‘বন্দুকের মুখেই থাকতি হতো’
- Get link
- X
- Other Apps
নিজস্ব প্রতিবেদক | আপডেট: ২০:৫১, জুন ১৩, ২০১৪
‘প্রায় সব সময় বন্দুকের মুখেই থাকতি হতো। জানি পালাতে গেলি মারা যাতি হবি। অন্য গ্রুপ দেখলিও মারি ফেলি দিবি।’ সোমালিয়ার জলদস্যুদের কবলে থাকার সময়ের এই বর্ণনা দিলেন নাবিক আবুল কাশেম।
দীর্ঘ প্রায় সাড়ে তিন বছর পর মুক্তি পাওয়া এই নাবিকসহ সাত বাংলাদেশি আজ শুক্রবার বিকেলে মুখোমুখি হন গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের। তাঁদের বর্ণনায় জানা গেল কীভাবে তাঁরা দস্যুদের কবলে পড়লেন, কেমন ছিলেন, কীভাবে মুক্ত হলেন।
২০১০ সালের ২৬ নভেম্বর সোমালিয়ান জলদস্যুদের হাতে আটক হয় মালয়েশিয়ার মালিকানাধীন পণ্যবাহী জাহাজ এমভি আলবেদো। সেই জাহাজে থাকা সাত বাংলাদেশি নাবিক আমিনুল ইসলাম, গোলাম মোস্তফা, লিমন সরকার, নুরুল হক, জাকির হোসেন, হাবিবুর রহমান ও আবুল কাশেম গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকায় পৌঁছান৷
আজ বিকেলে রাজধানীর উত্তরায় একটি হোটেলে উপস্থিত হন সংবাদ সম্মেলনে। সঙ্গে ছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (সমুদ্রবিষয়ক) রিয়ার অ্যাডমিরাল (অব.) খুরশেদ আলম, বেসরকারি সংস্থা ম্যারিটাইম পাইরেসি হিউম্যানিটিরিয়ান রেসপন্সের (এমপিএইচআর) দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক চিরাগ বাহরি প্রমুখ।
আমিনুল, লিমন সরকার, জাকির হোসেন, আবুল কাশেম বর্ণনা করেন তাঁদের দুঃসহ স্মৃতি। কুমিল্লার আমিনুল বলছিলেন, ওই অবস্থায় যে ছিল সে-ই শুধু বুঝবে, আর কেউ কোনো বর্ণনাতেই ওই কষ্ট বুঝতে পারবে না।
এই নাবিকেরা জানান, ২০১০ সালের ২৬ নভেম্বর সকালে অতর্কিতে একে-৪৭ রাইফেল হাতে চার জলদস্যু উঠে পড়ে তাঁদের জাহাজে। তারপর দীর্ঘ সাড়ে তিন বছর তাঁরা দস্যুদের কবলে ছিলেন। মুক্তিপণের জন্য চলেছে নানা অত্যাচার, নির্যাতন। ২০১৩ সালের জুলাইতে জাহাজটি ডুবে গেলে পাঁচ কর্মী মারা যান৷ জাহাজের মালিক প্রথম দিকে সমঝোতার জন্য দস্যুদের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও একপর্যায়ে তা বন্ধ করে দেন। মুক্তিপণ না পাওয়ায় মরিয়া হয়ে ওঠে জলদস্যুরা। বন্দীদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে টাকা জোগাড় করতে বলার জন্য চাপ দিতে থাকে। একপর্যায়ে গত বছরের জুনে ভারতীয় এক নাবিককে গুলি করে হত্যাও করা হয়। অবশেষে সরকারের উদ্যোগে জাতিসংঘ এবং এমপিএইচআরের সহায়তায় তাঁরা মুক্তি পান। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এমপিএইচআরপি এবং জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক দপ্তরের (ইউএনওডিসি) মাধ্যমে গত ৭ জুন বাংলাদেশের সাত নাবিককে জলদস্যুদের কবল থেকে মুক্ত করে সোমালিয়া থেকে কেনিয়ায় নেওয়া হয়।
