রাবিতে এবার শিক্ষার্থীকে হাতুড়িপেটা করল ছাত্রলীগ
শীর্ষ নিউজ
| « আগের সংবাদ | পরের সংবাদ» |
চাঁদার টাকা না দেয়ায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ৩য় বর্ষের আব্দুল মুয়িজ ও ইমরান নামের দুই শিক্ষার্থীকে হাতুড়িপেটা করেছে ছাত্রলীগ।
গতকাল বিকাল সাড়ে ৫টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ২৩০ নম্বর কক্ষে এ ঘটনা ঘটেছে। হলের একাধিক শিক্ষার্থী জানায়, সেই অস্ত্রধারী ক্যাডার সুদীপ্ত সালামের এলাকা ঝিনাইদহের ছেলে হওয়ায় তার সাথে সম্পর্ক ছিল মুয়িজের। সে কারণে রোববার বিকালে মুয়িজকে বঙ্গবন্ধু হলে ডাকে সালাম। তার কথা মতো বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে মুয়িজ তার বন্ধু ইমরানকে সাথে নিয়ে হলে যান। এ সময় তাদের দুই জনকে ২৩০ নম্বর কক্ষে যেতে বলে সালাম। আগে থেকেই ওই কক্ষে অবস্থান করছিল বিশ্ববিদ্যালয়
ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আসিফ। তিনি দুই শিক্ষার্থীকে কক্ষে ঢুকতে দেখে তাদের থেকে কোনো কারণ ছাড়াই মোটা অংকের চাঁদা দাবি করেন। এতে ওই শিক্ষার্থীরা সালামের কাছে বিষয়টি বললে তিনি বলেন, ‘ও যা চায় তা দিয়ে দে, ছেলেটা কিন্তু ভালো নয়। হয়তো মাল খাওয়ার জন্য কিছু টাকা চাচ্ছে।’
কিন্তু তারা টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তাদের দুজনকেই আগে থেকে কক্ষে রাখা হাতুড়ি, লোহার রড ও লাঠি দিয়ে বেদম মারতে থাকে আসিফ ও সালামসহ বেশ কয়েকজন ছাত্রলীগ নেতাকর্মী। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী কক্ষে আটকিয়ে তাদের মারধর করা হয়। এ সময় ওই কক্ষেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলে মুয়িজ।
পরে পুলিশ এসে তাদের আহত অবস্থায় উদ্ধার করে মেডিকেলে নিয়ে যায়। মুয়িজ ও ইমরান বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বিনোদপুর এলাকায় একই মেসে থাকেন বলে জানা গেছে।
ছাত্রলীগের এক নেতা নাম প্রকাশ না করা শর্তে বলেন, সাধারণ সম্পাদক তৌহিদ আল তুহিন গ্রুপের হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজ করে আসিফ। আর সালাম নিজের সেল্টারে ক্যাম্পাসে রাজনীতি করছে।
উল্লেখ্য, সুদীপ্ত সালাম গত ২ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর প্রকাশ্যে অস্ত্র হাতে চড়াও হয়েছিল। এর আগে তিনি অস্ত্র ও কলগার্লসহ বোয়ালিয়া পুলিশের হাতে ধরা পড়েছিলেন। হলের ডাইনিং ও ক্যান্টিনসহ ক্যাম্পাসে সব খানে ফাওখোর বলেই সালাম সবার কাছে পরিচিত।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা করা হলে সালাম শীর্ষ নিউজকে জানান, মুয়িজ একজনকে সাথে নিয়ে কোনো কারণ ছাড়াই আমার কক্ষে এসেছিল। কক্ষে এসে আমার বিভিন্ন গোপনীয় বস্তু দেখতেছিল। তাই একটু শাসন করেছি।
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান রানা জানান, আমি বিষয়টি শুনেছি। কিন্তু সাংগঠনিক কাজে দিনাজপুরে থাকায় এখনই কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছি না। তবে রাজশাহীতে ফিরেই এ বিষয়ে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।
মতিহান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবিএম রেজাউল ইসলাম জানান, বঙ্গবন্ধু হলে শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনা শোনার পর পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে মেডিকেলে ভর্তি করেছে। তবে মুয়িজ নামের শিক্ষার্থীর অবস্থা গুরুতর বলেও জানান তিনি।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের মাদার বখশ হলে আরবি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের এক শিক্ষার্থীকে মেরে তার পা ভেঙে দেয় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সদস্য ও লোকপ্রশাসন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবদুল্লাহিল বাকি। এছাড়াও শনিবার শাহ মখদুম হলে ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের এমবিএর এক শিক্ষার্থীকে মারধর ও পিস্তল দেখিয়ে হুমকি দেয় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও উর্দু বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী গোলাম কিবরিয়া। এ সময় তাদের সাথে একাধিক ছাত্রলীগ নেতাকর্মী ছিল। তারা সবাই সাধারণ সম্পাদক তৌহিদ আল তুহিন গ্রুপের সাথে কাজ করেন।
