সমুদ্রসৈকতে নামুন, সাবধানে!
- Get link
- X
- Other Apps
আপডেট: ০১:২২, এপ্রিল ২৩, ২০১৪ | প্রিন্ট সংস্করণ
তাই সমুদ্রসৈকত সম্পর্কে সচেতনতা এবং সতর্কতা জরুরি।
সৈকতে নামার আগে নিশ্চিত করে নিন—সাগরে জোয়ার, নাকি ভাটা চলছে। খেয়াল করুন, বালুচরে লাল বা সবুজ পতাকা উড়ছে কি না? লাল পতাকা উড়তে দেখলে ধরে নেবেন, এখন সাগরে নামা বিপজ্জনক, ভাটা চলছে। আবার যেখানে লাল পতাকা উড়ছে, সেখানে বিপজ্জনক খাদ বা গুপ্তখাল আছে, এটাও ধরে নিতে হবে।
আর সবুজ পতাকা উড়লে ধরে নেবেন জোয়ার চলছে। তখন সাগরে নামতে সমস্যা নেই। লাইফ জ্যাকেট বা টিউব নিয়ে হাঁটুপানি পর্যন্ত যেতে পারেন। এর বেশি নয়। আর সাঁতার না জানলে কখনোই পানিতে নামা যাবে না।
শিশুদের কোনো অবস্থাতেই সমুদ্রের পানিতে নামাবেন না। নারীদের শাড়ি পরে সমুদ্রে নামা বিপজ্জনক। সমুদ্রের পানিতে একাকী নামবেন না। নির্জন সৈকতে নামা ঝুঁকিপূর্ণ। কেউ সমুদ্রে নেমে বিপদে পড়লে আপনি উদ্ধারের চেষ্টা না করে লাইফ গার্ডের সাহায্য নিন।
সেন্ট মার্টিন দ্বীপের চতুর্দিকে পাথরের স্তূপ। জোয়ার বা ভাটার টানে যে কেউ পাথরের কুণ্ডলীতে আটকা পড়তে পারে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় সাগর প্রচণ্ড রকম উত্তাল থাকে। এ সময় সমুদ্রে নামা নিষিদ্ধ। কারণ, এ সময় কেউ হারিয়ে গেলে উদ্ধার তৎপরতাও চালানো যায় না।
গোসলে নামার আগে হোটেল রেজিস্ট্রারে সঠিক নাম-ঠিকানা ও যোগাযোগের মাধ্যম লিপিবদ্ধ করুন। কোথায় যাচ্ছেন, তা হোটেল কর্তৃপক্ষের নজরে রাখুন। সঙ্গে গাইড রাখুন। দূরে কোথাও গেলে পুলিশি নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন। নিজে নিরাপদ থাকুন, অন্যকে সতর্ক করুন।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষের মতে, কৌশল জানা থাকলে পুরো কক্সবাজার-টেকনাফের ১২০ কিলোমিটার সৈকত পর্যটকের কাছে নিরাপদ। আবার কৌশল জানা না থাকলে পুরোটাই ঝুঁকিপূর্ণ।
আব্দুল কুদ্দুস, কক্সবাজার
- Get link
- X
- Other Apps
Comments