একসঙ্গে বার্গার-বিরিয়ানি


অধুনা প্রতিবেদক | আপডেট: ০০:০৪, জুন ০৪, ২০১৪ প্রিন্ট সংস্করণ
আগত দর্শকের এভাবে মজা করে খাবার খানবিরিয়ানি, তেহারি রান্না হবে, আর আশপাশের কেউ জানবে না, তা কী হয়! ভোজনরসিকেরা ছুটে এসেছিলেন বিরিয়ানির ম-ম গন্ধ পেয়ে। এসে তাঁরা পড়েন মধুর বিপাকে। কোন বিরিয়ানি ছেড়ে কোনটা খাবেন। আবার বিরিয়ানি থেকে মুখ ফেরাতেই চোখ গেল বার্গারের দিকে। বিরিয়ানি খেয়ে একটু জিরিয়ে বার্গার খাওয়া। এমন মজার পরিবেশ ছিল গত ৩০ মে ঢাকার গুলশানের ইমানুয়েলস বাংকু্যয়েট হলে। ঢাকা ফুডিজের আয়োজনে হলো বার্গার ও বিরিয়ানি ফেস্ট ২০১৪।
ঢাকা ফুডিজ নগরের বাছাই করা ১৬টি বিরিয়ানি ও বার্গারের দোকানকে আমন্ত্রণ জানায় এই উৎসবের জন্য। তারাও চলে আসে নিজেদের খাবার ক্রেতাদের কাছে তুলে ধরতে। স্বাদ তেহারি, হাজির বিরিয়ানি, হানিফ বিরিয়ানি, ঢাকাইয়া, নান্না মিয়ার শাহি মোরগ পোলাও থেকে বিউটির লাচ্ছি বা লেবুর শরবতে ছিল পরিপূর্ণ আয়োজন। বার্গারের দোকানের মধ্যে ছিল ক্যাফে হলিউড, বি অ্যান্ড বি, ওয়াও ইত্যাদি।
টিকিট কেটে লাইন দিয়ে প্রবেশ করতে হয়েছে ভেন্যুতে। এক দিনের এই উৎসব সেদিন দুপুর ১২টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা ছিল। গ্রামীণফোনের বন্ধু প্যাকেজের গ্রাহকদের জন্য প্রবেশ ফ্রি ছাড়াও খাবারের ওপর ছিল বিশেষ ছাড়। এ ছাড়া উৎসবের একপাশে তারা গ্রাহকদের জন্য আয়োজন করে নানা ধরনের খেলার।
বিখ্যাত খাবারের দোকানগুলো একসঙ্গে থাকায় অনেকেই একাধিকবার খাবার খান। ধানমন্ডি থেকে উৎসবে আসা ফারহান খান বলেন, ‘এটা ভালো উদ্যোগ। খাওয়ার ইচ্ছে থাকলেও সময়ের কারণে অনেক সময় এসব দোকানে যাওয়া হতো না।’
বার্গারের দোকানগুলোতে অর্ডারের পর ঝটপট তৈরি করে দেয় মজাদার বার্গার ও স্যান্ডউইচ। গরু বা মুরগির মাংস, মাশরুম, সবজি, ডিম ইত্যাদি দিয়ে ক্রেতার সামনেই তৈরি করে দেওয়া হয় সেগুলো। ক্যাফে হলিউডের বিক্রয়কর্মী মো. শামীম বলেন, ‘সারা দিন অনেক ভালো বেচাকেনা হয়েছে। সামনের বানানো হচ্ছে বলে ক্রেতারাও উৎসাহ নিয়ে খাচ্ছেন। কেউ আবার নিজেই মাংস বা খাবারের মসলা বেছে দিচ্ছেন।’
উৎসবের আয়োজক ঢাকা ফুডিজের প্রতিষ্ঠাতা আশিকুর রহমান বলেন, ‘এত মানুষের সাড়া পাব এটা ভাবিনি। এই উপস্থিতিই বলে দিচ্ছে বাঙালি এখনো খেতে ভালোবাসে।’

Comments

Popular posts from this blog

কিডনি ভালো রাখতে যখন তখন ওষুধ নয়