চুল পড়া নিয়ে দুশ্চিন্তা?
প্রাকৃতিক নিয়মে প্রতিদিন ১০০ থেকে ২০০ চুল পড়ে আমাদের। কিন্তু কখনো এই চুল পড়ার হার বেড়ে গেলে দুশ্চিন্তা হতেই পারে।
নানা কারণে চুল পড়া বাড়তে পারে। যেমন: রাত জাগা, অতিরিক্ত মানসিক চাপ বা দুশ্চিন্তা, সন্তান প্রসবের পর বা আকস্মিক মানসিক আঘাত, শরীরে কিছু খাদ্য উপাদানের ঘাটতি, খুশকি বা মাথার ত্বকের কোনো রোগ (যেমন একজিমা) ইত্যাদি। হরমোনজনিত সমস্যা, জ্বর বা সংক্রমণ, মাথায় উকুনের আক্রমণ, ক্যানসার ও কেমোথেরাপির পর কিংবা চুলে অতিরিক্ত রাসায়নিক ব্যবহার (যেমন রিবন্ডিং বা হেয়ার কালার) করলেও চুল বেশি বেশি পড়া শুরু হতে পারে।
চুল পড়া কমাতে প্রথমত যথেষ্ট পুষ্টিমান ও প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খান। ভিটামিন ‘বি ফাইভ’ বা বায়োটিন চুলের জন্য ভালো। ডিম, কলা, চর্বিহীন লাল মাংস, ওটমিল, গাঢ় সবুজ সবজি, মিষ্টি আলু, শিমের বিচি ইত্যাদিতে আছে এই বায়োটিন। ‘ওমেগা থ্রি’ ফ্যাটি অ্যাসিডও মাথার ত্বককে সুস্থ রাখে। এর উৎস হলো সামুদ্রিক মাছ, বাদাম, ডিম ইত্যাদি। নিয়মিত ঘুম ও শরীরচর্চা জরুরি।
খুশকির চিকিৎসা করুন। হরমোনজনিত কোনো রোগ থাকলে চিকিৎসা নিন। যেকোনো শ্যাম্পু বা প্রসাধন ব্যবহারে সতর্ক থাকুন, বিশেষ করে অ্যামোনিয়াম সালফেট, সোডিয়াম লরেথ সালফেট ইত্যাদি রাসায়নিক উপাদানযুক্ত শ্যাম্পু না ব্যবহার করাই
ভালো। তারপরও চুল বেশি বেশি পড়লে বা ত্বকে সমস্যা হলে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
চর্ম বিভাগ, বারডেম হাসপাতাল
নানা কারণে চুল পড়া বাড়তে পারে। যেমন: রাত জাগা, অতিরিক্ত মানসিক চাপ বা দুশ্চিন্তা, সন্তান প্রসবের পর বা আকস্মিক মানসিক আঘাত, শরীরে কিছু খাদ্য উপাদানের ঘাটতি, খুশকি বা মাথার ত্বকের কোনো রোগ (যেমন একজিমা) ইত্যাদি। হরমোনজনিত সমস্যা, জ্বর বা সংক্রমণ, মাথায় উকুনের আক্রমণ, ক্যানসার ও কেমোথেরাপির পর কিংবা চুলে অতিরিক্ত রাসায়নিক ব্যবহার (যেমন রিবন্ডিং বা হেয়ার কালার) করলেও চুল বেশি বেশি পড়া শুরু হতে পারে।
চুল পড়া কমাতে প্রথমত যথেষ্ট পুষ্টিমান ও প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খান। ভিটামিন ‘বি ফাইভ’ বা বায়োটিন চুলের জন্য ভালো। ডিম, কলা, চর্বিহীন লাল মাংস, ওটমিল, গাঢ় সবুজ সবজি, মিষ্টি আলু, শিমের বিচি ইত্যাদিতে আছে এই বায়োটিন। ‘ওমেগা থ্রি’ ফ্যাটি অ্যাসিডও মাথার ত্বককে সুস্থ রাখে। এর উৎস হলো সামুদ্রিক মাছ, বাদাম, ডিম ইত্যাদি। নিয়মিত ঘুম ও শরীরচর্চা জরুরি।
খুশকির চিকিৎসা করুন। হরমোনজনিত কোনো রোগ থাকলে চিকিৎসা নিন। যেকোনো শ্যাম্পু বা প্রসাধন ব্যবহারে সতর্ক থাকুন, বিশেষ করে অ্যামোনিয়াম সালফেট, সোডিয়াম লরেথ সালফেট ইত্যাদি রাসায়নিক উপাদানযুক্ত শ্যাম্পু না ব্যবহার করাই
ভালো। তারপরও চুল বেশি বেশি পড়লে বা ত্বকে সমস্যা হলে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
চর্ম বিভাগ, বারডেম হাসপাতাল
Comments