ক্রীতদাস নয়, মানুষ হিসেবে বাঁচতে চাই: ড. ইউনূস
- Get link
- X
- Other Apps
নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ১৩-০৫-২০১৩
নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ‘আমরা ক্রীতদাসের মতো বাঁচতে চাই না, মানুষ হিসেবে বাঁচতে চাই। বিশ্বের দরবারে মানুষ হিসেবে পরিচয় দিতে চাই।’
আজ সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে সাভারে ভবনধসজনিত দুর্ঘটনা নিয়ে আয়োজিত জাতীয় সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মুহাম্মদ ইউনূস এ কথা বলেন।
ড. ইউনূস বলেন, ‘বাংলাদেশ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক দেশ। এটি গৌরববোধ করার মতো একটি বিষয়।’ তিনি বলেন, ‘দেশের পোশাকশিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রায় ৪০ লাখ নারী শ্রমিক আধুনিক বাংলাদেশের ভিত্তি স্থাপন করছেন। তাই তাঁদের কথা ভুলে গেলে চলবে না। ভবিষ্যত্ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আমাদের এই ভিত্তি আরও শক্ত করতে হবে। তাঁদের আধুনিক মানুষ হওয়ার সুযোগ দিতে হবে। সঠিক মজুরি দিতে হবে। আমাদের সুযোগ রয়েছে। আমরা এটা করতে পারি। তাঁদের এমন মজুরি দিতে হবে, তাঁরা যেন মানুষ হিসেবে বসবাস করতে পারে, ক্রীতদাস হিসেবে নয়। বিশ্বের দরবারে যেন আমরা বলতে পারি, আমরা ক্রীতদাসের মতো বেঁচে থাকতে চাই না। আমরা মানুষ হিসেবে বাঁচতে চাই।’
সাভারে দুর্ঘটনার বিষয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘আমরা এমন সময় এখানে আলোচনা করছি, যখন সাভারের রানা প্লাজার ধ্বংসস্তূপ থেকে শ্রমিকদের লাশ বের করে আনা হচ্ছে। এটি এমন একটি ঘটনা, যা আমাদের মন থেকে মুছে ফেলতে পারব না। আমাদের চোখের সামনে এমন ঘটনা ঘটেছে, যা ইতিহাসের পাতা থেকে মুছে ফেলতে পারব না। এর পরও আমাদের বোধোদয় না হলে ধিক আমাদের বোধকে। এতটুকু শক্তি কি আমাদের নেই যে এমন ঘটনা আর ঘটতে দেব না? আমরা কি মেনে নেব একটির পর একটি এমন ঘটনা ঘটতে থাকবে?’
ড. ইউনূস বলেন, ‘এ ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে, সে লক্ষ্যে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। এ ঘটনার জন্য আমরা সবাই দোষী। আমরা যদি দোষ মেনে নিই, আত্মসমালোচনা করি; তাহলেই আমরা শুদ্ধ হতে পারব।’ তাই কাউকে দোষ না দিয়ে, কারও জন্য বসে না থেকে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য আহ্বান জানান তিনি।
ড. ইউনূস আরও বলেন, ‘আমরা পোশাকশিল্প, পোশাক কারখানার শ্রমিক ও বাংলাদেশকে রক্ষা করতে চাই। এই তিনটিই একসঙ্গে রক্ষা করতে হবে। সংহতিপূর্ণ জাতি হিসেবে আমাদের গড়ে উঠতে হবে।’
পাওয়ার অ্যান্ড পারটিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) উদ্যোগে জাতীয় এই সংলাপের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন পিপিআরসির চেয়ারম্যান ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর রহমান।
সংলাপে অনুষ্ঠানে আলোচনায় অংশ নেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজীনা, অধ্যাপক রেহমান সোবহান, গোলাম কাদের, মাহবুবুর রহমান, জামিলুর রেজা চৌধুরী, মাহমুদুল হক, শিরীন আক্তার, নাসির উদ্দিন, ওয়াজেদুল ইসলাম খান, ইউরোপীয় ইউনিয়নের ফার্স্ট সেক্রেটারি অ্যান্ড্রু বারনার্ড, স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান, বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি মহিউদ্দিন, মামুনুর রশিদ, সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. এনামুর রহমান, জাফর উল্লাহ চৌধুরী, নাজমা আক্তার, বিজিএমইএর সভাপতি আতিকুল ইসলাম প্রমুখ। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সভাপতি এম এ তসলিম।
