Posts

যে হার্ডওয়্যারে ধীরগতির ইন্টারনেট হবে দ্রুতগতির

Image
অনলাইন ডেস্ক  |  আপডেট:  ১৪:৫৬, ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০১৬ ০ Like             নতুন হার্ডওয়্যারে ধীরগতির ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক পাবে দ্রুতগতি। ইন্টারনেটের গতি কম? যাঁরা ধীরগতির ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন, তাঁদের জন্য সুখবর দিচ্ছেন যুক্তরাজ্যের গবেষকেরা। তাঁদের তৈরি নতুন এক ধরনের হার্ডওয়্যার ব্যবহারে ধীরগতির ইন্টারনেট হয়ে যাবে দ্রুতগতিসম্পন্ন। ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের (ইউসিএল) গবেষকেরা নতুন এই হার্ডওয়্যার তৈরি করেছেন, যা ব্র্যান্ডউইথ বাড়িয়ে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা দিতে পারে।  ‘ইটওয়েভ টেকনোলজি’ সাময়িকীতে এই গবেষণা-বিষয়ক নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।  ইউসিএলের গবেষক সিজার আর্কিলিংক বলেন, ‘আমরা সহজ অপটিক্যাল রিসিভার তৈরি করেছি, যা সাশ্রয়ী খরচে তৈরি করা যায় এবং অপটিক্যাল সংকেত কার্যকরভারে ধরে রাখতে পারে।’ বর্তমানে তামার তার ব্যবহার করে যে তথ্য স্থানান্তর করা যায়, এতে সর্বোচ্চ ৩০০ মেগাবিট পার সেকেন্ড গতি পাওয়া যায়। নতুন এই হার্ডওয়্যার ব্যবহারে ১০ গিগাবিট পার সেকেন্ড গতি পাওয়া সম্ভব।  গবেষক সিজার আর্কিলিংক দাবি করেছেন, গবেষক দল অ...

বাংলাদেশ এগিয়ে নিক মাহফুজাকে

Image
নাইর ইকবাল  |  আপডেট:  ১৭:০৬, ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০১৬ ২ Like ৯             ছোটবেলায় মাহফুজার অসম্ভব অভিমান হয়েছিল মায়ের ওপর। শিশু একাডেমি থেকে পাওয়া তাঁর একটি সোনার পদক বাধ্য হয়েই বিক্রি করতে হয়েছিল মা করিমুন্নেসাকে। স্বামীর চিকিৎসার জন্য। জীবনের মৌলিক প্রয়োজন মেটাতেই হিমশিম খাচ্ছেন যিনি, তিনি একটি সোনার পদক জমিয়ে রাখার বিলাসিতা দেখান কী করে!  মেয়ের অভিমানী চেহারাটা দেখে মাথায় হাত বুলিয়ে মা বলেছিলেন, ‘একটু গুছিয়ে উঠি, আমি তোর এই সোনার মেডেল আবার ফিরিয়ে দেব।’ অভিমান হলেও জীবন-সংগ্রামের প্রয়োজনটা বোঝার বুদ্ধিটা কিশোরী মাহফুজার ছিল। চোয়ালবদ্ধ প্রতিজ্ঞা করেছিলেন এমন আরও পদক জেতার। মাহফুজার সেই প্রত্যয় থেকেই গর্বিত আজ তাঁর দেশ। শিলংয়ে দক্ষিণ এশীয় গেমসে সাঁতার পুলে ঝড় তুলে জিতে নিলেন দুটি সোনার পদক। প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে কোনো দক্ষিণ এশীয় গেমসে সাঁতারে সোনার পদক জিতে নাম লেখালেন তিনি ইতিহাসে।  যশোরের অভয়নগরে বেড়ে ওঠা মাহফুজার জীবনটা কুসুমাস্তীর্ণ ছিল না কোনো দিনই। বরং কাঁটা বিছানো পথেই তাঁকে হাঁটতে হয়েছে নিরন্তর। ...

