Posts

দাঁতের ব্যথা

Image
ইশরাত জাহান মৌরি,   বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম Published:  2013-05-13 02:51:13.0  Updated:  2013-05-13 02:51:13.0 1  /  1 অনেকেই মনে করেন দাঁতে যন্ত্রণা হলে ব্যথানাশক ওষুধ খেলেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় কিছু সময়ের জন্য ব্যথাটা কমে, পরে বেড়ে যায়। অনেকে আলসেমি করে কিংবা ভয়ে দাঁতের ডাক্তারের কাছে যেতে চান না। এই অবহেলার ফল হয় ভয়াবহ। দাঁতে ব্যথা হওয়ার কারণ আর প্রতিকার নিয়ে জানাচ্ছেন কনসালটেন্ট কসমেটিক ডেন্টিস্ট ডা. মোহাম্মাদ সাইফুল আলম তালুকদার।   148   8   1         দাঁত ব্যথার আসল কারণ হল ক্যারিজ বা দন্তক্ষয়। অনেকের কাছে এই রোগটি দাঁতেরপোকা নামে পরিচিত। দাঁতের সব রোগের মধ্যে এটাই সবচেয়ে বেশি হয়। চারটা কারণে এই রোগ হতে পারে : ১. দাঁতে বা দাঁতের ফাঁকে খাবার জমতে পারে এমন জায়গা। ২. ক্যারিজ তৈরিকারী জীবাণু। ৩. রিফাইন্‌ড কার্বোহাইড্রেট বা চিনিজাতীয় খাবার ৪. বেশিদিন ধরে যদি উপরের তি...

রেশমার কাহিনী : আল্লাহর রহমত ও কুদরত

মোহাম্মদ খালেদ সাইফুল্লাহ সিদ্দিকী : সাভারে রানা প্লাজা ধসের ১৭ দিন পর রেশমাকে ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবত, অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে আনা একদিকে যেমন উদ্ধারকর্মীদের দক্ষ সফল অভিযানের অনন্য সাধারণ দৃষ্টান্ত, তেমনি এই ঘটনা আল্লাহর কুদরতি রহস্যমালার এক বিস্ময়কর উদাহরণও বটে। প্রথমেই পরম করুণাময় আল্লাহ তালার অজ¯্র শুকরিয়া-কৃতজ্ঞতার সাথে সাথে উদ্ধার অভিযান তৎপরতার সাথে নিবিড় ও সক্রিয়ভাবে সংশ্লিষ্ট উদ্ধার কর্মীদেরও এ প্রশংসনীয় তৎপরতার জন্য অভিনন্দন জানাতে হয়। ইতিহাসের এ দুর্লভ ঘটনার মাধ্যমে সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব ও অসীম ক্ষমতায় অবিশ্বাসীদের চিন্তা-চেতনায় আলোড়ন সৃষ্টি হওয়ার কথা। সঠিক পথের দিশারী হওয়ার পক্ষে এমন ঘটনা দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। বিশ্ব ইতিহাসের প্রতি তাকালে দেখা যাবে, আদিকাল থেকে যুগে যগে, দেশে দেশে ¯্রষ্টা মানুষকে নানাভাবে পরীক্ষা করে থাকেন, মানুষের অন্যায়-অত্যাচার, আল্লাহদ্রোহিতা তথা পাপাচারের শাস্তি দুনিয়াতে পাপিষ্ঠরা যেমন ভোগ করে থাকে, তেমনি তাদের সাথে সৎলোকদেরও ভোগ করতে হয়। আবার অভাবিতভাবে অনেকের প্রতি আল্লাহর করুণাও বর্ষিত হয়। পবিত্র কোরআনে বিভিন্ন জাতির জঘন্য পাপাচার...

ক্রীতদাস নয়, মানুষ হিসেবে বাঁচতে চাই: ড. ইউনূস

Image
নিজস্ব প্রতিবেদক |  তারিখ: ১৩-০৫-২০১৩ ১৮ মন্তব্য প্রিন্ট ShareThis « আগের সংবাদ পরের সংবাদ» সাভারের ভবনধসজনিত দুর্ঘটনা নিয়ে আয়োজিত জাতীয় সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: জাহিদুল করিম বক্তব্য দিচ্ছেন রেহমান সোবহান। ছবি: জাহিদুল করিম 1   2 নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ‘আমরা ক্রীতদাসের মতো বাঁচতে চাই না, মানুষ হিসেবে বাঁচতে চাই। বিশ্বের দরবারে মানুষ হিসেবে পরিচয় দিতে চাই।’  আজ সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে সাভারে ভবনধসজনিত দুর্ঘটনা নিয়ে আয়োজিত জাতীয় সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মুহাম্মদ ইউনূস এ কথা বলেন। ড. ইউনূস বলেন, ‘বাংলাদেশ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক দেশ। এটি গৌরববোধ করার মতো একটি বিষয়।’ তিনি বলেন, ‘দেশের পোশাকশিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রায় ৪০ লাখ নারী শ্রমিক আধুনিক বাংলাদেশের ভিত্তি স্থাপন করছেন। তাই তাঁদের কথা ভুলে গেলে চলবে না। ভবিষ্যত্ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আমাদের এই ভিত্তি আরও শক্ত করতে হবে। তাঁদের আধুনিক মানুষ হওয়ার সুযোগ দিতে হবে। সঠি...

