Posts

Showing posts from January, 2013

মায়ের খোঁজে বাংলাদেশে নরওয়ের শিল্পী কোহিনূর

Image
মায়ের খোঁজে বাংলাদেশে নরওয়ের শিল্পী কোহিনূর মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে গতকাল মোহাম্মদপুরে মৃত্তিকা স্কুল পরিদর্শনকালে ছিন্নমূল শিশুদের সঙ্গে কথা বলেন কোহিনূর। ছবি : কালের কণ্ঠ 1 ¦ « পূর্ববর্তী সংবাদ পরবর্তী সংবাদ » একাত্তরের যুদ্ধশিশু মায়ের খোঁজে বাংলাদেশে নরওয়ের শিল্পী কোহিনূর  নওশাদ জামিল ছোটবেলার কথা তেমন কিছুই মনে করতে পারেন না একাত্তরের যুদ্ধশিশু নরওয়ের বিখ্যাত শিল্পী কোহিনূর। মা-বাবার নামও জানেন না তিনি। কী করতেন তাঁর মা, কোথায় থাকতেন কিছুই মনে নেই তাঁর। ঢাকার অলিগলি, ফুটপাত ও বস্তিতে তন্ন তন্ন করে খুঁজে চলেছেন তিনি! এখনো পাননি মায়ের সন্ধান। তবুও আশা ছাড়েননি। একবার হলেও তিনি দেখতে চান মায়ের মুখটি। নরওয়েতে সবই আছে কোহিনূরের। অর্থ-বিত্ত, খ্যাতি, সম্মান সব! এর পরও একমাত্র নাড়ির টানে, মায়ের খোঁজে এ পর্যন্ত চারবার বাংলাদেশে এসেছেন তিনি। প্রতিবার খোঁজ করেছেন মাকে। কিন্তু কোনোবারই পাননি। বেঁচে আছেন, নাকি মরে গেছন তাও জানেন না; তবুও তিনি বাংলাদেশের পথে-প্রান্তরে খুঁজে চলেছেন তাঁর মাকে। গতকাল সোমবারও কোহিনূর মায়ের খোঁজ করছিলেন। অসহায়, দুস্থ, ছিন্নমূল মা ও শিশুদের দেখলে তিনি ভেত...

মায়ের খোঁজে বাংলাদেশে নরওয়ের শিল্পী কোহিনূর

Image
মায়ের খোঁজে বাংলাদেশে নরওয়ের শিল্পী কোহিনূর মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে গতকাল মোহাম্মদপুরে মৃত্তিকা স্কুল পরিদর্শনকালে ছিন্নমূল শিশুদের সঙ্গে কথা বলেন কোহিনূর। ছবি : কালের কণ্ঠ 1 ¦ « পূর্ববর্তী সংবাদ পরবর্তী সংবাদ » একাত্তরের যুদ্ধশিশু মায়ের খোঁজে বাংলাদেশে নরওয়ের শিল্পী কোহিনূর  নওশাদ জামিল ছোটবেলার কথা তেমন কিছুই মনে করতে পারেন না একাত্তরের যুদ্ধশিশু নরওয়ের বিখ্যাত শিল্পী কোহিনূর। মা-বাবার নামও জানেন না তিনি। কী করতেন তাঁর মা, কোথায় থাকতেন কিছুই মনে নেই তাঁর। ঢাকার অলিগলি, ফুটপাত ও বস্তিতে তন্ন তন্ন করে খুঁজে চলেছেন তিনি! এখনো পাননি মায়ের সন্ধান। তবুও আশা ছাড়েননি। একবার হলেও তিনি দেখতে চান মায়ের মুখটি। নরওয়েতে সবই আছে কোহিনূরের। অর্থ-বিত্ত, খ্যাতি, সম্মান সব! এর পরও একমাত্র নাড়ির টানে, মায়ের খোঁজে এ পর্যন্ত চারবার বাংলাদেশে এসেছেন তিনি। প্রতিবার খোঁজ করেছেন মাকে। কিন্তু কোনোবারই পাননি। বেঁচে আছেন, নাকি মরে গেছন তাও জানেন না; তবুও তিনি বাংলাদেশের পথে-প্রান্তরে খুঁজে চলেছেন তাঁর মাকে। গতকাল সোমবারও কোহিনূর মায়ের খোঁজ করছিলেন। অসহায়, দুস্থ, ছিন্নমূল মা ও শিশুদের দেখলে তিনি ভেত...

পুলিশের পকেটে পেট্রোলের বোতল ও ম্যাচ!

