Posts

Showing posts from April, 2015

জাল ভোটের সহযোগী পুলিশ

বিশেষ প্রতিনিধি  |  আপডেট:  ০৪:২৬, এপ্রিল ২৯, ২০১৫  |  প্রিন্ট সংস্করণ ০ Like ১০       ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জাল ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগীর ভূমিকায় ছিল পুলিশ। পুলিশ নিজে জাল ভোটে সহায়তা করেছে, কোথাও সরাসরি জাল ভোট দিয়েছে, আবার জাল ভোট প্রতিরোধে বাধাও দিয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার ভোট গ্রহণ চলার সময় ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার ২০টির বেশি কেন্দ্র ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে। তবে এসব অভিযোগের কথা মানতে চাননি ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, পুলিশ আইনের বাইরে কিছুই করেনি। যা করেছে, আইন অনুসারেই করেছে। বিএনপি-সমর্থিত মেয়র ও কাউন্সিলর পদপ্রার্থীরা শুরু থেকেই অভিযোগ করে আসছিলেন, পুলিশ তাঁদের কর্মী-সমর্থকদের হয়রানি করছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে গ্রেপ্তারের ভয় দেখাচ্ছে। নির্বাচনের আগের রাতেও পুলিশ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় হানা দিয়ে বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের আটক করে। অনেককে ধরে ভোট কেনাবেচার অভিযোগে মামলাও দিয়েছে। কাল নির্বাচনের সকালটা শুরু হয় গণমাধ্যমকর্মীদের হয়রানি করার মধ্য দি...

হারল গণতন্ত্র, জিতল আ.লীগ

Image
বিশেষ প্রতিনিধি  |  আপডেট:  ০৪:৪৩, এপ্রিল ২৯, ২০১৫  |  প্রিন্ট সংস্করণ ৯ Like ১২৯       তিন সিটি করপোরেশনের নির্বাচন ঘিরে মানুষের মধ্যে যে শঙ্কা ছিল, শেষ পর্যন্ত তা-ই সত্যি হলো। প্রশ্নবিদ্ধ এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ-সমর্থিত তিন মেয়র প্রার্থী বিজয়ী হলেও গণতন্ত্রের পরাজয় হয়েছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন। জাতীয় রাজনীতিতে ঝড় তোলা এই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোটের খেলায় গণতন্ত্র হেরেছে। সরকার-সমর্থকেরা বিরোধীদের বেশির ভাগ ভোটকেন্দ্রের কাছেই যেতে দেননি। অনেকটা ফাঁকা মাঠে পুলিশ ও প্রশাসনের সহযোগিতায় উন্মুক্ত কারচুপি করেছেন তাঁরা। আর বিরোধী দল বিএনপি-সমর্থক প্রার্থীরা ভোট শুরু হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরই নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন। চট্টগ্রামে মনজুর আলম বর্জনের ঘোষণা দেওয়ার ঘণ্টা খানেক পরই ঢাকায় একই ঘোষণা দেন মির্জা আব্বাসের পক্ষে তাঁর স্ত্রী আফরোজা আব্বাস এবং তাবিথ আউয়াল। প্রথম আলোর ২৭ জন প্রতিবেদক ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১ হাজার ৯৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ১২৩টি ও ঢাকা দক্ষিণের ৮৮৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৫৬টি কেন্দ্র ঘুরে এই চিত্র পেয়েছ...

