মুজিবুর হাসপাতালে, গাড়িচালক আবার ‘নিখোঁজ’
- Get link
- X
- Other Apps
যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বিএনপির নেতা মুজিবুর রহমানের গাড়িচালক রেজাউল হকের খোঁজ পেয়েছে পুলিশ। আজ বুধবার তাঁকে রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। তিনি বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে আছেন।
পুলিশ জানায়, বেলা ১১টার দিকে গুলশান এলাকায় তাঁকে পাওয়া গেছে। তবে গুলশানের ঠিক কোথায় তাঁকে পাওয়া গেছে, তা নিশ্চিত করে বলেনি পুলিশ।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হেমায়েতুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেছেন, ‘আমরা সকালের দিকে গুলশান এলাকা থেকে তাঁকে উদ্ধার করেছি। এখন তিনি আমাদের হেফাজতে আছেন।’
অপহরণের প্রায় সাড়ে তিন মাস পর গত সোমবার ভোরে গাড়িচালক রেজাউলসহ মুক্ত হন বিএনপির নেতা মুজিবুর রহমান। গাজীপুরের টঙ্গী এলাকার একটি সেতুর কাছে দুজনকে চোখ বাঁধা অবস্থায় ছেড়ে দেয় অপহরণকারীরা। এরপর রেজাউল হককে নিয়ে মুজিবুর সিএনজিচালিত একটি অটোরিকশায় করে রাজধানীর গুলশানে তাঁর আত্মীয় আনোয়ার হোসেনের বাসায় যান। ওই দিন বিকেলে মুজিবুর রহমানকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সে সময় মুজিবুর জানান, গাড়িচালক রেজাউলকে এক হাজার টাকা দিয়ে তিনি গুলশান থেকেই সুনামগঞ্জে চলে যেতে বলেন। তবে এর পর থেকে রেজাউলের কোনো হদিস মিলছিল না।
গত ৪ মে সুনামগঞ্জে বিএনপির এক সমাবেশে যোগদান শেষে সিলেটে যাওয়ার পথে যুক্তরাজ্য বিএনপির উপদেষ্টা ও সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মুজিবুর রহমান ও তাঁর গাড়িচালক রেজাউল হক অপহূত হন।
যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বিএনপির নেতা মুজিবুর রহমানের গাড়িচালক রেজাউল হকের খোঁজ পেয়েছে পুলিশ। আজ বুধবার তাঁকে রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। তিনি বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে আছেন।
পুলিশ জানায়, বেলা ১১টার দিকে গুলশান এলাকায় তাঁকে পাওয়া গেছে। তবে গুলশানের ঠিক কোথায় তাঁকে পাওয়া গেছে, তা নিশ্চিত করে বলেনি পুলিশ।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হেমায়েতুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেছেন, ‘আমরা সকালের দিকে গুলশান এলাকা থেকে তাঁকে উদ্ধার করেছি। এখন তিনি আমাদের হেফাজতে আছেন।’
অপহরণের প্রায় সাড়ে তিন মাস পর গত সোমবার ভোরে গাড়িচালক রেজাউলসহ মুক্ত হন বিএনপির নেতা মুজিবুর রহমান। গাজীপুরের টঙ্গী এলাকার একটি সেতুর কাছে দুজনকে চোখ বাঁধা অবস্থায় ছেড়ে দেয় অপহরণকারীরা। এরপর রেজাউল হককে নিয়ে মুজিবুর সিএনজিচালিত একটি অটোরিকশায় করে রাজধানীর গুলশানে তাঁর আত্মীয় আনোয়ার হোসেনের বাসায় যান। ওই দিন বিকেলে মুজিবুর রহমানকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সে সময় মুজিবুর জানান, গাড়িচালক রেজাউলকে এক হাজার টাকা দিয়ে তিনি গুলশান থেকেই সুনামগঞ্জে চলে যেতে বলেন। তবে এর পর থেকে রেজাউলের কোনো হদিস মিলছিল না।