এ সময় খুরশেদ আলম সাংবাদিকদের বলেন, জাহাজ জলদস্যুদের কবলে পড়লে সাধারণত জাহাজের মালিকই দস্যুদের সঙ্গে সমঝোতা করে। এটাই পদ্ধতি। এই ক্ষেত্রেও সেটি প্রথমে হয়েছিল। জাহাজের মালিক প্রথম দুই বছরের মতো সময় মোটামুটি সমঝোতার কথাবার্তা বলছিলেন। কিন্তু একপর্যায়ে তাঁরা আর দায়িত্ব নিলেন না। তখন সরকার আটক বাংলাদেশিদের উদ্ধারে উদ্যোগী হয়।
২০১০ সালের ২৬ নভেম্বর সোমালিয়ান জলদস্যুদের হাতে আটক হয় মালয়েশিয়ার মালিকানাধীন পণ্যবাহী জাহাজ এমভি আলবেদো। সেই জাহাজে থাকা সাত বাংলাদেশি নাবিক আমিনুল ইসলাম, গোলাম মোস্তফা, লিমন সরকার, নুরুল হক, জাকির হোসেন, হাবিবুর রহমান ও আবুল কাশেম গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকায় পৌঁছান৷
আজ বিকেলে রাজধানীর উত্তরায় একটি হোটেলে উপস্থিত হন সংবাদ সম্মেলনে। সঙ্গে ছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (সমুদ্রবিষয়ক) রিয়ার অ্যাডমিরাল (অব.) খুরশেদ আলম, বেসরকারি সংস্থা ম্যারিটাইম পাইরেসি হিউম্যানিটিরিয়ান রেসপন্সের (এমপিএইচআর) দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক চিরাগ বাহরি প্রমুখ।
আমিনুল, লিমন সরকার, জাকির হোসেন, আবুল কাশেম বর্ণনা করেন তাঁদের দুঃসহ স্মৃতি। কুমিল্লার আমিনুল বলছিলেন, ওই অবস্থায় যে ছিল সে-ই শুধু বুঝবে, আর কেউ কোনো বর্ণনাতেই ওই কষ্ট বুঝতে পারবে না।
এই নাবিকেরা জানান, ২০১০ সালের ২৬ নভেম্বর সকালে অতর্কিতে একে-৪৭ রাইফেল হাতে চার জলদস্যু উঠে পড়ে তাঁদের জাহাজে। তারপর দীর্ঘ সাড়ে তিন বছর তাঁরা দস্যুদের কবলে ছিলেন। মুক্তিপণের জন্য চলেছে নানা অত্যাচার, নির্যাতন। ২০১৩ সালের জুলাইতে জাহাজটি ডুবে গেলে পাঁচ কর্মী মারা যান৷ জাহাজের মালিক প্রথম দিকে সমঝোতার জন্য দস্যুদের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও একপর্যায়ে তা বন্ধ করে দেন। মুক্তিপণ না পাওয়ায় মরিয়া হয়ে ওঠে জলদস্যুরা। বন্দীদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে টাকা জোগাড় করতে বলার জন্য চাপ দিতে থাকে। একপর্যায়ে গত বছরের জুনে ভারতীয় এক নাবিককে গুলি করে হত্যাও করা হয়। অবশেষে সরকারের উদ্যোগে জাতিসংঘ এবং এমপিএইচআরের সহায়তায় তাঁরা মুক্তি পান। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এমপিএইচআরপি এবং জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক দপ্তরের (ইউএনওডিসি) মাধ্যমে গত ৭ জুন বাংলাদেশের সাত নাবিককে জলদস্যুদের কবল থেকে মুক্ত করে সোমালিয়া থেকে কেনিয়ায় নেওয়া হয়।
এ সময় খুরশেদ আলম সাংবাদিকদের বলেন, জাহাজ জলদস্যুদের কবলে পড়লে সাধারণত জাহাজের মালিকই দস্যুদের সঙ্গে সমঝোতা করে। এটাই পদ্ধতি। এই ক্ষেত্রেও সেটি প্রথমে হয়েছিল। জাহাজের মালিক প্রথম দুই বছরের মতো সময় মোটামুটি সমঝোতার কথাবার্তা বলছিলেন। কিন্তু একপর্যায়ে তাঁরা আর দায়িত্ব নিলেন না। তখন সরকার আটক বাংলাদেশিদের উদ্ধারে উদ্যোগী হয়।
- Get link
- X
- Other Apps
Comments