Posts

Showing posts from September, 2015

ঘরে বসেই সহজে সিম রেজিস্ট্রেশন করুন

Image
কালের কণ্ঠ অনলাইন ঘরে বসে আপনার মোবাইলের সিম রেজিট্রেশনের জন্য বিনামূল্যে হালনাগাদ করে নিতে পারবেন। প্রাথমিক অবস্থায় শুধু বাংলালিংকের গ্রাহকরা এ সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন। বাংলালিংক তাদের ওয়েবসাইটে জানিয়েছে, তথ্য হাল নাগাদ করতে আবেদন করুন। সম্মানিত গ্রাহক, আপনার সংযোগের সঠিক নিবন্ধন মোবাইলের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারে। এখন আপনিই আপনার সংযোগের তথ্যাদি সকল শর্তানুযায়ী সঠিকভাবে হাল নাগাদের জন্য আবেদন করতে পারবেন। তথ্য হাল নাগাদের জন্য আবেদন করতে আপনার মোবাইল নাম্বারটি প্রবেশ করুন এবং নির্দেশনা অনুসরন করুন। কর্পোরেট ও এসএমই গ্রাহকদের জন্য নতুন করে তথ্য হাল নাগাদের প্রয়োজন নেই। এ জন্য প্রথমে http://goo.gl/WqZqeP এই ঠিকানায় গিয়ে আপনার মোবাইল নাম্বারটি লিখুন এবং নিচের নাম্বারটি টাইপ করে Next এ যান, আপনার মোবাইলে একটি কোড আসবে ওই কোডটি দিয়ে সাবমিট করুন, তারপর আপনার নাম, জন্মতারিখ, একটি ছবি, ভোটার আইডি কার্ড অথবা যে কোন আইডি কার্ডের দুটি পার্ট সংযুক্ত করতে হবে। এরপর Save এ click করে বেরিয়ে আসুন। আপনার সিম রেজিস্ট্রেশন চূড়ান্ত হলে আপনাকে জানিয়ে দেওয়া হবে। - See more at: http...

ডিম কি নিশ্চিন্তে খেতে পারবেন?

Image
অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ  |  আপডেট:  ০০:০২, জুলাই ২২, ২০১৫  |  প্রিন্ট সংস্করণ ২ Like ৬       প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় বিশেষ করে নাশতায় অনেকেই ডিম খেতে পছন্দ করেন। সময় স্বল্পতার জন্য ভাতের সঙ্গে তরকারির বিকল্প হিসেবে ডিম ভাজি বা ভর্তা করেও অনেককে খেতে হয়। প্রশ্নটা হলো প্রতিদিন বা নিয়মিত ডিম খাওয়া যাবে কি যাবে না, এ নিয়ে চিকিৎসক, রোগী এমনকি সুস্থ মানুষের মাঝেও বিভ্রান্তি বা দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছিল এবং এখনো আছে। বিশেষ করে যাঁদের বয়স একটু বেশি, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, স্ট্রোক বা হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়েছেন, এমন রোগী অথবা যাঁদের রক্তে কোলেস্টেরল বা অন্যান্য চর্বির পরিমাণ বেশি, তাঁদের ডিম খেতে নিষেধ বা সম্পূর্ণ বর্জন করতে বলা হতো। অনেকেই আবার ডিমের কুসুম বাদ দিয়ে শুধু সাদা অংশটুকুই খেতে বলতেন। এর কারণ একটাই, তা হলো ডিম খেলে কোলেস্টেরল বাড়ে, তাতে উচ্চ রক্তচাপ, স্ট্রোক ও হৃদ্রোগের ঝুঁকি বাড়ে। এত দিনের এ ধারণা আসলে সত্যি নয়।  ডিম খেলে রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা ততটা বৃদ্ধি পায় না। একজন পূর্ণ বয়স্ক সুস্থ মানুষ দৈনিক গড়ে ৩০০ মিলি...

