খালেদার গাড়িবহরে হামলা, ভাঙচুর
- Get link
- X
- Other Apps
হামলাকারীরা খালেদা জিয়ার গাড়িতে ঢিল ছোড়ে। এতে তাঁর গাড়ির ডান পাশের কাচ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এলোপাতাড়ি ভাঙচুর করা হয় তাঁর নিরাপত্তাকর্মীদের (সিএসএফ) তিন-চারটি গাড়িসহ বেশ কয়েকটি গাড়ি। এতে খালেদার একজন নিরাপত্তাকর্মীসহ কয়েকজন আহত হন। তাঁর গাড়ির সামনের অংশে রক্তের দাগও দেখা গেছে। তবে তিনি অক্ষত আছেন।
তাবিথের পক্ষে প্রচার চালাতে আজ বিকেলে কারওয়ান বাজারে যান খালেদা জিয়া। ওই এলাকায় যানজটের কারণে বেশ কিছুক্ষণ আটকে থাকে তাঁর গাড়িবহর। পৌনে ছয়টার দিকে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উল্টো দিকে গাড়ির দরজায় দাঁড়িয়ে পূর্বমুখী হয়ে বক্তব্য রাখছিলেন খালেদা জিয়া। এ সময় উল্টো দিকে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে বেশ কয়েকজন যুবক তাঁকে জুতা ও কালো পতাকা দেখান। তাঁর বক্তব্যের শেষের দিকে গাড়ি লক্ষ্য করে ঢিল ছোড়া হলে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। বিএনপির নেতা-কর্মীরা ‘ধর ধর’ বলে ঢিল নিক্ষেপকারীদের ধাওয়া করেন। এক পর্যায়ে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সামনে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। খালেদা জিয়া আবার গাড়িতে ঢুকে যান।
একই সময়ে খালেদা জিয়ার গাড়ির ঠিক পেছনে তাঁর নিরাপত্তায় নিয়োজিত একাধিক মাইক্রোবাসে হামলাকারীরা লাঠি, লোহার পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি ভাঙচুর চালাতে থাকে। গাড়ি সামনের দিকে এগোতে থাকলে হামলাকারীরাও ধাওয়া দিয়ে ভাঙচুর চালাতে থাকে। একপর্যায়ে বাম পাশ দিয়ে এফডিসি হয়ে মগবাজারের দিকে চলে যান খালেদা জিয়া। সেখান থেকে তিনি বেইলি রোড এলাকায় প্রচারে যান। কারওয়ান বাজারের পাইকারি মাছের আড়তের কাছাকাছি পর্যন্ত হামলাকারীরা তাঁর গাড়িবহরকে ধাওয়া করে। পরে হামলাকারীরা কারওয়ান বাজারে মিছিল করে। এ সময় ‘কারওয়ান বাজারের মাটি, ছাত্রলীগের ঘাঁটি’ এমন স্লোগানও দেওয়া হয়।
হামলার ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে সন্ধ্যায় পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার প্রথম আলোকে বলেন, ‘ঘটনার সময় আমি মিটিংয়ে ছিলাম। আমি এলাকা পরিদর্শনে যাচ্ছি। পরিদর্শন শেষে বলতে পারব।’
এদিকে কারওয়ান বাজারের হামলার ঘটনায় আহতদের দেখতে খালেদা জিয়া রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে যান। সেখান থেকে তিনি বাসায় ফেরেন।
- Get link
- X
- Other Apps
Comments