গত ৪ মে সুনামগঞ্জে বিএনপির এক সমাবেশে যোগদান শেষে সিলেটে যাওয়ার পথে যুক্তরাজ্য বিএনপির উপদেষ্টা ও সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মুজিবুর রহমান ও তাঁর গাড়িচালক রেজাউল হক অপহূত হন।
পুলিশ জানায়, বেলা ১১টার দিকে গুলশান এলাকায় তাঁকে পাওয়া গেছে। তবে গুলশানের ঠিক কোথায় তাঁকে পাওয়া গেছে, তা নিশ্চিত করে বলেনি পুলিশ।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হেমায়েতুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেছেন, ‘আমরা সকালের দিকে গুলশান এলাকা থেকে তাঁকে উদ্ধার করেছি। এখন তিনি আমাদের হেফাজতে আছেন।’
অপহরণের প্রায় সাড়ে তিন মাস পর গত সোমবার ভোরে গাড়িচালক রেজাউলসহ মুক্ত হন বিএনপির নেতা মুজিবুর রহমান। গাজীপুরের টঙ্গী এলাকার একটি সেতুর কাছে দুজনকে চোখ বাঁধা অবস্থায় ছেড়ে দেয় অপহরণকারীরা। এরপর রেজাউল হককে নিয়ে মুজিবুর সিএনজিচালিত একটি অটোরিকশায় করে রাজধানীর গুলশানে তাঁর আত্মীয় আনোয়ার হোসেনের বাসায় যান। ওই দিন বিকেলে মুজিবুর রহমানকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সে সময় মুজিবুর জানান, গাড়িচালক রেজাউলকে এক হাজার টাকা দিয়ে তিনি গুলশান থেকেই সুনামগঞ্জে চলে যেতে বলেন। তবে এর পর থেকে রেজাউলের কোনো হদিস মিলছিল না।
গত ৪ মে সুনামগঞ্জে বিএনপির এক সমাবেশে যোগদান শেষে সিলেটে যাওয়ার পথে যুক্তরাজ্য বিএনপির উপদেষ্টা ও সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মুজিবুর রহমান ও তাঁর গাড়িচালক রেজাউল হক অপহূত হন।
অপহরণের প্রায় সাড়ে তিন মাস পর মুক্ত যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বিএনপির নেতা মুজিবুর রহমান রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে গত সোমবার ভোরে তাঁর সঙ্গে মুক্ত তাঁর গাড়ির চালক রেজাউল হক আবার ‘নিখোঁজ’ রয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত তিনি সুনামগঞ্জের বাড়িতে পৌঁছাননি। তাঁর কোনো খোঁজও পাচ্ছে না পরিবার।
মুজিবুরের স্বজনেরা জানিয়েছেন, মুজিবুর তাঁদের বলেছেন, পুলিশের মতো পোশাক পরা লোকজন গাড়ি–চালকসহ তাঁকে অপহরণ করেছিলেন। প্রথম কয়েক দিন তাঁকে মারধর করে তারেক রহমানের (বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান) বিষয়ে জানতে চেয়েছেন অপহরণকারীরা।
গত ৪ মে সুনামগঞ্জে বিএনপির এক সমাবেশে যোগ দিয়ে সিলেটে যাওয়ার পথে মুজিবুর ও তাঁর গাড়িচালক নিখোঁজ হন। মুজিবুর যুক্তরাজ্য বিএনপির উপদেষ্টা ও সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য।
মুজিবুরের স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, সোমবার ভোরে অপহরণকারীরা মুজিবুর ও রেজাউলকে গাড়িতে করে এনে চোখ বাঁধা অবস্থায় গাজীপুরের টঙ্গীতে ফেলে যায়। এরপর মুজিবুর এক হাজার টাকা দিয়ে রেজাউলকে সুনামগঞ্জে যেতে বলে নিজে অটোরিকশা নিয়ে সোমবার সকালে রাজধানীর গুলশানে তাঁর শ্যালক আনোয়ার হোসেনের বাসায় যান। পরে তাঁকে ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি সেখানে পুলিশি হেফাজতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
