কাঁটাকে সরিয়ে ফুলের সুবাসটুকু নিতে জানতে হয়
জাহান রিমা, ফ্লোরিডা (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে | ২৫ জানুয়ারি ২০১৭, ১৯:৪৭ লেখিকা খুব বড় কিছু ঘটে গেল। হঠাৎ কী যে হলো, আমাদের বিশ বছরের ব্যবসা ভেঙে গুঁড়ো গুঁড়ো। আমার ছোটবাবা (চাচা) আর বাবা দুজন মিলে এই ব্যবসা শুরু করেছিলেন। ব্যবসা শুরুর পর মফস্বলের ছোট্ট একটা শহরে সেই প্রথম আমাদের পরিবারে এল সুখাভিজাত্যের আলো। তখন গ্রামীণ কোনো ঘরে হাতে টাকার সচ্ছলতা এলেই মহাসমারোহে সে ঘরের চৌকাঠ পেরোত আলমারি। আরেকটু সামলাতে পারলে তার সঙ্গেই বসবাসের উদ্যোগ নিত কাচ ঝনঝন শোকেস! কে জানে বাজার খরচ থেকে কিছু টাকা বেঁচে গেলে কারও কারও রান্নাঘরেও আয়েশ করে দাঁড়িয়ে থাকত অহংকারী মিটসেফ! কারও ঘরে নতুন সদস্যের আগমন হলে হইচই আনন্দে সে ঘরে প্রবেশ করত আবেগের দোলনা। আমরা দেখতাম আমাদের বাবা-চাচাদের বাণিজ্যের সুবাদে সেই সকল ক্রেতার সুখ মাখা মনভূমি। নানা অনুভবের বীজ রোপণ হলো। মানুষের জীবনে শুধু দোলনচাঁপার ঘ্রাণ দোলা দেয় না; এই সকল আনন্দও দেয়। জানলাম জীবননাট্যে সুখের অঙ্ক স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গে জড়িত, এই কথাও তুমুল সত্য। এক দিন এও প্রথম বুঝলাম, কী যেন হয়েছে। আমাদের যৌথ ব্যবসাতে ভাঙনের ভায়োলিন বাজছে। জানলাম, প্রকৃতি ...