেছে।
বংশাল থানা পুলিশ জানায়, এ ঘটনার পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে বিকন ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি বিশ্বজিত্ ঘোষ ও পংকজ কুমার রায়কে সন্দেহজনক ঘোরাফেরার সময আটক করা হয়েছে।
বংশাল থানার ওসি জানান, ইডেন কলেজ ছাত্রীর ভাই ও পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ছাত্রীটির সঙ্গে ছেলেটার সম্পর্ক ছিল। তাদের আগে বিয়ে হয়েছিল অথবা হওয়ার কথা ছিল। আর এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। বংশাল থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক বিশ্বজিত্ জানান, ছাত্রীটি প্রেমিক মনির উদ্দিনকে বিয়ে করার জন্য চাঁনখারপুল কাজী অফিসে যায়। সেখানে তাদের মধ্যে বনিবনা না হওয়ায় মনিরসহ অজ্ঞাতনামা ৩/৪ জন তাকে প্রথমে কুপিয়ে ও পরে এসিড দিয়ে তার শরীর ঝলসে দেয়। বর্তমানে বার্ন ইউনিটের অবজার্ভেশন ওয়ার্ডে চিকিত্সাধীন রয়েছেন।
Comments