গতকাল ঢাকার ব্রিটিশ হাইকমিশনের একটি প্রতিনিধিদল হাসপাতালে মুজিবুরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। এ ছাড়া, সুনামগঞ্জের একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল বিকেলে তাঁর সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেছে।
ইউনাইটেড হাসপাতালের ক্লিনিক্যাল কো-অর্ডিনেটর মাহিন আজিম গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, মুজিবুর রহমানের বেশ কিছু পরীক্ষা করা হয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও থাইরয়েডের সমস্যায় ভুগছিলেন। তাঁর রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রাও কিছুটা কম। তবে তাঁর কথাবার্তা স্বাভাবিক।
মুজিবুরের শ্যালক আনোয়ার হোসেন গতকাল বিকেলে প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর ভগ্নিপতি তাঁদের বলেছেন, পুলিশের মতো পোশাক পরা একদল লোক দুটি পিকআপ ভ্যান নিয়ে তাঁর গাড়ির গতিরোধ করে। এরপর তাঁকে একটি পিকআপে ও গাড়িচালক রেজাউলকে আরেকটি পিকআপে তোলা হয়। তাঁর টয়োটা এলিয়ন গাড়িটি অপহরণকারীদের একজন চালিয়ে নিয়ে যায়। গাড়িটি পাওয়া যায়নি। গাড়িতে তোলার পরপরই তাঁকে চেতনানাশক কিছু ছিটিয়ে অচেতন করা হয়। জ্ঞান ফিরলে তিনি নিজেকে একটি ঘরে আবিষ্কার করেন। তাঁকে কয়েকজন জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন। তারেক রহমান লন্ডনে কী করেন, তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী, কারা তারেকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন—প্রথম কয়েক দিন ঘুরেফিরে এসব প্রশ্ন করা হয়। জবাবে মুজিবুর বলেছেন, তারেকের সঙ্গে তাঁর সে রকম যোগাযোগ নেই। তবে অপহরণকারীরা সে কথা বিশ্বাস না করে তাঁকে নির্যাতন করতেন। মারধরে তাঁর শরীরের বিভিন্ন জায়গায় কালশিটা পড়েছে।
আনোয়ার হোসেন বলেন, সাড়ে তিন মাসে একবার মাত্র মুজিবুরের ঘর বদলানো হয়। সোমবার ভোরে তাঁকে গাড়িতে তুলে প্রায় এক ঘণ্টা চলার পর টঙ্গীর গ্রামমতো জায়গায় নামিয়ে দেওয়া হয়। পরে তিনি দেখতে পান, বোরকা পরা অবস্থায় রেজাউলকেও নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর পকেটে চার-পাঁচ হাজার টাকা দিয়েছিল অপহরণকারীরা। সেই টাকা থেকে মুজিবুর এক হাজার টাকা দিয়ে রেজাউলকে সুনামগঞ্জে যেতে বলেন। আর তিনি অটোরিকশা নিয়ে গুলশানে আসেন।
‘নিখোঁজ’ চালক রেজাউল: তবে গতকাল বিকেল পর্যন্ত সুনামগঞ্জ শহরের উকিলপাড়ার বাড়িতে পৌঁছাননি গাড়িচালক রেজাউল। রেজাউলের বাবা ওয়াহিদুল হক গতকাল বিকেলে প্রথম আলোকে জানান, সোমবার রাতে টেলিভিশনে মুজিবুর ও রেজাউলের খোঁজ পাওয়ার সংবাদ দেখেন। এরপর তিনি মুজিবুরের ভাতিজা আবুল হোসেনকে ফোন করে জানতে পারেন, রেজাউলকে সুনামগঞ্জে পাঠানো হয়েছে। আনোয়ার হোসেনও একই কথা বলেন। কিন্তু রেজাউল এখনো বাড়ি ফেরেননি।