ঝলসানো পাঁচ পদ

Image
আপডেট:  ১৬:০১, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৫ ১ Like       আগুনে ঝলসানো খাবার। পোড়া পোড়া স্বাদেই মিলছে জিহ্বার তৃপ্তি। মাংস, মাছ থেকে শুরু করে সবজি দিয়েও তৈরি হচ্ছে নানা স্বাদের গ্রিল বা কাবাব। তেমনই কিছু ঝলসানো খাবারের রেসিপি দিয়েছেন পাঁচতারকা হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ের নির্বাহী শেফ  ডমেনিক গমেজ নারকেল দুধে চিংড়ি উপকরণ : খোসা ছাড়া ১০ পিস চিংড়ি, নারকেল দুধ ৫০ গ্রাম, লবণ স্বাদমতো, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, সাদা গোলমরিচের গুঁড়া আধা চা-চামচ, তাজা টমেটো ১টা, ক্যাপসিকাম ১টা, পেঁয়াজ ১টা ও জলপাই তেল ৫০ গ্রাম। প্রণালি : পেঁয়াজ, টমেটো ও ক্যাপসিকাম ছাড়া সব উপকরণ মিশিয়ে আধা ঘণ্টা রেখে দিন। এবার টমেটো, ক্যাপসিকাম ও পেঁয়াজের ফাঁকে ফাঁকে চিংড়ি গেঁথে ২৫ মিনিট গ্রিল করে নিন। মুরগির শিশ তাওয়াক উপকরণ : হাড়ছাড়া মুরগির মাংস ৫০০ গ্রাম, আদাবাটা ২০ গ্রাম, রসুনবাটা ২০ গ্রাম, চিলি সস ১ চা-চামচ, পাপড়িকা পাউডার ১ টেবিল চামচ, জিরাবাটা আধা চা-চামচ, লেবুর রস ২ চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো, পেঁয়াজ বড় ১টা, ক্যাপসিকাম ১টা, টমেটো ১টা ও জলপাই তেল ৫০ গ্রাম। প্রণা...

নতুন বিদ্যুৎ যন্ত্র উদ্ভাবন: খরচ ২০ পয়সা

Image
 ডেস্ক রিপোর্ট  « আগের সংবাদ   78 পরের সংবাদ»    ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৫, ১৮:২৮ অপরাহ্ন সিরাজগঞ্জ জেলার শাহাজাদপুরের মো. জালাল উদ্দিন। এক মধ্যবিত্ত পরিবারের কনিষ্ট সন্তান। ছোটবেলা থেকে তিনি একটু দুরন্ত প্রকৃতির ছিলেন। সব সময়ই নতুন কিছু আবিষ্কারের চেতনায় থাকতেন তিনি। সেই লক্ষ্যে বিজ্ঞান বিভাগে পড়াশোনার প্রবল ইচ্ছে ছিল তার। পারিবারিক অস্বচ্ছলতার কারণে সেই সুযোগ হাতছাড়া হয়ে যায়। তবুও থেমে নেই তিনি। ১৯৯২ সালে শাহজাদপুর সরকারি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশের পর জীবিকার সন্ধানে ১৯৯৩ সালে রাজধানীর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরিতে যোগ দেন।  এরপর চাকরিরত অবস্থায় ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিপ্লোমা সম্পন্ন করেন। আর তাতে তার আবিষ্কারের অবচেতন মন আবারও জেগে ওঠে। এরই মধ্যে তিনি দেশের মানুষের বড় সমস্যাগুলো খুঁজে বের করেন। আর সেই সমস্যার মধ্যে তিনি বেছে নিলেন বিদ্যুৎ সমস্যা। তখন থেকে কীভাবে কম খরচে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায় সেই চিন্তায় মেতে উঠলেন তিনি। 0অবশেষে সফল হলেন তিনি। উদ্ভাবন করেছেন নতুন বিদ্যুৎ উৎপাদন যন্ত্র। যার নাম দিয়েছেন তিনি ‘ফেরাল জিম’। আর তার এ...