দখলের উৎসবে বর্জনের ভোট

Image
ডেস্ক রিপোর্ট « আগের সংবাদ 25 পরের সংবাদ» উৎসব তো বটেই। দখলের উৎসব। একেবারেই খোলামেলা। কোন রাখডাক নেই। সকাল সকাল প্রায় প্রতিটি কেন্দ্র থেকেই হাওয়া বিএনপি সমর্থক এজেন্টরা। কেউ ঢুকতে পেরেছেন, কেউ পারেননি। তবে থাকতে পারেননি কেউই। হুমকি, মারধর, হামলা আর গ্রেপ্তারের শিকার হয়েছেন তারা। কাউকে কাউকে আটকে রাখা হয় আগেই। রক্তাক্ত এজেন্ট যেন একটি নির্বাচনেরই প্রতিচ্ছবি। আভাস পাওয়া গিয়েছিল আগের রাতেই। খবর আসছিলো, ব্যালট পেপারে সিল মারার। যদিও তার সংখ্যা ছিল কম। তবে গতকাল দিনের শুরুতেই সবকিছু পরিষ্কার হয়ে যায়। প্রথম বাধার শিকার গণমাধ্যম। বেশির ভাগ কেন্দ্রেই ক্যামেরা নিতে মানা। দিনভর টার্গেট সাংবাদিকরা। কেন্দ্র বিরোধী এজেন্টমুক্ত করার পর বিরোধী ভোটারমুক্তও করা হয়। প্রতিটি কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেন আওয়ামী লীগ-যুবলীগ-ছাত্রলীগের কর্মীরা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ছিল তাদের শতভাগ সহযোগী । কোথাও কোথাও অগ্রণী ভূমিকায়। কেন্দ্রের সামনে বিরোধীরা যেন আসতে না পারেন তা নিশ্চিত করা হয় শতভাগ। এরইমধ্যে চলে গায়েবি ভোট। প্রকাশ্যে ব্যালটে সিলমারা। ক্ষমতাসীন দলের কর্মীরাই শুধু নয় এমনকি কোথাও ক...
Image
দখলের উৎসবে বর্জনের ভোট ডেস্ক রিপোর্ট « আগের সংবাদ 25 পরের সংবাদ» উৎসব তো বটেই। দখলের উৎসব। একেবারেই খোলামেলা। কোন রাখডাক নেই। সকাল সকাল প্রায় প্রতিটি কেন্দ্র থেকেই হাওয়া বিএনপি সমর্থক এজেন্টরা। কেউ ঢুকতে পেরেছেন, কেউ পারেননি। তবে থাকতে পারেননি কেউই। হুমকি, মারধর, হামলা আর গ্রেপ্তারের শিকার হয়েছেন তারা। কাউকে কাউকে আটকে রাখা হয় আগেই। রক্তাক্ত এজেন্ট যেন একটি নির্বাচনেরই প্রতিচ্ছবি। আভাস পাওয়া গিয়েছিল আগের রাতেই। খবর আসছিলো, ব্যালট পেপারে সিল মারার। যদিও তার সংখ্যা ছিল কম। তবে গতকাল দিনের শুরুতেই সবকিছু পরিষ্কার হয়ে যায়। প্রথম বাধার শিকার গণমাধ্যম। বেশির ভাগ কেন্দ্রেই ক্যামেরা নিতে মানা। দিনভর টার্গেট সাংবাদিকরা। কেন্দ্র বিরোধী এজেন্টমুক্ত করার পর বিরোধী ভোটারমুক্তও করা হয়। প্রতিটি কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেন আওয়ামী লীগ-যুবলীগ-ছাত্রলীগের কর্মীরা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ছিল তাদের শতভাগ সহযোগী। কোথাও কোথাও অগ্রণী ভূমিকায়। কেন্দ্রের সামনে বিরোধীরা যেন আসতে না পারেন তা নিশ্চিত করা হয় শতভাগ। এরইমধ্যে চলে গায়েবি ভোট। প্রকাশ্যে ব্যালটে সিলমারা। ক্ষমতাসীন দলের কর্মীরা...

গল্পের শুরুটা ৪৫০ টাকার

Image
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ, রাজশাহী  |  আপডেট:  ০১:৫৭, এপ্রিল ২২, ২০১৫  |  প্রিন্ট সংস্করণ ১ Like ১       হাসনা বেগমের নিজের এখন একটা কারখানা আছে, যেখানে কাজ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন প্রায় ২০০ জন নারী। তাঁদের প্রশিক্ষণও দিয়েছেন হাসনা নিজেই। অথচ একটা সময় মাসে ৪৫০ টাকা বেতনে কাজ করতেন অন্যের কারখানায়। কিসের কারখানা হাসনার? বললেন, ‘মূলত পোশাক তৈরির কারখানা আমার। এখানে থ্রিপিস, পাঞ্জাবি, সিল্ক শাড়ি ইত্যাদি তৈরি হয়। আবার শাড়িতে হাতের কাজ, কুশনকভার ও কাপড়ের বিভিন্ন শোপিসও তৈরি করি।’ নিজের এমপিকে ফেব্রিকস নামের কারখানার পণ্য হাসনা বেগম দেশে ও বিদেশে মেলায় নেন। পাশাপাশি হাঁস-মুরগির খাবার তৈরির একটি কারখানাও গড়ে তুলেছেন তিনি। হাসনা বেগমের বাড়ি রাজশাহী নগরের বিসিক এলাকায়। স্বামীর নাম রেজাউল আহসান। চার সন্তান। বড় ছেলে স্নাতক পাস করেছেন। দুই মেয়ে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট আর ছোট ছেলে পড়ে ষষ্ঠ শ্রেণিতে। হাসনা বেগম দশম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেছিলেন। বিয়ে হয় ১৯৮৫ সালে। এর আগ পর্যন্ত রাজশাহী বিসিক এলাকায় অন্যের কারখানায় মাসে ৪৫০ টাকা বেতনে শ্রমিকে...