Image
পুলিশের পকেটে পেট্রোলের বোতল ও ম্যাচ! নিজস্ব প্রতিবেদক নয়া দিগন্ত রাজধানীতে আজ সোমবার ছাত্রশিবির ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশের হাতে পেট্রোলের বোতল ও ম্যাচ দেখা গেছে। আটকের পর পুলিশকে পেট্রলের বোতল ও ম্যাচ শিবির কর্মীদের হাতে ধরিয়ে দিতে দেখা গেছে। এমনকি ছদ্মবেশের পুলিশ শিবিরের মিছিলে যোগ দিয়ে গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে। আজ মতিঝিল এলাকায় সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশের ছিল এমন রহস্যজনক ভূমিকা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ইসলামী ছাত্রশিবির যখন মতিঝিল এলাকায় মিছিল বের করে, তখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাদা পোশাকে বেশ কয়েকজন সদস্যকে মিছিলে দেখা গেছে। মিছিলের একপর্যায় হঠাৎ করে হামলা চালায় সাদা পোশাকের ওই লোকগুলো। যানবাহনে ভাংচুর শুরু হয়। এসময় স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের সামনে পার্কিং করা একটি মাইক্রোবাস ও উত্তরা ব্যাংকের সামনে একটি পিকআপে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে গাড়িতে অগ্নিসংযোগের সময় সাদা পোশাকের লোকগুলো আশাপাশেই ছিল। এমনকি তাদের হাতে পেট্রোলের বোতলও দেখা গেছে। কেউ কেউ বোতল থেকে পেট্রোল গাড়িতে ছিটিয়ে দিচ্ছিল। অপরদিকে সংঘর্ষ চলাকালে শিবির কর্মী...

পুলিশের পকেটে পেট্রোলের বোতল ও ম্যাচ!

Image
পুলিশের পকেটে পেট্রোলের বোতল ও ম্যাচ! নিজস্ব প্রতিবেদক নয়া দিগন্ত রাজধানীতে আজ সোমবার ছাত্রশিবির ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশের হাতে পেট্রোলের বোতল ও ম্যাচ দেখা গেছে। আটকের পর পুলিশকে পেট্রলের বোতল ও ম্যাচ শিবির কর্মীদের হাতে ধরিয়ে দিতে দেখা গেছে। এমনকি ছদ্মবেশের পুলিশ শিবিরের মিছিলে যোগ দিয়ে গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে। আজ মতিঝিল এলাকায় সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশের ছিল এমন রহস্যজনক ভূমিকা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ইসলামী ছাত্রশিবির যখন মতিঝিল এলাকায় মিছিল বের করে, তখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাদা পোশাকে বেশ কয়েকজন সদস্যকে মিছিলে দেখা গেছে। মিছিলের একপর্যায় হঠাৎ করে হামলা চালায় সাদা পোশাকের ওই লোকগুলো। যানবাহনে ভাংচুর শুরু হয়। এসময় স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের সামনে পার্কিং করা একটি মাইক্রোবাস ও উত্তরা ব্যাংকের সামনে একটি পিকআপে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে গাড়িতে অগ্নিসংযোগের সময় সাদা পোশাকের লোকগুলো আশাপাশেই ছিল। এমনকি তাদের হাতে পেট্রোলের বোতলও দেখা গেছে। কেউ কেউ বোতল থেকে পেট্রোল গাড়িতে ছিটিয়ে দিচ্ছিল। অপরদিকে সংঘর্ষ চলাকালে শিবির কর্মী...

সোনা ফেলে আঁচলে গেরো দেবেন না

Image
সহজিয়া কড়চা সোনা ফেলে আঁচলে গেরো দেবেন না সৈয়দ আবুল মকসুদ |  তারিখ: ২৯-০১-২০১৩ ০ মন্তব্য প্রিন্ট ShareThis « আগের সংবাদ পরের সংবাদ» যেকোনো গণতান্ত্রিক দেশে, তা গলিত দূষিত গণতন্ত্রই হোক আর আদর্শ গণতন্ত্রই হোক, নির্বাচনের বছরের বৈশিষ্ট্য আলাদা। সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে আসে দৃষ্টিগ্রাহ্য পরিবর্তন। বাংলাদেশেও আমরা তা দেখছি ১৯৫৪ সাল থেকে। ষাটের দশকের মৌলিক গণতন্ত্রের নির্বাচনগুলোতে উত্তেজনা ছিল কম। সত্তরের নির্বাচন ছিল সবচেয়ে উত্তেজনাময়। কারণ, তা ছিল জনগণের ভাগ্য পরীক্ষার নির্বাচন।  নির্বাচনের বছরে আমাদের দেশে মানুষে মানুষে সামাজিক যোগাযোগ বাড়ে। যার সঙ্গে কোনো দিনই আগে কথাবার্তা হয়নি, তাকেও রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে একজন বলেন, ‘কেমন আছেন, চাচা? চাচির শরীলডা ভালো তো?’ নবসম্পর্কিত চাচা তাঁর ভাতিজাকে বলেন, ‘আপনের চাচি গত নির্বাচনের তিন দিন পর হার্টফেল কইরা মারা গেছে। এবার চার বছর হইল।’ ভাতিজা সম্ভাব্য প্রার্থীর একজন কর্মী। চার বছর পর চাচির মৃত্যুসংবাদে বড়ই মর্মাহত হন। শোকের ছায়ায় ঢেকে যায় ভাতিজার মুখ। বলেন, ‘আমাকে খবর দেন নাই। কুলখানিতে যাইতাম।’ চার বছর পর...

