মানুষের সেবা করতে চায় ওরা
- Get link
- X
- Other Apps
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঝিনাইদহ ও ফরিদপুর অফিস | তারিখ: ৩১-০৫-২০১৩
জালাল উদ্দিন ও শাবানা আক্তার
ছোটবেলা থেকেই লেখাপড়ার প্রতি প্রচণ্ড আগ্রহ ছিল জালাল উদ্দিনের। বাবা আবুল কাশেম রাজমিস্ত্রি। তাঁর আয়ে সংসার চলত না। তাই বাবার সঙ্গে প্রায়ই রাজমিস্ত্রির সহযোগী হিসেবে কাজ করেছে সে। এর মধ্যে পড়াশোনা চালিয়ে গেছে। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার রামনগর কে বি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে জালাল। তার বাড়ি কালীগঞ্জ উপজেলার সিংদহ গ্রামে। জালাল জানায়, চিকিৎসক হয়ে সে মানুষের সেবা করতে চায়। উচ্চমাধ্যমিকে ভর্তি হওয়ার টাকা সংগ্রহের জন্য পরীক্ষার পরই সে একটি মুরগির খামারে কাজ নিয়েছে।
ফরিদপুরের চরমাধবদিয়া ইউনাইটেড উচ্চবিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী শাবানা আক্তার এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে। কিন্তু তার অভাবী বাবা ফরিদপুর সদর উপজেলার চৌধুরীডাঙ্গি গ্রামের সামাদ ব্যাপারীর সংসারে অভাব থাকায় গৃহশিক্ষকতা করে লেখাপড়া করতে হয়েছে তাকে। টাকা না থাকায় তার বাবা তাকে উচ্চমাধ্যমিকে ভর্তি করাতে চাচ্ছেন না।
শাবানা বলে, ‘আমি চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে পড়াশোনা করেছি। এখন বাবা আমাকে পড়াতে চান না। এত কষ্ট করে পড়াশোনা করলাম। ভালো ফল করেছি। এখন এ ফল কোনো কাজে আসবে না।’ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অতুল প্রসাদ সরকার বলেন, শাবানা অত্যন্ত মেধাবী। সহায়তা পেলে সে তার স্বপ্ন পূরণ করতে পারবে।
ফরিদপুরের চরমাধবদিয়া ইউনাইটেড উচ্চবিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী শাবানা আক্তার এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে। কিন্তু তার অভাবী বাবা ফরিদপুর সদর উপজেলার চৌধুরীডাঙ্গি গ্রামের সামাদ ব্যাপারীর সংসারে অভাব থাকায় গৃহশিক্ষকতা করে লেখাপড়া করতে হয়েছে তাকে। টাকা না থাকায় তার বাবা তাকে উচ্চমাধ্যমিকে ভর্তি করাতে চাচ্ছেন না।
শাবানা বলে, ‘আমি চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে পড়াশোনা করেছি। এখন বাবা আমাকে পড়াতে চান না। এত কষ্ট করে পড়াশোনা করলাম। ভালো ফল করেছি। এখন এ ফল কোনো কাজে আসবে না।’ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অতুল প্রসাদ সরকার বলেন, শাবানা অত্যন্ত মেধাবী। সহায়তা পেলে সে তার স্বপ্ন পূরণ করতে পারবে।
- Get link
- X
- Other Apps
Comments