আজ সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে সাভারে ভবনধসজনিত দুর্ঘটনা নিয়ে আয়োজিত জাতীয় সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মুহাম্মদ ইউনূস এ কথা বলেন।
ড. ইউনূস বলেন, ‘বাংলাদেশ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক দেশ। এটি গৌরববোধ করার মতো একটি বিষয়।’ তিনি বলেন, ‘দেশের পোশাকশিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রায় ৪০ লাখ নারী শ্রমিক আধুনিক বাংলাদেশের ভিত্তি স্থাপন করছেন। তাই তাঁদের কথা ভুলে গেলে চলবে না। ভবিষ্যত্ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আমাদের এই ভিত্তি আরও শক্ত করতে হবে। তাঁদের আধুনিক মানুষ হওয়ার সুযোগ দিতে হবে। সঠিক মজুরি দিতে হবে। আমাদের সুযোগ রয়েছে। আমরা এটা করতে পারি। তাঁদের এমন মজুরি দিতে হবে, তাঁরা যেন মানুষ হিসেবে বসবাস করতে পারে, ক্রীতদাস হিসেবে নয়। বিশ্বের দরবারে যেন আমরা বলতে পারি, আমরা ক্রীতদাসের মতো বেঁচে থাকতে চাই না। আমরা মানুষ হিসেবে বাঁচতে চাই।’
সাভারে দুর্ঘটনার বিষয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘আমরা এমন সময় এখানে আলোচনা করছি, যখন সাভারের রানা প্লাজার ধ্বংসস্তূপ থেকে শ্রমিকদের লাশ বের করে আনা হচ্ছে। এটি এমন একটি ঘটনা, যা আমাদের মন থেকে মুছে ফেলতে পারব না। আমাদের চোখের সামনে এমন ঘটনা ঘটেছে, যা ইতিহাসের পাতা থেকে মুছে ফেলতে পারব না। এর পরও আমাদের বোধোদয় না হলে ধিক আমাদের বোধকে। এতটুকু শক্তি কি আমাদের নেই যে এমন ঘটনা আর ঘটতে দেব না? আমরা কি মেনে নেব একটির পর একটি এমন ঘটনা ঘটতে থাকবে?’
ড. ইউনূস বলেন, ‘এ ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে, সে লক্ষ্যে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। এ ঘটনার জন্য আমরা সবাই দোষী। আমরা যদি দোষ মেনে নিই, আত্মসমালোচনা করি; তাহলেই আমরা শুদ্ধ হতে পারব।’ তাই কাউকে দোষ না দিয়ে, কারও জন্য বসে না থেকে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য আহ্বান জানান তিনি।
ড. ইউনূস আরও বলেন, ‘আমরা পোশাকশিল্প, পোশাক কারখানার শ্রমিক ও বাংলাদেশকে রক্ষা করতে চাই। এই তিনটিই একসঙ্গে রক্ষা করতে হবে। সংহতিপূর্ণ জাতি হিসেবে আমাদের গড়ে উঠতে হবে।’
পাওয়ার অ্যান্ড পারটিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) উদ্যোগে জাতীয় এই সংলাপের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন পিপিআরসির চেয়ারম্যান ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর রহমান।
সংলাপে অনুষ্ঠানে আলোচনায় অংশ নেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজীনা, অধ্যাপক রেহমান সোবহান, গোলাম কাদের, মাহবুবুর রহমান, জামিলুর রেজা চৌধুরী, মাহমুদুল হক, শিরীন আক্তার, নাসির উদ্দিন, ওয়াজেদুল ইসলাম খান, ইউরোপীয় ইউনিয়নের ফার্স্ট সেক্রেটারি অ্যান্ড্রু বারনার্ড, স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান, বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি মহিউদ্দিন, মামুনুর রশিদ, সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. এনামুর রহমান, জাফর উল্লাহ চৌধুরী, নাজমা আক্তার, বিজিএমইএর সভাপতি আতিকুল ইসলাম প্রমুখ। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সভাপতি এম এ তসলিম।
পাঠকের মন্তব্য
পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।
সাইনইন
মন্তব্য প্রদানের জন্য সাইনইন করুন
- Md. Rezaul karim২০১৩.০৫.১৩ ১৭:৫১
- এতোদিন পরে উনি কোথা থেকে উদয় হলেন! একবার ও তো সাভার গিয়ে দেখলেন ও না ওই দু:খি মানুষ গুলোকে! প্রায় একমাস পরে শুরু করে দিলেন বড় বড় বক্তব্য। হায়রে নোবেল!