সোনা ফেলে আঁচলে গেরো দেবেন না

Image
সহজিয়া কড়চা সোনা ফেলে আঁচলে গেরো দেবেন না সৈয়দ আবুল মকসুদ |  তারিখ: ২৯-০১-২০১৩ ০ মন্তব্য প্রিন্ট ShareThis « আগের সংবাদ পরের সংবাদ» যেকোনো গণতান্ত্রিক দেশে, তা গলিত দূষিত গণতন্ত্রই হোক আর আদর্শ গণতন্ত্রই হোক, নির্বাচনের বছরের বৈশিষ্ট্য আলাদা। সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে আসে দৃষ্টিগ্রাহ্য পরিবর্তন। বাংলাদেশেও আমরা তা দেখছি ১৯৫৪ সাল থেকে। ষাটের দশকের মৌলিক গণতন্ত্রের নির্বাচনগুলোতে উত্তেজনা ছিল কম। সত্তরের নির্বাচন ছিল সবচেয়ে উত্তেজনাময়। কারণ, তা ছিল জনগণের ভাগ্য পরীক্ষার নির্বাচন।  নির্বাচনের বছরে আমাদের দেশে মানুষে মানুষে সামাজিক যোগাযোগ বাড়ে। যার সঙ্গে কোনো দিনই আগে কথাবার্তা হয়নি, তাকেও রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে একজন বলেন, ‘কেমন আছেন, চাচা? চাচির শরীলডা ভালো তো?’ নবসম্পর্কিত চাচা তাঁর ভাতিজাকে বলেন, ‘আপনের চাচি গত নির্বাচনের তিন দিন পর হার্টফেল কইরা মারা গেছে। এবার চার বছর হইল।’ ভাতিজা সম্ভাব্য প্রার্থীর একজন কর্মী। চার বছর পর চাচির মৃত্যুসংবাদে বড়ই মর্মাহত হন। শোকের ছায়ায় ঢেকে যায় ভাতিজার মুখ। বলেন, ‘আমাকে খবর দেন নাই। কুলখানিতে যাইতাম।’ চার বছর পর...

মাইনষের প্লেটের বিরানি আর হাড্ডি খাই’

Image
মাইনষের প্লেটের বিরানি আর হাড্ডি খাই’ সুচিত্রা সরকার |  তারিখ: ২৭-০১-২০১৩ ০ মন্তব্য প্রিন্ট ShareThis « আগের সংবাদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বোপার্জিত স্বাধীনতা চত্বর। বিকেল চারটা। একদল শিশু খেলায় ব্যস্ত। এদের মধ্যে একজন কাগজের ঠোঙায় ঝালমুড়ি খাচ্ছিল। খাওয়া শেষ হলে সেই কাগজটা দিয়েই বানানো হলো একটা উড়োজাহাজ। সেটা আকাশ বরাবর উড়িয়ে দিতেই ওর চোখ আটকে গেল পাশের পাঁপড় বিক্রেতার দিকে। সেখানে একজন পাঁপড় কিনছে। উড়োজাহাজ আর বন্ধুদের কথা ভুলে মুহূর্তেই ছুটে গেল। তারপর  ক্রেতার দিকে ছলছল চোখে চেয়ে বলল, ‘ভাই, কিছু কিইন্যা দেন, সকাল থাইক্যা কিছু খাই নাই।’ অনেক অনুনয় আর বিনয়ের পর আধখান পাঁপড় জুটল। সেটা খেয়ে তারপর আবার দৌড়াল বন্ধুদের কাছে। ওর নাম সজীব। বয়স ছয়। বাড়ি ভৈরবে। বর্তমান ঠিকানা সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। প্রশ্ন করলাম, ‘সারা দিন কি এখানেই থাকো?’ প্রশ্ন শুনেই যেন কথার খই ফুটতে লাগল, ‘হ, এইখানে থাকি। আর ফুল বেচি।’ পাশের বন্ধুদের দেখিয়ে বলল, ‘হেরাও এই কাম করে।’ সারা দিন কি এই সবই খাও? পাশে দাঁড়ানো আলাদিন এবার কথা বলল, ‘সকালে আমরা রুটি আর চা খাই। তারপর ফুল বেচতে এই খানে আইস্...

