সম্পদের তথ্য প্রকাশিত হোক চায় না আ.লীগ
- Get link
- X
- Other Apps
হারুন আল রশীদ | আপডেট: ০৩:১৮, ডিসেম্বর ২৩, ২০১৩ | প্রিন্ট সংস্করণ
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন-পত্রের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া প্রার্থীদের ব্যক্তিগত তথ্য, বিশেষ করে সম্পদের তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশিত হোক, তা চায় না ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। নির্বাচন কমিশন এখন প্রার্থীদের যে হলফনামা প্রকাশ করছে, তাকে অযৌক্তিক বলে মনে করছে তারা।
গতকাল রোববার বিকেলে আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধি-দল প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিব উদ্দীন আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। সেখানে তাঁরা এ আপত্তির কথা জানান বলে সূত্র জানায়।
তবে প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব-দানকারী আওয়ামী লীগের নির্বাচন কমিশন সমন্বয় উপকমিটির আহ্বায়ক ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর প্রথম আলোকে বলেছেন, হলফনামাসহ দলীয় আরও অনেক কিছু নিয়েই আলোচনা হয়েছে। সেটা একান্তই দলের নিজস্ব ব্যাপার।
আওয়ামী লীগের দলীয় ও নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, সিইসি এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের নেতাদের কাছে আদালতের নির্দেশনার বিষয়টি তুলে ধরেন। বিষয়টি নিয়ে তিনি কমিশনে আলোচনা করবেন বলে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিদের বলেন।
হাইকোর্ট ২০০৬ সালে সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের আট ধরনের ব্যক্তিগত তথ্য হলফনামা আকারে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। কিন্তু তখনকার ক্ষমতাসীন বিএনপির কয়েকজন আইনজীবী আবেদন করলে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেন। আওয়ামী লীগের আন্দোলনের মুখে বিএনপির ২০০৭ সালের ২২ জানুয়ারি ঘোষিত নির্বাচন বাতিল হয়। এক-এগারোর পটপরিবর্তনের পর ২০০৮ সালে চূড়ান্ত রায়ে আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় বহাল রাখেন। এতে প্রার্থীদের ব্যক্তিগত তথ্য হলফমানা আকারে দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয় এবং তা উন্মুক্ত রাখার কথা বলা হয়।
এরপর গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ সংশোধন করে বলা হয়, কোনো প্রার্থী হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দিলে তাঁর প্রার্থিতা বাতিল হবে। আট ধরনের তথ্যের মধ্যে রয়েছে—প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা, ফৌজদারি মামলা, পেশার বিবরণী, প্রার্থী ও তাঁর ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের আয়ের উৎস, স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, দায়, ভোটারদের দেওয়া প্রতিশ্রুতির বিবরণ ও ঋণসংক্রান্ত তথ্য।
আওয়ামী লীগের দলীয় সূত্র জানায়, ক্ষমতার পাঁচ বছরের মন্ত্রী ও সাংসদদের অনেকের অস্বাভাবিক সম্পদের মালিক হওয়ার বিষয়টি হলফনামা আকারে প্রকাশিত হয়ে পড়ায় দলের শীর্ষ নেতৃত্ব ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছেন। যে কারণে তাঁরা প্রার্থীদের হলফনামার তথ্য প্রকাশ নিয়ে অস্বস্তিতে আছেন।
১৩ ডিসেম্বর দশম সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় পার হওয়ার পর নির্বাচন কমিশন প্রার্থীদের হলফনামা তার নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে। এতে দেখা যায়, মন্ত্রী ও সাংসদদের অনেকের পাঁচ বছর আগের তুলনায় অস্বাভাবিক হারে সম্পদ বেড়েছে। কয়েক দিন ধরে গণমাধ্যমে এসব তথ্য প্রকাশিত হচ্ছে।
তবে হলফনামার তথ্য প্রকাশের ব্যাপারে আওয়ামী লীগ আপত্তি জানিয়েছে কি না—জানতে চাইলে গতকাল সন্ধ্যায় সিইসি কাজী রকিব উদ্দীন আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘কেন, আপত্তি কিসের! এমন কথা তো আমাদের বলেননি।’
গতকাল রোববার বিকেলে আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধি-দল প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিব উদ্দীন আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। সেখানে তাঁরা এ আপত্তির কথা জানান বলে সূত্র জানায়।
তবে প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব-দানকারী আওয়ামী লীগের নির্বাচন কমিশন সমন্বয় উপকমিটির আহ্বায়ক ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর প্রথম আলোকে বলেছেন, হলফনামাসহ দলীয় আরও অনেক কিছু নিয়েই আলোচনা হয়েছে। সেটা একান্তই দলের নিজস্ব ব্যাপার।
আওয়ামী লীগের দলীয় ও নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, সিইসি এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের নেতাদের কাছে আদালতের নির্দেশনার বিষয়টি তুলে ধরেন। বিষয়টি নিয়ে তিনি কমিশনে আলোচনা করবেন বলে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিদের বলেন।
হাইকোর্ট ২০০৬ সালে সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের আট ধরনের ব্যক্তিগত তথ্য হলফনামা আকারে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। কিন্তু তখনকার ক্ষমতাসীন বিএনপির কয়েকজন আইনজীবী আবেদন করলে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেন। আওয়ামী লীগের আন্দোলনের মুখে বিএনপির ২০০৭ সালের ২২ জানুয়ারি ঘোষিত নির্বাচন বাতিল হয়। এক-এগারোর পটপরিবর্তনের পর ২০০৮ সালে চূড়ান্ত রায়ে আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় বহাল রাখেন। এতে প্রার্থীদের ব্যক্তিগত তথ্য হলফমানা আকারে দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয় এবং তা উন্মুক্ত রাখার কথা বলা হয়।
এরপর গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ সংশোধন করে বলা হয়, কোনো প্রার্থী হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দিলে তাঁর প্রার্থিতা বাতিল হবে। আট ধরনের তথ্যের মধ্যে রয়েছে—প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা, ফৌজদারি মামলা, পেশার বিবরণী, প্রার্থী ও তাঁর ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের আয়ের উৎস, স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, দায়, ভোটারদের দেওয়া প্রতিশ্রুতির বিবরণ ও ঋণসংক্রান্ত তথ্য।
আওয়ামী লীগের দলীয় সূত্র জানায়, ক্ষমতার পাঁচ বছরের মন্ত্রী ও সাংসদদের অনেকের অস্বাভাবিক সম্পদের মালিক হওয়ার বিষয়টি হলফনামা আকারে প্রকাশিত হয়ে পড়ায় দলের শীর্ষ নেতৃত্ব ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছেন। যে কারণে তাঁরা প্রার্থীদের হলফনামার তথ্য প্রকাশ নিয়ে অস্বস্তিতে আছেন।
১৩ ডিসেম্বর দশম সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় পার হওয়ার পর নির্বাচন কমিশন প্রার্থীদের হলফনামা তার নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে। এতে দেখা যায়, মন্ত্রী ও সাংসদদের অনেকের পাঁচ বছর আগের তুলনায় অস্বাভাবিক হারে সম্পদ বেড়েছে। কয়েক দিন ধরে গণমাধ্যমে এসব তথ্য প্রকাশিত হচ্ছে।
তবে হলফনামার তথ্য প্রকাশের ব্যাপারে আওয়ামী লীগ আপত্তি জানিয়েছে কি না—জানতে চাইলে গতকাল সন্ধ্যায় সিইসি কাজী রকিব উদ্দীন আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘কেন, আপত্তি কিসের! এমন কথা তো আমাদের বলেননি।’
- Get link
- X
- Other Apps
Comments