উচ্চশিক্ষা অর্জন নাকি পতিতাবৃত্তি তে নাম লিখন,সাবধান বোন!


প্রতি বছর এই সময় টা তে অনেক কাটখড় পুড়িয়ে,অনেক পরিশ্রম করে দেশ সেরা মেধাবীরা নিজেদের স্থান করে নেয় দেশ সেরা বিদ্যাপীঠ গুলোতে!
কিন্তু সচারচর আমরা শুধু সেই সব বিদ্যাপীঠ গুলোর আলোর দিকটাই দেখি।দেখি না অন্ধকার দিক টা!!
আজকে আলোচনা করব ঠিক সেই রকমই একটি দেশ সেরা বিশ্ববিদ্যালয়,দেশের সেরা বিদ্যাপীঠ গুলোর মধ্যে অন্যতম,পাশাপাশি অনৈতিক-অসামাজিক- অশ্লীল কার্যকলাপের দিক দিয়ে দেশের সেরা ‘নাম কুড়ানো’ বিশ্ববিদ্যালয় ‘জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়’ এর চরম এবং ভয়ংকর অন্ধকার দিক টি নিয়ে!
না,আমি র্যাগিং নিয়ে কিছু বলব না! কারন নাম করা এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির র্যাগের বিষয় এবং ধরন সম্পর্কে এখন আর কিছু বলা লাগে না! দু দিন বাদে বাদে পত্রিকা বা ব্লগে এমনিই চোখের সামনে ঘুর ঘুর করে সেই নিউজ! আর ব্লগার এবং সাংবাদিকরা এটা নিয়ে লিখতে লিখতে,লেখাটাকেও এখন র্যাগিং ভাবতে শুরু করেছেন!
তাই আর ওদিকে যাচ্ছি না!
র্যাগ ছাড়াও যে অনৈতিক কাজগুলো নিয়ম মেনেই চলে সেখানে, সেটা নিয়েই আমার আজকের লেখা !
পয়েন্ট ১: নেতা কর্তৃক ধর্ষণ-
র্যাগিং পরবর্তী সময়ে জাবিতে থাকতে হলে ছাত্রলীগ নেতা এবং কর্মীদের মন যুগিয়ে চলতে হয় এটা নতুন কথা নয়!
ছেলেরা না হয় মিছিল মিটিং এ গিয়ে নেতাদের মন রক্ষা করলো কিন্তু মেয়েরা?(!)
নেতাদের চোখ যার উপর একবার পরে তাকে যেভাবেই হোক,যে কোন মূল্যেই হোক ভোগ না করে তাদের অবসর নেই! (যার সব ঘটনাই আড়ালে থেকে যায় প্রভাবশালী মহলের চাপের কারনে!)
লাইফ টা তো আর বাংলা সিনেমা নয় যে,ঐ সময় নায়িকার সতিত্ব বাঁচানোর জন্য নায়ক উড়ে চলে আসবে! (পরবর্তীতে নেতার মন রক্ষার্থে বারবার তার ডাকে সাড়া দিতে হয় সেই মেয়েটি কে! এমনি করেই যতবার ইচ্ছা একজন কে ভোগ করতে পারে একজন ক্ষমতাসীন ছাত্রনেতা) সরকারী সম্পদ এই নেতারা। তাই এদের থেকে গা বাঁচিয়েই চলে প্রশাসন সহ সাধারন সকল শিক্ষার্থীরা!
পয়েন্ট ২: পর্নোগ্রাফি তৈরি-
এটা জেনে অনেকেই অবাক হবেন যে,এই বিশ্ববিদ্যালয়টির সুযোগ্য ছাত্রী বৃন্দ যৌন তাড়নায় নিজেই নিজেদের নগ্ন দেহ ভিডিও করে ইউটিউবে আপলোড করছে! আবার কয়েক জন বান্ধবী মিলে নগ্ন পোজ দিয়ে তৈরী করছে ভিডিও! (হায়রে আমার উচ্চশিক্ষা!!) অনেক ভালো ভালো মেয়েদের কে বাধ্য করানো হচ্ছে সেই সব ভিডিও তে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করানোর জন্য!
পয়েন্ট ৩:যৌনতার অবাধ স্বাধীনতা-
আপনাকে কোন ছেলে অশ্লীল কোন কথা অথবা ইঙ্গিত করলে সেখানে তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার জন্য আপনি নিজে ছাড়া আর কাউকে পাশে পাবেন না!এমন কি আপনার টিচারকেও না! স্বাধীনতা যদি চান পাবেন,যৌনতার অবাধ স্বাধীনতা! ভালো থাকার নয়! চাইলেও পাবেন না এখানে আপনি আপনার ভালো থাকার এতটুকু স্বাধীনতা!
পয়েন্ট ৪: হিজাব বিরোধী বিশ্ববিদ্যালয়-
দেশের একমাত্র নামকরা হিজাব বিরোধী পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়! হিজাবের বিরুদ্ধে বরাবরই কঠোর এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান টি! শুধু হিজাব নয় ক্যাম্পাসে মাথা ঢেকে চলাফেরা করার উপরও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে এই ভার্সিটির মেয়েদের! ফলাফল যা হবার তাই, পারছে না ধরে রাখতে মেয়েরা তাদের একমাত্র মহামূল্যবান সম্পদ সতিত্ব!
পয়েন্ট ৫: অবাধ যৌন চর্চা-
জাবি একটা কারনে সব ভার্সিটি থেকে ব্যাতিক্রম এবং বিখ্যাত! আর সেটা হলো ভার্সিটি সংলগ্ন জংগল ! এই রকম একটা যৌন প্রজনন কেন্দ্রের পাশে যদি একটা নিরাপদ এবং সংরক্ষিত ঘন অরন্য বিশিষ্ট জংগল থাকে তাহলে তাতে কি হতে পারে এই চিন্তা বাদ দিন;বরং চিন্তা করুন কি না হতে পারে! বিস্তারিত আর বললাম না!
-এখানে জাবি স্টুডেন্ট এক বড় ভাইয়ের কাছ থেকে শোনা খুব অল্প পরিমাণ কিছু নমুনা প্রকাশ করলাম । বাস্তবে তা আরো ভয়ংকর এবং লোমহর্ষক!
অতএব বর্তমানে ভার্সিটি তে ভর্তিচ্ছু ভাইয়ারা, বিশেষ করে বোনেরা এবং তাদের অভিভাবকগণ কে সাবধান করছি!
আপনার মেয়েটি/বোনটি হয়ত ওখান থেকে লেখাপড়া শেষ করে বড় কিছু হবে নিশ্চই কিন্তু হয়ত আমরা জানব না,আপনি জানবেন না,সমাজ জানবে না তার সাথে কি ঘটে গেছে! অথচ বিবেকের কাছে সে সারা জীবন থেকে যাবে অপরাধী! থেকে যাবে অপরাধী আ’জীবন, তার অনাগত ভবিষ্যত সন্তানদের কাছে!
আপনি এতদিন আপনার আদরের দুলালী টি কে চোখে চোখেই রাখতেন! কিন্তু এখন আর পারছেন না! সুতরাং সাবধান!!
অন্তত পক্ষে ‘জাবি’ থেকে! 
সূত্র শব্দনীড় ব্লগ

Comments

Popular posts from this blog

কিডনি ভালো রাখতে যখন তখন ওষুধ নয়