দীর্ঘায়ুর রহস্য জীবনের উদ্দেশ্যময়তা


অনলাইন ডেস্ক | আপডেট: ১১:২৪, মে ১৫, ২০১৪
চীনের একটি উদ্যানে ঐতিহ্যবাহী সংগীত পরিবেশন করছেন অশীতিপর এক বৃদ্ধ। ছবিটি প্রতীকী।চীনের একটি উদ্যানে ঐতিহ্যবাহী সংগীত পরিবেশন করছেন অশীতিপর এক বৃদ্ধ। ছবিটি প্রতীকী।দীর্ঘ জীবন লাভের রহস্য উন্মোচন করার দাবি করেছেন একদল গবেষক। টাকা-পয়সা খরচ করতে হবে না। দুর্গম পাহাড়ের চূড়ায়ও উঠতে হবে না। রহস্যটা খুবই সাদামাটা। কাজের মধ্যে ব্যস্ত থাকুন আর জীবনকে অর্থবহ করতে অন্তত একটি উদ্দেশ্যময়তায় নিজেকে সমর্পণ করুন—ব্যস, হয়ে গেল। অন্যদের চেয়ে বেশি দিন বাঁচবেন আপনি।
বিবিসি অনলাইনে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার একদল গবেষক দীর্ঘ ও বিস্তৃত পরিসরের এক গবেষণার আলোকে এমন দাবি করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে গবেষণাটি পরিচালনা করা হয়। এই সময়ে ২০ থেকে ৭৫ বছর বয়সী সাত হাজারেরও বেশি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের শারীরিক ও মানসিক গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। সাইকোলজিক্যাল সায়েন্স সাময়িকীতে গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে।
গবেষণায় দেখা গেছে, যাঁরা জানিয়েছেন তাঁদের জীবনে কোনো একটি উদ্দেশ্য আছে, উদ্দেশ্যহীন ব্যক্তিদের চেয়ে তাঁরা বেশি দিন বাঁচেন। এ ছাড়া অবসর নেওয়া যেসব ব্যক্তি নানা ধরনের কাজকর্ম করে দিন পার করেন, অলস সময় কাটানো ব্যক্তিদের চেয়ে তাঁরা বেশিদিন বাঁচেন।
গবেষকেরা বলছেন, উদ্দেশ্যপূর্ণ জীবন মানুষকে শুধু সুস্থই রাখে না, অকালমৃত্যুও প্রতিরোধ করে। এক্ষেত্রে উদ্দেশ্যের ধরন বা প্রকৃতি গুরুত্বপূর্ণ নয়। উদ্দেশ্য যেকোনো কিছুই হতে পারে। বয়স্কদের চেয়ে তরুণরা এ ক্ষেত্রে এগিয়ে। কারণ তাঁরা অল্প বয়সেই তাঁদের জীবনের উদ্দেশ্যটা ঠিক করে নেন।
গবেষকদের মতে, যেসব মানুষের জীবনে বিশেষ উদ্দেশ্য থাকে, উদ্দেশ্য অর্জনে তাঁরা নিজেদের স্বাস্থ্যের দেখভাল করেন। এতেই তাঁরা সুস্থ থাকেন।

Comments

Popular posts from this blog

কিডনি ভালো রাখতে যখন তখন ওষুধ নয়