- ২০১৩.০৫.১৩ ১৮:০৭
- এতোদিন পরে উনি কোথা থেকে উদয় হল
- Jewel Tazim২০১৩.০৫.১৩ ১৮:১৭
- “আমরা যে পোষাক পাঁচ ডলার দাম ধরে সুন্দর মোড়কে পুরে চমৎকার কার্টন ভরে নিউইয়র্ক বন্দরে পৌঁছে দিই সেই পোষাকের পেছনে তুলা উৎপাদনকারী কৃষক থেকে শুরু করে, তুলা প্রক্রিয়াজাত করা, পরিবহন করা, সুতা বানানো, কাপড় কেনা, রং করা, জামা তৈরি করে সুন্দর মোড়কে কার্টন ভরে নিউইয়র্ক বন্দর পর্যন্ত নিয়ে যেতে যত শ্রম, ব্যবস্থাপনার মেধা এবং কাঁচামাল লেগেছে, বিভিন্ন স্তরে মালিককে যা লাভ করতে হয়েছে, তার সবকিছু এই পাঁচ ডলারের মধ্যে নিহিত আছে।
আমেরিকার কোনো বিপণীকেন্দ্র থেকে যখন একজন আমেরিকান ক্রেতা এটা ৩৫ ডলার মূল্যে এটা কিনে সস্তায় কেনার আনন্দ উপভোগ করেন তখন মনে স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন জাগে, এই বণ্টন ব্যবস্থায় সামান্যতম পরিবর্তনও কি করা যায় না?”
কথাগুলু ড. মুহাম্মদ ইউনূস এর সাভার ট্র্যাজেডি, পোশাকশিল্প ও বাংলাদেশ শীর্ষক লেখা হতে নেওয়া ! লেখাটা যদি প্রথম আলোর মত পত্রিকাতে প্রকাশ হত তাহলে আমরা সবাই হয়ত উপকৃত হতাম | আমরা আজ সকলেই বিবেকহীন সেটাই প্রমান করে চলেছি। সত্য কি আর মিথ্যা কি সেটার যাচায় বাছায় ছাড়াই একে অপরের বিরুদ্ধে লেগেছি। উনি কিছু বললেও দোষ আবার না বললেও দোষ ...... - Dr. Moazzem Hossain Nilu২০১৩.০৫.১৩ ১৮:৪০
- আমাদের শ্রমিকরা দাস নয়, লঘু প্রকৃতির দাস। এই লঘু প্রকৃতির দাসত্ব থেকে আমাদের শ্রমিকদের মুক্তি দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন। তার সরব ও বলিষ্ঠ ভূমিকা কামনা করি।
- Faisal khan২০১৩.০৫.১৩ ১৮:৪১
- Well said, but more active action from you will be appreciated, we don't want you in any political platform, rise above it and work with concerned people, all the medals and awards will one day be dusty but the application of what you preach can bring change, but no conspiracy again with U.S. for a third force, accept failure with respect, rise above your Hillary Ego Complex & work in harmony with govt. economists to change our fate.