গতকাল বিকাল সাড়ে ৫টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ২৩০ নম্বর কক্ষে এ ঘটনা ঘটেছে। হলের একাধিক শিক্ষার্থী জানায়, সেই অস্ত্রধারী ক্যাডার সুদীপ্ত সালামের এলাকা ঝিনাইদহের ছেলে হওয়ায় তার সাথে সম্পর্ক ছিল মুয়িজের। সে কারণে রোববার বিকালে মুয়িজকে বঙ্গবন্ধু হলে ডাকে সালাম। তার কথা মতো বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে মুয়িজ তার বন্ধু ইমরানকে সাথে নিয়ে হলে যান। এ সময় তাদের দুই জনকে ২৩০ নম্বর কক্ষে যেতে বলে সালাম। আগে থেকেই ওই কক্ষে অবস্থান করছিল বিশ্ববিদ্যালয়
ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আসিফ। তিনি দুই শিক্ষার্থীকে কক্ষে ঢুকতে দেখে তাদের থেকে কোনো কারণ ছাড়াই মোটা অংকের চাঁদা দাবি করেন। এতে ওই শিক্ষার্থীরা সালামের কাছে বিষয়টি বললে তিনি বলেন, ‘ও যা চায় তা দিয়ে দে, ছেলেটা কিন্তু ভালো নয়। হয়তো মাল খাওয়ার জন্য কিছু টাকা চাচ্ছে।’
কিন্তু তারা টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তাদের দুজনকেই আগে থেকে কক্ষে রাখা হাতুড়ি, লোহার রড ও লাঠি দিয়ে বেদম মারতে থাকে আসিফ ও সালামসহ বেশ কয়েকজন ছাত্রলীগ নেতাকর্মী। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী কক্ষে আটকিয়ে তাদের মারধর করা হয়। এ সময় ওই কক্ষেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলে মুয়িজ।
পরে পুলিশ এসে তাদের আহত অবস্থায় উদ্ধার করে মেডিকেলে নিয়ে যায়। মুয়িজ ও ইমরান বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বিনোদপুর এলাকায় একই মেসে থাকেন বলে জানা গেছে।
ছাত্রলীগের এক নেতা নাম প্রকাশ না করা শর্তে বলেন, সাধারণ সম্পাদক তৌহিদ আল তুহিন গ্রুপের হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজ করে আসিফ। আর সালাম নিজের সেল্টারে ক্যাম্পাসে রাজনীতি করছে।
উল্লেখ্য, সুদীপ্ত সালাম গত ২ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর প্রকাশ্যে অস্ত্র হাতে চড়াও হয়েছিল। এর আগে তিনি অস্ত্র ও কলগার্লসহ বোয়ালিয়া পুলিশের হাতে ধরা পড়েছিলেন। হলের ডাইনিং ও ক্যান্টিনসহ ক্যাম্পাসে সব খানে ফাওখোর বলেই সালাম সবার কাছে পরিচিত।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা করা হলে সালাম শীর্ষ নিউজকে জানান, মুয়িজ একজনকে সাথে নিয়ে কোনো কারণ ছাড়াই আমার কক্ষে এসেছিল। কক্ষে এসে আমার বিভিন্ন গোপনীয় বস্তু দেখতেছিল। তাই একটু শাসন করেছি।
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান রানা জানান, আমি বিষয়টি শুনেছি। কিন্তু সাংগঠনিক কাজে দিনাজপুরে থাকায় এখনই কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছি না। তবে রাজশাহীতে ফিরেই এ বিষয়ে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।
মতিহান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবিএম রেজাউল ইসলাম জানান, বঙ্গবন্ধু হলে শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনা শোনার পর পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে মেডিকেলে ভর্তি করেছে। তবে মুয়িজ নামের শিক্ষার্থীর অবস্থা গুরুতর বলেও জানান তিনি।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের মাদার বখশ হলে আরবি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের এক শিক্ষার্থীকে মেরে তার পা ভেঙে দেয় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সদস্য ও লোকপ্রশাসন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবদুল্লাহিল বাকি। এছাড়াও শনিবার শাহ মখদুম হলে ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের এমবিএর এক শিক্ষার্থীকে মারধর ও পিস্তল দেখিয়ে হুমকি দেয় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও উর্দু বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী গোলাম কিবরিয়া। এ সময় তাদের সাথে একাধিক ছাত্রলীগ নেতাকর্মী ছিল। তারা সবাই সাধারণ সম্পাদক তৌহিদ আল তুহিন গ্রুপের সাথে কাজ করেন।
Comments