বিএনপির বর্জনের পর ভোটারশূন্য ভোটকেন্দ্র

Image
সামছুর রহমান  |  আপডেট:  ১৮:৫১, এপ্রিল ২৮, ২০১৫ ২ Like ৩৩       দুপুরের আগে আগে মিরপুর বিভিন্ন এলাকার ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের হালকা উপস্থিতি থাকলেও বেলা ১২টায় বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীদের প্রত্যাহারের ঘোষণার পর তা একেবারেই ‘নাই’ হয়ে যায়। অনেক বুথের সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং এজেন্টদের অলস সময় কাটাতে দেখা গেছে।  রাজধানীর বনানী বিদ্যানিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভোটকেন্দ্র ছিল এমনই ফাঁকা।  মিরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কয়েকটি বুথের চিত্র ছিল এ রকম,  বুথ নাম্বার ৬ (মহিলা), মোট ভোটার ৩৬০, ভোট পড়েছে ৫৪টি।  বুথ নাম্বার ৪ (মহিলা), মোট ভোটার ৩৭১, ভোট পড়েছে ৭১টি।  বুথ নাম্বার ৩ (মহিলা), মোট ভোটার ৩৫৫, ভোট পড়েছে ৬৫টি। পুরুষদের ক্ষেত্রে উপস্থিত ভোটারের সংখ্যা বেশি হলেও, এই কেন্দ্রের পুরুষ ভোটারের কয়েকটি বুথ সকাল ১১টার দিকে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী কাজী টিপু সুলতানের লোকজন প্রায় ১০ থেকে ১৫ মিনিটের জন্য দখল করে রাখে।  বুথ নাম্বার ২ (পুরুষ), মোট ভোটার ৩৯৬, ভোট পড়েছে ১৭৪টি।  বুথ নাম্বা...

যে ছবি তুলতে গিয়ে থেমে যায় হাত

Image
অনলাইন ডেস্ক  |  আপডেট:  ১৫:৩৬, এপ্রিল ২৭, ২০১৫ ০ Like ৫       ভূমিকম্প বিধ্বস্ত নেপালের ধ্বংসস্তূপে উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা। প্রতি মুহূর্তে উদ্ধার হচ্ছে নিথর বা রক্তাক্ত দেহ। দেখতে দেখতে অভ্যস্ত হয়ে গেছেন তাঁরা। নির্বিকারভাবে তোলেন লাশ। শোনেন আহতদের আর্তনাদ। কিছু ঘটনায় চমকে ওঠেন অভ্যস্ত উদ্ধারকর্মীরাও। থেমে যায় হাত। নাড়া দেয় হৃদয়। এমন সব ঘটনা দেখে কোনো কোনো সময় হয়তো ক্যামেরা ক্লিক করতেও ভুলে যান সুপটু ফটোসাংবাদিক। টাইম সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে এমনই দুটি ছবির গল্প। সেই ভয়াল শনিবার। শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাতে কাঠমান্ডুর শম্ভু এলাকার পাহাড়ের ওপরের একটি বাড়ি বিধ্বস্ত হয়। টুকরো টুকরো হয়ে ভেঙে পড়ে বাড়িটি। বাড়িটির ধ্বংসস্তূপের মধ্যে পাশাপাশি আটকে ছিলেন এই দুজন। একজন মৃত। আরেকজন জীবিত। মৃত ব্যক্তিটি জড়িয়ে আছেন আরেকজনকে। যিনি জীবিত, তিনিও মৃতপ্রায়। ১৮ ঘণ্টা ধরে ধ্বংসস্তূপে আটকা ছিলেন। একইসঙ্গে এই ছবিতে জীবন ও মৃত্যু। ছবিটি তোলেন এএফপির ফটোসাংবাদিক প্রকাশ মাথেমা। এই মর্মস্পর্শী ছবিটি তুলেছেন ইউরোপিয়া...