- Nyo২০১৩.০৫.১৩ ১৮:৫৭
- Dear Mr. Rezaul
your language is not sweet. first learn how to respect honorable person. whatever he does...we have to remember he is only one person with noble prize in BD. - ২০১৩.০৫.১৩ ১৮:৫৭
- @Md. Rezaul karim; ড. মুহাম্মদ ইউনূস এর বক্তব্যে আর কারো সমস্যা না হলেও আপনার যে কি সমস্যা হলো ঠিক বুঝলাম না ।
- Sohel Rana২০১৩.০৫.১৩ ১৯:০৩
- ডক্টর ইউনুস স্যার- কে তার মূল্যবান বক্তব্য'র জন্য ধন্যবাদ। স্যার- কে অনুরোধ করবো, বাংলাদেশের চলমান সমস্যাসমূহ নিয়ে আরো কথা বলার জন্য। আমরা গবি'ত আপনার মতো মানুষ পেয়ে। প্লিজ স্যার, আমাদের প্রতি একটু মনোযোগ দিন। আপনি নিশ্চয়ই অবগত, আমরা খুব একটা ভাল সময়ে নেই!
- সাইমন২০১৩.০৫.১৩ ১৯:০৮
- No. He went there on the third-day. Even before PM or Opposition leader. He went silently. Yunus center has already donated over tk. 2 Cr
- M S Rahman২০১৩.০৫.১৩ ১৯:১৮
- "এ ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে, সে লক্ষ্যে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে" এ ঘটনাতো আর ঘটেনি কখনো। কাজেই পিছনের ইংগিত দেয়ার চেয়ে ভবিষ্যতের দিকেই অঙ্গুলী নির্দেশন থাকা উচিত। এ ঘটনার কারনে অনেক গার্মেন্টস বন্ধ করে দিয়েছে সরকার, এটা একটা সতর্কমূলক বানী। আশা করবো সরকারী সংস্থা এই বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করবে।
- saimon haq২০১৩.০৫.১৩ ১৯:২৬
- Salute to Dr. Yunus for his thoughtful suggestions that he proposed few days back.....he doesn't have to visit savar.....not everyone needs to visit savar to help or support these victims......we have to change our mindset and avoid useless criticism......we never visited savar...so what! we have supported the victims in diff ways......
- জাহিদ হাসান২০১৩.০৫.১৩ ১৯:৩০
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস আপনাকে নিয়ে আমি গর্ববোধ করি। তাদের প্রতি করুনা হয় আপনার মূল্যায়ন সম্পর্কে যাদের বিন্দুমাত্র ধারনা নেই, সেই সব নির্বোধদের প্রতি। ভবন ধ্বসের পর যেসব হোমরা-চোমরা সেখানে যেয়ে টিভি ক্যামেরায় অতি-সমব্যাথি চেহারা প্রকাশ করে, পরে তাদের কার্যালয়ে এসে শুধু কিছু ত্রান-দক্ষিণার ব্যবস্থা করে তাদের মূল করনীয় ভুলে যায় বা সে করনীয় সম্পর্কে কোন ধারনাই তাদের থাকেনা, তাদেরকে ধিক্কার জানাই। আপনি সঠিক কথাটি বলেছেন, "এতটুকু শক্তি কি আমাদের নেই যে এমন ঘটনা আর ঘটতে দেব না? আমরা কি মেনে নেব একটির পর একটি এমন ঘটনা ঘটতে থাকবে?" আমি সেই দিনটি দেখতে চাই, আপনাকে যেদিন রাষ্ট্র সঠিক মূল্যায়ন করবে, আপনার পরামর্শ তারা গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করবে।
