পানি পান বাঁচায় প্রাণ
- Get link
- X
- Other Apps
অনলাইন ডেস্ক | আপডেট: ১৫:১৯, মার্চ ২২, ২০১৪
পানির অপর নাম জীবন; তবে সে পানি বিশুদ্ধ হওয়া জরুরি। সুস্বাস্থ্য ও সুন্দর জীবনের জন্য নিয়মিত পরিমাণমতো বিশুদ্ধ পানি খাওয়া জরুরি বলেই পরামর্শ দিয়েছেন চিকিত্সকেরা।
আমরা অনেকেই জানি, আমাদের শরীরের মোট ওজনের ১৭ শতাংশ পানি। শরীরের সব অংশেই পানি আছে। তবে সবচেয়ে বেশি পানি আছে ফুসফুস, মগজ, রক্তসহ শরীরের অন্যান্য তরল জাতীয় পদার্থে।
শরীরে পানির প্রয়োজন দেখা দিলেই কেবল আমরা তেষ্টা অনুভব করি বলে একটা সাধারণ বিশ্বাস আছে। এ বিশ্বাসটি সত্য। তবে সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, আমাদের শরীরের কিছু বা সব অংশে অপর্যাপ্ত পানির আরও অনেক নির্দেশক আছে। এই নির্দেশকগুলোকে অবজ্ঞা করার পরিণতি মারাত্মক হতে পারে।
আমরা অনেকই ঘণ্টার পর ঘণ্টা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে সময় কাটাই। ফলে প্রাকৃতিকভাবে পানির তৃষ্ণা অনুভব করি না। এর অর্থ এই নয় যে এই সময়ে আমাদের শরীরে পানির চাহিদা নেই। তৃষ্ণা না লাগলেও এই সময়ে পানি পানের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। পানির অপর্যাপ্ততা ক্লান্তি ও অবসাদের জন্ম দিতে পারে। সুস্বাস্থ্যের জন্য সব সময় পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে।
চিকিত্সকদের মতে, শরীর ও স্বাস্থ্য স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণ বিশুদ্ধ পানি পানের কোনো বিকল্প নেই। এর ব্যত্যয় ঘটলে কিডনিসহ নানা ধরনের রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
বীজকে গাছে পরিণত করতে পানি যেভাবে সাহায্য করে, একইভাবে মানুষের শরীরকেও বেড়ে উঠতে সহায়তা করে পানি।
শরীরের কোষের ভেতরে ও বাইরে পানির প্রবাহ শক্তি উত্পাদন করে। এই শক্তি শরীরে সঞ্চিত থাকে। পানির মাধ্যমে উত্পাদিত শক্তি স্নায়ুতে প্রণোদনা প্রেরণে সাহায্য করে।
শরীরের পানি জাতীয় উপাদান প্রোটিন ও এনজাইমের কাজকে প্রভাবিত করে। শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ত্বকের আর্দ্রতা রক্ষায় সাহায্য করে পানি। রক্তসহ শরীরের অন্য তরল জাতীয় পদার্থের পরিমাণকে পানি অটুট রাখতে ভূমিকা রাখে। শরীরের তাপমাত্রাও নিয়ন্ত্রণ করে পানি। শরীরের ত্বক বা চামড়ার স্বাভাবিক গঠন ও ক্রিয়ার জন্য পানি জরুরি।
আমাদের শরীর প্রতিদিন প্রায় চার লিটার পানি হারায়। এই শূন্যতা পূরণে প্রতিদিন অন্তত সমপরিমাণ পানি পান করা অপরিহার্য। অপর্যাপ্ত পানি পানে ডায়রিয়াসহ নানা রোগ হানা দিতে পারে। তাতে জীবনহানিও ঘটতে পারে।—টাইমস অব ইন্ডিয়া
আমরা অনেকেই জানি, আমাদের শরীরের মোট ওজনের ১৭ শতাংশ পানি। শরীরের সব অংশেই পানি আছে। তবে সবচেয়ে বেশি পানি আছে ফুসফুস, মগজ, রক্তসহ শরীরের অন্যান্য তরল জাতীয় পদার্থে।
শরীরে পানির প্রয়োজন দেখা দিলেই কেবল আমরা তেষ্টা অনুভব করি বলে একটা সাধারণ বিশ্বাস আছে। এ বিশ্বাসটি সত্য। তবে সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, আমাদের শরীরের কিছু বা সব অংশে অপর্যাপ্ত পানির আরও অনেক নির্দেশক আছে। এই নির্দেশকগুলোকে অবজ্ঞা করার পরিণতি মারাত্মক হতে পারে।
আমরা অনেকই ঘণ্টার পর ঘণ্টা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে সময় কাটাই। ফলে প্রাকৃতিকভাবে পানির তৃষ্ণা অনুভব করি না। এর অর্থ এই নয় যে এই সময়ে আমাদের শরীরে পানির চাহিদা নেই। তৃষ্ণা না লাগলেও এই সময়ে পানি পানের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। পানির অপর্যাপ্ততা ক্লান্তি ও অবসাদের জন্ম দিতে পারে। সুস্বাস্থ্যের জন্য সব সময় পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে।
চিকিত্সকদের মতে, শরীর ও স্বাস্থ্য স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণ বিশুদ্ধ পানি পানের কোনো বিকল্প নেই। এর ব্যত্যয় ঘটলে কিডনিসহ নানা ধরনের রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
বীজকে গাছে পরিণত করতে পানি যেভাবে সাহায্য করে, একইভাবে মানুষের শরীরকেও বেড়ে উঠতে সহায়তা করে পানি।
শরীরের কোষের ভেতরে ও বাইরে পানির প্রবাহ শক্তি উত্পাদন করে। এই শক্তি শরীরে সঞ্চিত থাকে। পানির মাধ্যমে উত্পাদিত শক্তি স্নায়ুতে প্রণোদনা প্রেরণে সাহায্য করে।
শরীরের পানি জাতীয় উপাদান প্রোটিন ও এনজাইমের কাজকে প্রভাবিত করে। শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ত্বকের আর্দ্রতা রক্ষায় সাহায্য করে পানি। রক্তসহ শরীরের অন্য তরল জাতীয় পদার্থের পরিমাণকে পানি অটুট রাখতে ভূমিকা রাখে। শরীরের তাপমাত্রাও নিয়ন্ত্রণ করে পানি। শরীরের ত্বক বা চামড়ার স্বাভাবিক গঠন ও ক্রিয়ার জন্য পানি জরুরি।
আমাদের শরীর প্রতিদিন প্রায় চার লিটার পানি হারায়। এই শূন্যতা পূরণে প্রতিদিন অন্তত সমপরিমাণ পানি পান করা অপরিহার্য। অপর্যাপ্ত পানি পানে ডায়রিয়াসহ নানা রোগ হানা দিতে পারে। তাতে জীবনহানিও ঘটতে পারে।—টাইমস অব ইন্ডিয়া
- Get link
- X
- Other Apps
Comments