সিইসির উপজেলা জীবননগরে এ কী চিত্র! চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি | আপডেট: ১৪:০০, মার্চ ২৩, ২০১৪ ১ চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার কন্দর্পপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে হামলা চালিয়ে ব্যালট বাক্স ও ব্যালট পেপার ছিনতাই করা হয়। পরে তাতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ছবি: শাহ আলমচুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার কন্দর্পপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে হামলা চালিয়ে ব্যালট বাক্স ও ব্যালট পেপার ছিনতাই করা হয়। পরে তাতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ছবি: শাহ আলমকেন্দ্র দখল, বোমা হামলা, ব্যালট বাক্স ছিনতাই, অগ্নিসংযোগ ও পোলিং এজেন্টদের মারধরসহ নানা অনিয়মের মধ্য দিয়ে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ চলছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) নিজের উপজেলা এটি। বিএনপি-জামায়াত-সমর্থিত চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান, একজন স্বতন্ত্র মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানসহ মোট সাতজন নির্বাচন বর্জন করেছেন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে একযোগে তাঁরা নির্বাচন বর্জন করেন। নতুনপাড়া কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা করার অভিযোগে সেনাবাহিনী আব্দুল গণি নামের একজনকে আটক করেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে একদল দুর্বৃত্ত কন্দর্পপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র দখল, পরপর তিনটি বোমা হামলা ও নয়টি কক্ষে ঢুকে ব্যালট বাক্স ছিনতাই, ভাঙচুর ও তাতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। ওই কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা স্বপন কুমার জানান, হামলাকারীদের চেনা যায়নি। দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশের সহকারী পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম বলেন, ভোটকেন্দ্রে একযোগে হামলা চালানো হয়। আওয়ামী লীগ-সমর্থিত প্রার্থীর পোলিং এজেন্ট হাসান বুলবুল জানান, হামলায় বহিরাগতরা অংশ নেন। সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজেদুর রহমান জানান, সাতজন প্রার্থী নির্বাচন স্থগিত ও ভোট পুনরায় গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের আবেদনপত্র রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে। নির্বাচন বর্জনকারীরা হলেন বিএনপি-সমর্থিত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সাইদুর রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান আরিফুজ্জামান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মাহফুজা পারভীন, জামায়াত সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী খলিলুর রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মহিউদ্দিন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী সামুন্নাহার এবং স্বতন্ত্র ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী পেয়ারা বেগম।

সিইসির উপজেলা জীবননগরে এ কী চিত্র!

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি | আপডেট: ১৪:০০, মার্চ ২৩, ২০১৪
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার কন্দর্পপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে হামলা চালিয়ে ব্যালট বাক্স ও ব্যালট পেপার ছিনতাই করা হয়। পরে তাতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ছবি: শাহ আলমচুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার কন্দর্পপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে হামলা চালিয়ে ব্যালট বাক্স ও ব্যালট পেপার ছিনতাই করা হয়। পরে তাতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ছবি: শাহ আলমকেন্দ্র দখল, বোমা হামলা, ব্যালট বাক্স ছিনতাই, অগ্নিসংযোগ ও পোলিং এজেন্টদের মারধরসহ নানা অনিয়মের মধ্য দিয়ে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ চলছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) নিজের উপজেলা এটি।
বিএনপি-জামায়াত-সমর্থিত চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান, একজন স্বতন্ত্র মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানসহ মোট সাতজন নির্বাচন বর্জন করেছেন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে একযোগে তাঁরা নির্বাচন বর্জন করেন। নতুনপাড়া কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা করার অভিযোগে সেনাবাহিনী আব্দুল গণি নামের একজনকে আটক করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে একদল দুর্বৃত্ত কন্দর্পপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র দখল, পরপর তিনটি বোমা হামলা ও নয়টি কক্ষে ঢুকে ব্যালট বাক্স ছিনতাই, ভাঙচুর ও তাতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।
ওই কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা স্বপন কুমার জানান, হামলাকারীদের চেনা যায়নি।
দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশের সহকারী পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম বলেন, ভোটকেন্দ্রে একযোগে হামলা চালানো হয়।
আওয়ামী লীগ-সমর্থিত প্রার্থীর পোলিং এজেন্ট হাসান বুলবুল জানান, হামলায় বহিরাগতরা অংশ নেন।
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজেদুর রহমান জানান, সাতজন প্রার্থী নির্বাচন স্থগিত ও ভোট পুনরায় গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের আবেদনপত্র রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।
নির্বাচন বর্জনকারীরা হলেন বিএনপি-সমর্থিত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সাইদুর রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান আরিফুজ্জামান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মাহফুজা পারভীন, জামায়াত সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী খলিলুর রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মহিউদ্দিন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী সামুন্নাহার এবং স্বতন্ত্র ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী পেয়ারা বেগম।

Comments

Popular posts from this blog

কিডনি ভালো রাখতে যখন তখন ওষুধ নয়