- Prof. Bijon B. Sarma২০১৩.০৫.১৩ ১৯:৩৩
- বাংলাদেশের দূর্ভাগ্যজনক ঘটনা থেকেও যে কেউ কেউ ফায়দা লোটার চিন্তা করে তার প্রমান পাওয়া গেল । তবে যতদিন আত্মীয়রা সেখানে ক্ষমতার কাছে আছে তার মধ্যে কিছু করা না গেলে আর আশা নাই ।
- Prodip২০১৩.০৫.১৩ ১৯:৪১
- হেফাজতের ১৩ দফা নিয়ে অাপনার কিছু বলাটা একান্ত সংগতিপূর্ন ।
- A. S. M. SAJEDUR RAHMAN২০১৩.০৫.১৩ ২০:১০
- মুহাম্মদ ইউনূস একটি জাগরনের প্রতিষ্ঠাতা (গ্রামীণ ব্যাংক), যা তাঁকে এমন এক অবস্থানে নিয়ে গেছে যা আর কোন বাঙ্গালীকে সেই অবস্থানে নিয়ে যায়নি। সম্ভবত তিনিই একমাত্র বাংলাদেশি যিনি সারা পৃথিবীর সকল রাষ্ট্রের কাছে গ্রহনযোগ্য ব্যক্তি। সাভার ট্র্যাজেডি, পোশাকশিল্প ও বাংলাদেশ শিরোনামে ০৯-০৫-২০১৩ তারিখ লেখাতে উনি লিখেছেন সাভার ট্র্যাজেডি জাতি হিসেবে আমাদের ব্যর্থতার প্রতীক। আমাদের করণীয় কী সে সম্পর্কেও উনি কিছু দিক নির্দেশনা দিয়েছেন এবং বলেছেন গড় ৩৫ ডলারের পোশাকের জায়গায় অতিরিক্ত ৫০ সেন্ট দিয়ে যদি আমি উন্নত বিশ্বের কনজ্যুমারদের কাছে পরিচিত ও আস্থাভাজন একটি প্রতিষ্ঠানের পরিচালনায় বাংলাদেশে একটি ‘গ্রামীণ বা ব্র্যাক পোশাকশিল্প শ্রমিক কল্যাণ ট্রাস্ট’ গঠন করতে পারি, তাহলে শ্রমিকের অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। তার শারীরিক নিরাপত্তা, সামাজিক নিরাপত্তা, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা, অবসরকালীন নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য, বাসস্থান, সন্তানের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, স্বাস্থ্যকর কর্মপরিবেশ, সন্তানের দেখাশোনা, উপার্জন, ভ্রমণ—সবকিছু এর মাধ্যমে করা সম্ভব।
আমি বিশ্বাস করি বর্তমান সরকারের কিছু অতি সুভাকাক্ষী লোক ছাড়া সমগ্র পৃথিবীই জানে ইউনূস স্যার চাইলে এই বাংলার জন্য মার্কিন জিএসপি, বিশ্ব ব্যাংকের লোন, কিংবা বাংলার পোশাকশিল্প (২০ বিলিয়ন -২য়) থেকে ৩০০ বিলিয়নের ১ম অবস্থানে যাওয়া কোনটাই অসম্ভব নয়, শুধু আমাদের পরিশ্রম ও সততাটা ঠিক রাখতে হবে। - Alamgir Hossain Kazol২০১৩.০৫.১৩ ২০:৫০
- আমরা কি ভালো আছি ?
- মোহাম্মদ জমির হায়দার বাবলা২০১৩.০৫.১৩ ২০:৫৪
- সাভার ট্রাজিডির পর সব বক্তব্যগুলো ছিলো এক তরফা। কিন্তু ড. ইউনুস যথাযত বললেন-পোশাকশিল্প, পোশাক কারখানার শ্রমিক ও বাংলাদেশকে তিনটিকে বাঁচাতে হবে। আসলেই একটি না বাঁচলে অন্যাটি বাঁচবে না কারণ বাংলাদেশের বৈদেশিক আয়ের সিংহভাগ আসে পোষাক শিল্প থেকে । তাই পোষাকশিল্প-পোষাকশ্রমিক-দেশ আলাদা নয়।
- ২০১৩.০৫.১৩ ২২:৩৬
- Mr. Rezaul Karim হচ্ছেন হুজুগে বাঙালীদের মধ্যে একজন। নিজস্ব বিচার বুদ্ধি যাদের নেই।
- Get link
- X
- Other Apps
Comments