মোগলের রসুইঘরে


হাসান ইমাম | আপডেট: ০০:০১, জুন ০৩, ২০১৪ প্রিন্ট সংস্করণ
অন্দের মোগল আভিজাত্যের ছোঁয়া। ছবি: নকশামোগল নকশার প্রবেশদ্বার দিয়ে ভেতরে ঢুকতেই চওড়া ফাঁকা জায়গা। অভিজাত দরজা দিয়ে রেস্তোরাঁর ভেতরে প্রবেশের আগেই চোখে পড়বে নাম ‘দ্য মোগল কিচেন’।
নামের মতোই এখানকার অন্দরসজ্জা ও খাবারে মোগল আধিপত্য। স্নিগ্ধ আলোর সঙ্গে কানে আসবে সেতার বা তানপুরার সুর। কাঠের চেয়ার টেনে বসতে পারেন আরাম করে। ঢাকার গুলশান-১-এর ডিসিসি মার্কেটের পশ্চিম পাশে ৯ নম্বর সড়কের ৪ নম্বর বাড়িতেই গড়ে উঠেছে মোগল কিচেন। 
সন্ধ্যায় এখানে উপভোগ করতে পারেন নানা ধরনের মজাদার কাবাব ও ফলের রস। বাড়িটির দোতলাজুড়ে আছে পার্টি সেন্টার। নানা ধরনের মোগল খাবার ছাড়াও বাংলা, থাই, চীনা খাবারও খেতে পারবেন। বিশাল পিতলের থালা ভরে বিভিন্ন পদ দিয়ে সাজানো আছে ‘মোগল বাহারি থালি’। যার মধ্যে আছে কাশ্মীরি পোলাও, তন্দুরি চিকেন, জাম্বো প্রন তন্দুরি, গরু ও খাসির কাবাব, সবজি মালাই শোরবাসহ মোট ১০ পদের খাবার। এ ছাড়া হায়দরাবাদি দম বিরিয়ানি, কড়াই চিকেন, চিকেন রেশমি বাটার মাসালা, মাটন রোগান জোশ, কড়াই ফিশ, তাওয়া ফিশ, গরু ও মুরগির কারি, রুপচাঁদা ইত্যাদি খাবারের স্বাদ নিতে পারবেন। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা অংশীদার জাহেদ চৌধুরী বলেন, গ্রাহক খাবারের ফরমায়েশ দেওয়ার পরই সেটা তৈরি করা হয়। আর খাবার তৈরির এই সময়টা আড্ডা দিয়ে কাটানো ছাড়াও রেস্তোরাঁজুড়ে থাকা ওয়াই–ফাই নেটওয়ার্ক কাজে লাগাতে পারেন।’ 
প্রতিদিন দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত খাবারের স্বাদ নিতে পারবেন মোগল কিচেনে। আবহাওয়ার ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন সময় ছাদে বারবিকিউ ও বুফে কাবাব তৈরি হয়। সাড়ে ৩০০ টাকায় সেট মেনুও পাবেন।

Comments

Popular posts from this blog

কিডনি ভালো রাখতে যখন তখন ওষুধ নয়