ওয়াহিদুল হক বলেন, এখন পুলিশ তাঁকে ধৈর্য ধরতে বলছে। তিনি বুঝতে পারছেন না, দুজন একসঙ্গে ছাড়া পেলেন, তাহলে একজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলো, আর তাঁর ছেলেকে এভাবে কেন সুনামগঞ্জে পাঠানো হলো। তাঁর বাড়িতে সোমবার রাত থেকে সাদাপোশাকে পুলিশ অবস্থান করছে।
দুপুরে যোগাযোগ করা হলে সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ বলেন, ‘আমরাও রেজাউলকে খুঁজছি। আমরাও জানি না তিনি কোথায় আছেন। মুজিবুর রহমানই আমাদের বলেছিলেন, তাঁদের দুজনকে একসঙ্গে ছাড়া হয়েছে। পরে তিনি তাঁকে এক হাজার টাকা দিয়ে সুনামগঞ্জে যেতে বলেন।’ তিনি বলেন, ‘এখনো কেন রেজাউল বাড়ি ফেরেননি, এটাই আমরা দেখছি।’
বিকেলে পুলিশ সুপার জানান, সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হেদায়েতুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি দল মুজিবুরের সঙ্গে কথা বলতে ইউনাইটেড হাসপাতালে গেছে।
মুজিবুরের স্বজনেরা জানিয়েছেন, মুজিবুর তাঁদের বলেছেন, পুলিশের মতো পোশাক পরা লোকজন গাড়ি–চালকসহ তাঁকে অপহরণ করেছিলেন। প্রথম কয়েক দিন তাঁকে মারধর করে তারেক রহমানের (বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান) বিষয়ে জানতে চেয়েছেন অপহরণকারীরা।
গত ৪ মে সুনামগঞ্জে বিএনপির এক সমাবেশে যোগ দিয়ে সিলেটে যাওয়ার পথে মুজিবুর ও তাঁর গাড়িচালক নিখোঁজ হন। মুজিবুর যুক্তরাজ্য বিএনপির উপদেষ্টা ও সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য।
মুজিবুরের স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, সোমবার ভোরে অপহরণকারীরা মুজিবুর ও রেজাউলকে গাড়িতে করে এনে চোখ বাঁধা অবস্থায় গাজীপুরের টঙ্গীতে ফেলে যায়। এরপর মুজিবুর এক হাজার টাকা দিয়ে রেজাউলকে সুনামগঞ্জে যেতে বলে নিজে অটোরিকশা নিয়ে সোমবার সকালে রাজধানীর গুলশানে তাঁর শ্যালক আনোয়ার হোসেনের বাসায় যান। পরে তাঁকে ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি সেখানে পুলিশি হেফাজতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
গতকাল ঢাকার ব্রিটিশ হাইকমিশনের একটি প্রতিনিধিদল হাসপাতালে মুজিবুরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। এ ছাড়া, সুনামগঞ্জের একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল বিকেলে তাঁর সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেছে।
ইউনাইটেড হাসপাতালের ক্লিনিক্যাল কো-অর্ডিনেটর মাহিন আজিম গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, মুজিবুর রহমানের বেশ কিছু পরীক্ষা করা হয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও থাইরয়েডের সমস্যায় ভুগছিলেন। তাঁর রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রাও কিছুটা কম। তবে তাঁর কথাবার্তা স্বাভাবিক।