মাইনষের প্লেটের বিরানি আর হাড্ডি খাই’

Image
মাইনষের প্লেটের বিরানি আর হাড্ডি খাই’ সুচিত্রা সরকার |  তারিখ: ২৭-০১-২০১৩ ০ মন্তব্য প্রিন্ট ShareThis « আগের সংবাদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বোপার্জিত স্বাধীনতা চত্বর। বিকেল চারটা। একদল শিশু খেলায় ব্যস্ত। এদের মধ্যে একজন কাগজের ঠোঙায় ঝালমুড়ি খাচ্ছিল। খাওয়া শেষ হলে সেই কাগজটা দিয়েই বানানো হলো একটা উড়োজাহাজ। সেটা আকাশ বরাবর উড়িয়ে দিতেই ওর চোখ আটকে গেল পাশের পাঁপড় বিক্রেতার দিকে। সেখানে একজন পাঁপড় কিনছে। উড়োজাহাজ আর বন্ধুদের কথা ভুলে মুহূর্তেই ছুটে গেল। তারপর  ক্রেতার দিকে ছলছল চোখে চেয়ে বলল, ‘ভাই, কিছু কিইন্যা দেন, সকাল থাইক্যা কিছু খাই নাই।’ অনেক অনুনয় আর বিনয়ের পর আধখান পাঁপড় জুটল। সেটা খেয়ে তারপর আবার দৌড়াল বন্ধুদের কাছে। ওর নাম সজীব। বয়স ছয়। বাড়ি ভৈরবে। বর্তমান ঠিকানা সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। প্রশ্ন করলাম, ‘সারা দিন কি এখানেই থাকো?’ প্রশ্ন শুনেই যেন কথার খই ফুটতে লাগল, ‘হ, এইখানে থাকি। আর ফুল বেচি।’ পাশের বন্ধুদের দেখিয়ে বলল, ‘হেরাও এই কাম করে।’ সারা দিন কি এই সবই খাও? পাশে দাঁড়ানো আলাদিন এবার কথা বলল, ‘সকালে আমরা রুটি আর চা খাই। তারপর ফুল বেচতে এই খানে আইস্...

ওর মতো মানুষ হয় না’

Image
তরুণী উদ্ধারে হান্নানের সাহসী ভূমিকা মূল রচনা: ঢাকার মানিকগঞ্জে চলন্ত বাসে ধর্ষণের ঘটনা শোরগোল ফেলেছিল সংবাদমাধ্যমে। আক্রান্ত সেই তরুণীকে বাঁচাতে এগিয়ে এসেছিলেন ফেরিওয়ালা হান্নান মিয়া। শুনুন বিস্তারিত... বাহাদুর হান্নান! মো. সাইফুল্লাহ |  তারিখ: ০২-০২-২০১৩ ০ মন্তব্য প্রিন্ট ShareThis « আগের সংবাদ পরের সংবাদ» হান্নান মিয়া থাকেন ঢাকার মানিকগঞ্জে বাসে বাসে চকলেট-চানাচুর ফেরি করেন হান্নান মিয়া 1   2 ‘মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে নামছেন? রিকশাওয়ালাকে বলেন, “পশ্চিম সেওতা, মাখখু বাবুর্চির বাড়ি যাব।” বললেই নিয়ে আসবে।’ মুঠোফোনে এভাবেই নির্দেশনা দিলেন হান্নান। সামনে দাঁড়ানো রিকশাচালক ততক্ষণে ফোনের এ-পাড়ের কথা শুনেই আন্দাজ করে ফেলেছেন, কোথায় যেতে হবে। প্যাডেল ঘোরাতে ঘোরাতে বললেন, ‘কার সাথে কথা কইলেন? হান্নান? মানে হকার হান্নান তো? হান্নান ভাইয়ের বাড়ি যাইবেন, কইলেই হয়।’ বাসস্ট্যান্ড এলাকার সবাই-ই কমবেশি হান্নানকে চেনেন। আগে পরিচয় না থাকলেও, গত কয়েক দিনে চেনা হয়ে গেছে। মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডের হকারদের একজন হান্নান। অন্য হকারদের সঙ্গে গলা মিলিয়ে তিনিও হাঁক ছাড়েন, ‘লাগবে... চান...