ঘরে বসেই পারফেক্ট ‘মিষ্টি দই’ জমানোর সবচাইতে সহজ রেসিপি

Image
June 7, 2015   sajsojja দই কম বেশি সকলেরই প্রিয় একটি মিষ্টি জাতীয় খাবার। একটু ভারী খাবারের পর দই খাওয়া অনেকেই পছন্দ করেন, বিশেষ করে মিষ্টি দই। এবং এটি স্বাস্থ্যের জন্য বেশ ভালো। ইচ্ছে হলে ঘরেই জমিয়ে ফেলতে পারেন দোকানের মতো সুস্বাদু ও পারফেক্ট মিষ্টি দই, খুব সহজেই। ভাবছেন কীভাবে? চলুন তবে জেনে নেয়া যাক পারফেক্ট ‘মিষ্টি দই’ জমানোর সবচাইতে সহজ রেসিপিটি। উপকরণঃ – দুধ ১ লিটার – ১ কাপ পানি – চিনি ২০০ গ্রাম – দইয়ের বীজ ২ টেবিল চামচ – ১ টি মাটির পাত্র দইয়ের বীজ তৈরির পদ্ধতিঃ দইয়ের বীজ দুভাবে নেয়া যায় ১) আগের দই থেকে ২ টেবিল চামচ সরিয়ে রাখুন। ২) ১ কাপ দুধে ১ কাপ পরিমাণে গুঁড়ো দুধ দিয়ে ভালো করে জ্বাল দিয়ে ক্ষীরসা তৈরি করে নিন। এটিই দইয়ের বীজ হিসেবে কাজ করবে। দই জমানোর পদ্ধতিঃ – একটি পাত্র দুধ নিয়ে এতে ১ কাপ পানি মিশিয়ে মাঝারি আঁচে জ্বাল দিতে থাকুন। – দুধ জ্বাল দিয়ে অর্ধেক পরিমাণে হয়ে এলে এতে চিনি দিয়ে ভালো করে নেড়ে দিন। – দুধ আরও ঘন হয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে কিছুক্ষণ ঠাণ্ডা হতে দিন। – আঙুল ডুবিয়ে দেখুন গরম সহ্য করা যায় কিনা। এই ধরণের গরম থাকতে দুধে দইয়ের বীজ দিয়...

নানা রকম পোলাও

Image
আপডেট:  ১৪:০৩, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৫ ০ Like       দাওয়াত কিংবা অনুষ্ঠান-অতিথি আপ্যায়নে পোলাও থাকবে, এটা মোটামুটি ধরে নেওয়া যায়। চাইলে এই পোলাওতে আনা যায় বৈচিত্র্য। কয়েকটি স্বাদের পোলাওয়ের রেসিপি দিয়েছেন কল্পনা রহমান কাশ্মীরি পোলাও উপকরণ পোলাওয়ের চাল ২ কাপ, ঘি আধা কাপ, নারকেল দুধ ১ কাপ, গুঁড়া দুধ ২ টেবিল চামচ, আদাবাটা ১ চা-চামচ, রসুনবাটা আধা চা-চামচ, নাট পেস্ট ১ টেবিল চামচ, লেমন রাইন্ড ১ চা-চামচ, আপেল, আঙুর, চেরি, কিশমিশ ও গাজর ২-৩ কাপ, ক্যাশোনাট ২ টেবিল চামচ, এলাচি ও দারুচিনি ৪-৫ পিস, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, চিনি ১ চা-চামচ এবং পেঁয়াজ বেরেস্তা আধা কাপ। প্রণালি · চাল ধুয়ে ১০ মিনিট ভিজিয়ে রাখতে হবে। · পাত্রে ঘি দিয়ে পেঁয়াজ কুচি, গরমমসলা, আদা-রসুন পেস্ট দিয়ে একটু নেড়ে চালের দেড় গুণ অর্থাৎ ২ কাপ পানি ও ১ কাপ নারকেলের দুধ মিশিয়ে দিয়ে জ্বাল দিতে হবে। ফুটে উঠলে গুঁড়া দুধ, নাট পেস্ট ও ভেজানো চাল দিতে হবে। · চাল ও পানি সমান হলে অর্ধেক কিউব কাটফ্রুটস দিয়ে ১০ মিনিটের জন্য দমে বসাতে হবে। · ১০ মিনিট পর বাকি ফল, ক্যাসোনাট ও বেরেস্তা চিনি দিয়ে ভেঙে...