Earn points & convert them to real cash!

https://www.onlinecasino.us/about/

শুরু হল পানি থেকে ডিজেল তৈরি

Image
অনলাইন ডেস্ক  |  আপডেট:  ১৭:১৭, এপ্রিল ২৭, ২০১৫ ০ Like ২       জার্মানির গাড়ি নির্মাতা অওডি সম্প্রতি অওডি ই-ডিজেল নামে পরিবেশবান্ধব কৃত্রিম জ্বালানি তৈরি শুরু করেছে। চমকপ্রদ খবর হচ্ছে, তাঁদের এই ডিজেলের কাঁচামাল হচ্ছে পানি। খবর এনডিটিভির। অওডির গবেষকেরা বলছেন, তাঁদের এই প্রকল্পের মাধ্যমে কার্বন ডাই অক্সাইড নিরপেক্ষ জ্বালানি পাওয়া যাবে। জার্মানির ড্রেসডেন প্ল্যান্টে পানি থেকে ডিজেল তৈরির এই প্রকল্পের কাজ শুরু করেছে অডি। অওডি গাড়িতে পরিবেশবান্ধব এই জ্বালানি ব্যবহার করা যাবে। ড্রেসডেনের এই কারখানায় পাওয়ার টু লিকুইড (পিটিএল) পদ্ধতিতে জ্বালানি তৈরি করা হচ্ছে। এই তরল জ্বালানি তৈরির প্রক্রিয়ায় পরিবেশবান্ধব শক্তি ব্যবহার করছে অওডি। এই পদ্ধতিতে কাঁচামাল হিসেবে শুধু পানি ও কার্বন ডাই অক্সাইড ব্যবহৃত হয়। একটি বায়োগ্যাস কারখানা থেকে অওডি এই কার্বন ডাই অক্সাইড সংগ্রহ করছে। কীভাবে জ্বালানি তৈরি হচ্ছে- ১. প্রথমে পানিকে তাপ দিয়ে বাষ্পীভূত করা হয় এবং উচ্চ তাপমাত্রায় পানিকে ভেঙে এর হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন আলাদা করা হয়। ২. এরপর আরও দুটি প্রক্রিয়া শেষে এ...

Chithi - Shimul Mustofa ~ Kobita

Image

পরকীয়া প্রেমের ব্যাপারে ১২টি ভীষণ বিস্ময়কর সত্য!

Image
জীবন চর্চা  | ৭ বৈশাখ ১৪২২  | Monday, April 20, 2015 অনির্বাণ নিউজ.কম ,  ঢাকা   ■     মানুষ   যখন তাঁর সঙ্গীকে আর ভালোবাসতে পারে না ,  তখনই সে প্রতারণা করে! কিন্তু   আসলেই কি তাই ? Rutgers University study- এর একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে   ৫৬% পুরুষ স্ত্রীর সাথে ভালো সম্পর্ক ও সুন্দর দাম্পত্য জীবন থাকার পরও   অন্য নারীর সাথে যৌন সম্পর্ক গড়ে তোলেন। হ্যাঁ ,  দাম্পত্যে প্রতারণার   ব্যাপারে এমন অনেক কিছুই আছে যা আসলে আমরা ভুল জানি। চলুন ,  জানি এমন ১২টি   সত্য ,  যেগুলো নিঃসন্দেহে আপনাকে ভীষণ বিস্মিত করবে। ১) বেশিরভাগ পুরুষই চিট করার সময়েও স্ত্রীকে ভালোইবাসেন। স্ত্রীকে   ভালোবাসেন না বলে তাঁরা প্রতারণা করেন না। বরং নিজেদের সম্পর্কের বর্তমান   থেকে হতাশ হয়ে যান বলে প্রতারণা করেন। ২) পুরুষ সাধারণত প্রতারণার জন্য তেমন নারীকেই বেছে নেন যাকে তাঁরা   চেনেন এবং যারা তাঁর বেশ আশেপাশেই থাকে। এই জন্যই অফিসে বা বন্ধু/আত্মীয়   মহলে পরকীয়ার ঘটনা বেশী ঘটে। তাই নারীরা একটু সচেতন হলেই আসলে ...