বগুড়ার কয়েকটি কেন্দ্রে গোলযোগ, ভোট বন্ধ
- Get link
- X
- Other Apps
বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থী আহসানুল তৈয়ব জাকির অভিযোগ করেছেন, তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জিয়াউল করিমের সমর্থকেরা সব ভোটকেন্দ্রেই হামলা চালিয়ে ব্যালট পেপার ছিনতাই করেছে।
হুয়াকুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উপস্থিত বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সৈয়দ আবু সায়েম প্রথম আলোকে জানান, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এই কেন্দ্রে ব্যালট পেপার ছিনতাই করে নিয়ে যায় দুষ্কৃতকারীরা। এক ঘণ্টা পর নতুন ব্যালট পেপার সরবরাহ করা হয়। তবে আতঙ্কে ভোটাররা কেউ ভোটকেন্দ্রে যাচ্ছেন না। আশপাশের আরও তিনটি কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানান তিনি।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বেলা সোয়া ১১টার দিকে কর্পূর বাইল্যাটেরাল হাইস্কুল কেন্দ্রে একদল লোক প্রবেশ করে সব ব্যালট বাক্স ভেঙে ফেলেছে। তারা ভোটের সরঞ্জামাদি মাঠে নিয়ে ফেলে দেয়। যেসব ব্যালট পেপারে ভোট দেওয়া হয়েছে, সেগুলো ছিঁড়ে ফেলেছে তারা। পরে ককটেল ফাটিয়ে কেন্দ্রে আতঙ্কের সৃষ্টি করা হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কর্পূর বাইল্যাটেরাল হাইস্কুল কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা আবদুস সবুর জানান, দুজন দুর্বৃত্ত তাঁর গলায় রামদা ধরে শাসায়। ভাঙচুরের সময় তাঁকে না নড়ার নির্দেশ দেয় তারা। এই কেন্দ্রে বেলা একটার পর থেকে ভোট গ্রহণ বন্ধ রয়েছে।
আটকরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সকালে একদল দুর্বৃত্ত গোলযোগের চেষ্টা করলে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছুড়ে তাঁদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। দুপুর দেড়টার দিকে আবারও তাঁরা ওই কেন্দ্রে গিয়ে ব্যালট বাক্স ছিনতাই করে। এ সময় দুটি বাক্সের ব্যালট পেপার পুকুরে ফেলে দেয় ওই লোকেরা। আরেকটি বাক্সের ব্যালট পেপার কেন্দ্রের মাঠে ছিটিয়ে দেয়। পরে সেনাবাহিনীর সদস্যরা একজনকে আটক করে।
মহীচরণ উচ্চবিদ্যালয়ের কেন্দ্রে সোয়া ১১টার দিকে ছাত্রলীগ-যুবলীগের কর্মীরা জাল ভোট দেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় মিলন নামের যুবলীগের এক নেতাকে আটক করে পুলিশ।
এ ছাড়া নূরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হামলা চালিয়ে ব্যালট বাক্স ছিনতাইয়ের চেষ্টা করা হয়।
- Get link
- X
- Other Apps
Comments