আরও চিকিৎ​সার দরকার ‘ঝোপে পাওয়া’ শিশুটির

Image
কমল ​জোহা খান  |  আপডেট:  ১৬:৩৪, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৫ ০ Like ১       হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ‘ঝোপে পাওয়া’ শিশুটি। ছবি: সাহাদাত ​পারভেজ কোনো নাম নেই। ক্ষতচিহ্ন মুখজুড়ে। বয়স মাত্র ১১ দিন। তবুও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নবজাতক বিভাগে সবার মন জয় করে ফেলেছে মেয়েশিশুটি। নবজাতক বিভাগের বিশেষ সেবাকেন্দ্রে শুয়ে কখনো ওর মুখে ফুটছে হাসি, কখনো কান্নার সুরে আবদার করছে খাবার। অথচ নির্মম ভাগ্য নিয়ে গত ১৫ সেপ্টেম্বর জন্ম নিয়েছিল এই শিশুটি। ওই দিন দুপুরে রাজধানীর পূর্ব শেওড়াপাড়ায় পুরোনো বিমানবন্দরের রানওয়ে মাঠের পাশে ঝোপের ভেতর থেকে পাওয়া যায় ফুটফুটে ওই মেয়েকে। তখন মেয়েটিকে চার-পাঁচটি কুকুর খামচে ধরেছিল। কুকুরের আক্রমণে ওর মুখ ও নাকের বেশি ক্ষতি হয়। ঠোঁটের ওপরের অংশে মাংস প্রায় ছিল না। শিশুটি বাঁ-হাতের বুড়ো আঙুলসহ দুটি এবং ডান হাতের কড়ে আঙুলে বেশ আঘাত পায়। জাহানারা বেগম নামে এক এলাকাবাসী উদ্ধার করে ওই দিন সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসেন। তবে আঘাতের সঙ্গে সংগ্রাম করে সুস্থ হয়ে উঠেছে শিশুটি। ক্ষত শুকিয়েছে। শিশুটির চিকিৎসায় নবজা...

ফেসবুকে ফোন নম্বর লুকিয়ে রাখুন

মঈন চৌধুরী  |  আপডেট:  ০২:২২, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৫  |  প্রিন্ট সংস্করণ ০ Like       বাড়তি নিরাপত্তার জন্য ফেসবুক কর্তৃপক্ষ ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্টে ফোন নম্বর যোগ করতে বরাবরই উৎসাহ দিয়ে আসছে। নতুন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খোলা বা দ্বিগুণ নিরাপত্তার খাতিরে নিজের ফোন নম্বর ব্যবহার করলেও কিছু ক্ষেত্রে হিতে বিপরীত হতে পারে। কেউ যদি ফেসবুক অ্যাকাউন্টে নিজের ফোন নম্বর দিয়ে থাকেন এবং প্রয়োজনীয় সেটিংস পরিবর্তন না করেন, তাহলে তাঁর ব্যক্তিগত তথ্য যে কেউ দেখার সম্ভাবনা রয়েছে। এমনকি এটি কার ফোন নম্বর, সেটি জানা না থাকলেও হবে, শুধু নম্বরটি দিয়ে ফেসবুকসহ গুগলের মতো সার্চ ইঞ্জিনে অনুসন্ধান চালালে ফলাফল হিসেবে নিজের অনেক তথ্যই প্রকাশিত হয়ে যেতে পারে। এ জন্য ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে নিরাপত্তার স্বার্থে ফোন নম্বর ব্যবহার করলেও একই সঙ্গে দ্রুত সেটা লুকিয়ে রাখার ব্যবস্থা করা উচিত। বাংলাদেশে অনেকেই ভিন্ন ভিন্ন মোবাইল অপারেটরের দুটি সিম ব্যবহার করে থাকেন। সবচেয়ে ভালো হয় কম পরিচিত বা নতুন কোনো নম্বর, যেটা সাধারণত কম ব্যবহার করা হয়, সেটাই ...