মুজিবুরের শ্যালক আনোয়ার হোসেন গতকাল বিকেলে প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর ভগ্নিপতি তাঁদের বলেছেন, পুলিশের মতো পোশাক পরা একদল লোক দুটি পিকআপ ভ্যান নিয়ে তাঁর গাড়ির গতিরোধ করে। এরপর তাঁকে একটি পিকআপে ও গাড়িচালক রেজাউলকে আরেকটি পিকআপে তোলা হয়। তাঁর টয়োটা এলিয়ন গাড়িটি অপহরণকারীদের একজন চালিয়ে নিয়ে যায়। গাড়িটি পাওয়া যায়নি। গাড়িতে তোলার পরপরই তাঁকে চেতনানাশক কিছু ছিটিয়ে অচেতন করা হয়। জ্ঞান ফিরলে তিনি নিজেকে একটি ঘরে আবিষ্কার করেন। তাঁকে কয়েকজন জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন। তারেক রহমান লন্ডনে কী করেন, তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী, কারা তারেকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন—প্রথম কয়েক দিন ঘুরেফিরে এসব প্রশ্ন করা হয়। জবাবে মুজিবুর বলেছেন, তারেকের সঙ্গে তাঁর সে রকম যোগাযোগ নেই। তবে অপহরণকারীরা সে কথা বিশ্বাস না করে তাঁকে নির্যাতন করতেন। মারধরে তাঁর শরীরের বিভিন্ন জায়গায় কালশিটা পড়েছে।
আনোয়ার হোসেন বলেন, সাড়ে তিন মাসে একবার মাত্র মুজিবুরের ঘর বদলানো হয়। সোমবার ভোরে তাঁকে গাড়িতে তুলে প্রায় এক ঘণ্টা চলার পর টঙ্গীর গ্রামমতো জায়গায় নামিয়ে দেওয়া হয়। পরে তিনি দেখতে পান, বোরকা পরা অবস্থায় রেজাউলকেও নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর পকেটে চার-পাঁচ হাজার টাকা দিয়েছিল অপহরণকারীরা। সেই টাকা থেকে মুজিবুর এক হাজার টাকা দিয়ে রেজাউলকে সুনামগঞ্জে যেতে বলেন। আর তিনি অটোরিকশা নিয়ে গুলশানে আসেন।
‘নিখোঁজ’ চালক রেজাউল: তবে গতকাল বিকেল পর্যন্ত সুনামগঞ্জ শহরের উকিলপাড়ার বাড়িতে পৌঁছাননি গাড়িচালক রেজাউল। রেজাউলের বাবা ওয়াহিদুল হক গতকাল বিকেলে প্রথম আলোকে জানান, সোমবার রাতে টেলিভিশনে মুজিবুর ও রেজাউলের খোঁজ পাওয়ার সংবাদ দেখেন। এরপর তিনি মুজিবুরের ভাতিজা আবুল হোসেনকে ফোন করে জানতে পারেন, রেজাউলকে সুনামগঞ্জে পাঠানো হয়েছে। আনোয়ার হোসেনও একই কথা বলেন। কিন্তু রেজাউল এখনো বাড়ি ফেরেননি।
ওয়াহিদুল হক বলেন, এখন পুলিশ তাঁকে ধৈর্য ধরতে বলছে। তিনি বুঝতে পারছেন না, দুজন একসঙ্গে ছাড়া পেলেন, তাহলে একজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলো, আর তাঁর ছেলেকে এভাবে কেন সুনামগঞ্জে পাঠানো হলো। তাঁর বাড়িতে সোমবার রাত থেকে সাদাপোশাকে পুলিশ অবস্থান করছে।
দুপুরে যোগাযোগ করা হলে সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ বলেন, ‘আমরাও রেজাউলকে খুঁজছি। আমরাও জানি না তিনি কোথায় আছেন। মুজিবুর রহমানই আমাদের বলেছিলেন, তাঁদের দুজনকে একসঙ্গে ছাড়া হয়েছে। পরে তিনি তাঁকে এক হাজার টাকা দিয়ে সুনামগঞ্জে যেতে বলেন।’ তিনি বলেন, ‘এখনো কেন রেজাউল বাড়ি ফেরেননি, এটাই আমরা দেখছি।’
বিকেলে পুলিশ সুপার জানান, সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হেদায়েতুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি দল মুজিবুরের সঙ্গে কথা বলতে ইউনাইটেড হাসপাতালে গেছে।
- Get link
- X
- Other Apps
Comments