সব সময় আল্লাহকে ডেকেছি: রেশমা

Image
নিজস্ব প্রতিবেদক |  তারিখ: ১৩-০৫-২০১৩ ৯ মন্তব্য প্রিন্ট ShareThis « আগের সংবাদ পরের সংবাদ» সাভার সিএমএইচে সংবাদ সম্মেলনে রেশমা। ছবি: হাসান রাজা ওই দিন ছিল বুধবার। আগের দিনই ভবনে ফাটলের খবরে কারখানায় কোনো কাজ হয়নি। বুধবার সকালে কারখানায় গেলেও ওপরে উঠতে চাননি রেশমাসহ অন্য শ্রমিকেরা। তবে মালিকপক্ষের কথায় আশ্বস্ত হয়ে তৃতীয় তলায় কর্মস্থলে গিয়ে দেখেন সহকর্মী শ্রমিকেরা বের হয়ে যাওয়ার জন্য চিত্কার-চেঁচামেচি করছে। এসব দেখে অন্য একজন নারী সহকর্মীর সঙ্গে ভবন থেকে বের হওয়ার জন্য সিঁড়ির কাছাকাছি আসতে না আসতেই ভবনটি ভেঙে পড়ে। মাথায় আঘাত পান রেশমা। এরপর জীবন্ত অবস্থায় কবরের পরিবেশে আটকা ছিলেন, আল্লাহকে ডেকেছেন সব সময়। ১৭তম দিনে গত ১০ মে তাঁকে যখন বের করা হলো, তখন রেশমা ইতিহাস। উদ্ধারের পর থেকেই রেশমার সঙ্গে কথা বলার জন্য উদগ্রিব ছিল দেশের ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম। অবশেষে আজ সোমবার বিকেলে সেই সুযোগ মেলে। দুপুরেই সাভার ক্যান্টমেন্টের মুন্সী আবদুর রউফ ফটকে জমা হয়ে যান অর্ধশতাধিক সংবাদকর্মী। ছিলেন কয়েকজন বিদেশিও। বেলা তিনটার দিকে সাংব...

ক্যানসারের চিকিৎসায় সামুদ্রিক উদ্ভিদ

ইনকিলাব ডেস্ক : পাকস্থলীর ক্যানসারের চিকিৎসায় কাজে লাগতে পারে অ্যালজি বা সামুদ্রিক উদ্ভিদ। জার্মান গবেষকদের এই উদ্যোগ সফল হলে ৫ থেকে ১০ বছরের মধ্যে অ্যালজি থেকে ওষুধ তৈরি করা সম্ভব হবে। প্যানক্রিয়াটিক বা পাকস্থলীর ক্যানসারের এখনো কোনো চিকিৎসা নেই। অ্যালজি এগেইনস্ট ক্যান্সার বা এএসি নামের এক সহযোগিতা প্রকল্পের মাধ্যমে রোগীদের জন্য আশার আলো এনে দেবার চেষ্টা চলছে। সমুদ্রে হাজার হাজার জাতের অ্যালজি আছে। সমুদ্রের নিচের জীবের মধ্যে আরও শক্তিশালী গুণাগুণ পাওয়া যায়, কারণ তাদের সরাসরি শিকারি বা ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করতে হয়। ডাঙার উপরের জীবদের সুবিধা হলো, বাতাস অনেকটা বর্মের কাজ করে। এই বায়োটেকনোলজিস্টদের সব অ্যালজি আলাদা করে ধুতে হয়। এই কাজের জন্য বেশ সময় ও পরিশ্রম চাই। বাছাই করা অ্যালজি বিভিন্ন ফিলটারের মধ্য দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রত্যেকটি উপাদানের জন্য চাই আলাদা ফিল্টার। উপাদানগুলিকে এতটা খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে আলাদা করে পরীক্ষা করে দেখা হয়, যাতে তাদের নির্দিষ্ট প্রভাব স্পষ্ট হয়ে যায়। ফলে শেষ পর্যন্ত সামান্য কিছু উপাদান চিহ্নিত করা যায়, যেগুলিকে ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা সম...

ভারতে শিশুসৈনিক ব্যবহার বাড়ছে

Image
এডিটিভি « আগের সংবাদ 43 পরের সংবাদ» ভারতে শিশুদের সৈনিক হিসেবে ব্যবহারের ধারা কার্যত বেড়েই চলেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিদ্রোহীরা ব্যাপকহারে শিশুদের ব্যবহার করছে, অন্যদিকে রাষ্ট্রও কখনও কখনও তাদের কাজে লাগাচ্ছে। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্য মনিপুর থেকে গত বছরের এপ্রিলে তিন ‘টিএনএজার’কে অপহরণ করা হয়। পরিবারের ধারণা, আত্মগোপনে থাকা কোনো চরমপন্থী গোষ্ঠী তাদের অপহরণ করেছে। তিন টিএনএজারের বাবা-মা এ বিষয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগও করেছেন। কিন্তু অপহৃতদের কোনো সন্ধান আজও পাওয়া যায়নি। কোনো রকম চিহ্ন ছাড়াই হারিয়ে গেছে এ তিনটি প্রাণ। মনিপুর রাজ্যে অল্পবয়সী ছেলেমেয়েদের এভাবে হারিয়ে যাওয়া এখন আর অস্বাভাবিক কোনো বিষয় নয়। আর এভাবে হারিয়ে যাওয়াদের মধ্যে যাদের সন্ধান পরে পাওয়া গেছে, তাদের অধিকাংশই ছিল সৈনিকের বেশে। শুধু মনিপুর নয়, উড়িষ্যাতেও শিশু সৈনিকের সন্ধান পাওয়া গেছে। গত বছর উড়িষ্যার পুলিশের কাছে অস্ত্রসমপর্ণ করে পাঁচ কিশোরী। ২০০৮ সালে মাওবাদীরা তাদের অপহরণ করেছিল। আত্মসমর্পণ করা এই পাঁচ কিশোরীর একজন শান্তি শয়। তিনি বলেন, ‘...