পথের সঙ্গী পাওয়ার ব্যাংক

Image
মো. মিন্টু হোসেন  |  আপডেট:  ১৭:২৯, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৫ ০ Like       ঈদে বাড়ি ফিরছেন? মোবাইল ফোন আর চার্জার ঠিকমতো গুছিয়ে নিয়েছেন তো? যাঁরা দীর্ঘপথ পাড়ি দেবেন, তাঁরা যাত্রাপথে চাইলে একটি পাওয়ার ব্যাংক সঙ্গে নিতে পারেন। যানজটে পড়ে আপনার স্মার্টফোন বা ডিভাইসে চার্জ ফুরিয়ে গেলে তা কাজে লাগবে। আপনার ঈদের কেনাকাটার তালিকায় তাই পাওয়ার ব্যাংকও রাখতে পারেন। এখন বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পাওয়ার ব্যাংক পাওয়া যায়। স্মার্টফোন বা ট্যাবলেটের জন্য বাজারে পাওয়া যাচ্ছে নানা রকম বহনযোগ্য চার্জার। জেনে নিন মডেল ও দরদাম— গেডমি:  এলিট পি ১০ মডেল, দাম দুই হাজার ৬৫০ টাকা। মাইসেল:  মাইসেল স্পাইডার ১২ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার, দাম ১ হাজার ৪৫০ টাকায়। টিপি লিংক:  টিপ লিংক পিবি ৫০,১০ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার, দাম ২ হাজার ৭০০ টাকায়। টিএল পিবি, দাম ২ হাজার ৫৯০ জিওমি:  জিওমি এমআই ৫ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার, দাম ১ হাজার ৭০০ টাকা। এডেটা:  পিভি ১০০, দাম এক হাজার ৫৫০ টাকা, পিভি ১১০ মডেলের দাম দুই হাজার ৫০০ টাকা। অ্যাপাসার: ...

ডেঙ্গু জ্বর: বিভ্রান্তি ও করণীয়

Image
চিকিৎসা এ বি এম আবদুল্লাহ | ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৫    বাংলাদেশে ডেঙ্গু জ্বরের প্রাদুর্ভাব অনেক আগে থেকে। প্রায় প্রতি বর্ষাতেই কমবেশি ডেঙ্গু জ্বর হয়ে থাকে। কিন্তু গত শতাব্দীর শেষ ভাগে হঠাৎ ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়ে গেলে তা সবার নজরে আসে। মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনা, আর দ্রুত কিছু মৃত্যু সাধারণ জনগণের মনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। ডেঙ্গু জ্বর বলতে অনেকেই নিশ্চিত মৃত্যু মনে করতে থাকেন। শুরু হয় রক্ত ও প্লাটিলেট দেওয়া নিয়ে দৌড়াদৌড়ি আর অ্যান্টিবডি পরীক্ষার হিড়িক। অবশ্য গত দশ-বারো বছরে অবস্থার উন্নতি হয়েছে। একদিকে চিকিৎসকদের যেমন অভিজ্ঞতা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসার দক্ষতা বেড়েছে, তেমনি রোগী ও জনসাধারণের সচেতনতা বৃদ্ধি পাওয়ায় ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে ভীতিকর অবস্থারও অনেক পরিবর্তন হয়েছে। অপ্রয়োজনীয় রক্তসঞ্চালন ও প্লাটিলেটের ব্যবহার কমেছে অনেক, সেই সঙ্গে মৃত্যুর হার প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। তবে জনমনে কিছুটা আতঙ্ক ও ভুল ধারণা এখনো রয়ে গেছে, যা দূর করা দরকার। অনেকে এখনো মনে করেন যে ডেঙ্গু জ্বর খুব মারাত্মক রোগ এবং এতে রোগীর মৃত্যুঝুঁকি অনেক বেশি। এই ধারণা ভুল। সঠিকভাবে চিকিৎসা করা হলে...