মধু যেভাবে ওজন কমায়

Image
অনলাইন ডেস্ক  |  আপডেট:  ১০:২৫, ফেব্রুয়ারি ১১, ২০১৬ ২ Like ৫             সুমিষ্ট মধুর রয়েছে অনেক গুণ। কাশির সমস্যা থেকে শুরু করে জখম শুকাতে বা সংক্রমণ ঠেকাতে—সবকিছুতে মধুর ব্যবহার করা হয়। কিন্তু মধুর আরেকটি জাদুকরী গুণ আছে। তা হচ্ছে, মধুতে ওজন কমানোর শক্তিশালী উপাদান রয়েছে। গবেষকদের বরাত দিয়ে জিনিউজের প্রতিবেদনে জানানো হয়, যাঁরা ওজন কমাতে চান, তাঁরা চিনির বদলে মধু খেতে পারেন। এটাও মনে রাখতে হবে যে, মধুতে চিনি থাকে, তাই মধু খেতে হবে পরিমাণমতো। প্রশ্ন হচ্ছে, মধু ওজন কমায় কীভাবে বা কীভাবে মধু খেলে উপকার পাওয়া যাবে। এই পদ্ধতির কথা অনেকেই জানেন। মধুর সঙ্গে হালকা গরম পানি আর লেবুর রস মিশিয়ে খেতে হবে। প্রতিদিন সকালে পরিমাণমতো মধু এ পদ্ধতিতে খাওয়া যেতে পারে। যাঁরা ডায়েট করেন, তাঁদের জন্য এটি বেশ উপকারী। যাঁরা ওজন কমানোয় আগ্রহী, তাঁরা চিনির বদলে চা, কফিতেও মধু ব্যবহার করতে পারেন। মধুর অন্য উপকারিতার মধ্যে রয়েছে এটি অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধী উপাদানে পূর্ণ, যা হজম শক্তি বাড়ায়। স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে এবং ক্যানসার, হ...

দাঁত ঝকঝকে করার তিনটি উপায়

Image
অনলাইন ডেস্ক  |  আপডেট:  ২২:৩৩, ফেব্রুয়ারি ১১, ২০১৬ ০ Like             ঝকঝকে সাদা দাঁত মুক্তোর মতো ঝকঝকে সাদা দাঁত, আর মিষ্টি হাসিতে বলে দেওয়া যায় অনেক কথা। কিন্তু অনেক সময় কালো বা হলদে দাঁতের কারণে হাসতে গিয়ে পড়তে হয় দ্বিধা-লজ্জায়। জীবনযাপন আর কিছু অভ্যাসের কারণে দাঁতের এমন রং স্বাভাবিক বিষয়। সাধারণত মদ্যপান, অতিরিক্ত চা-কফি, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার অভাব, ধূমপান প্রভৃতি কারণে দাঁতের রং নষ্ট হয়। দাঁতের স্বাভাবিক রং ফেরাতে অনেকেই চিকিৎসকের কাছে যান। কিন্তু এর চেয়ে সাশ্রয়ী কিন্তু কার্যকরী তিনটি উপায়ে সুন্দর ঝকঝকে দাঁত পাওয়া যায়। লেবু ও বেকিং পাউডারের পেস্ট ঝকঝকে দাঁতের জন্য বেকিং পাউডারের কার্যকারিতার কথা অনেকে শুনে থাকবেন। এই পাউডারের সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে টুথব্রাশে নিয়ে দাঁত মাজুন। মুখে এক মিনিট ধরে এই পেস্ট রেখে দিন এরপর ধুয়ে ফেলুন। এতে অ্যাসিড দাঁতের এনামেলের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারবে না। তবে এই পেস্ট নিয়মিত ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন, তাতে উপকারের বদলে ক্ষতি হতে পারে। স্ট্রবেরি ...

গোটা বছর সুস্থ থাকতে নারীদের জন্যে স্বাস্থ্যগত টিপস

Image
কালের কণ্ঠ অনলাইন    ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ১৭:৪৩   28 শেয়ার মন্তব্য() প্রিন্ট অ-   অ   অ+ একযোগে একাধিক কাজ করতে হিমশিম খায় মানুষের মস্তিষ্ক। তবে নারীরা মাল্টিটাস্কিংয়ে বেশ পারদর্শী। বিভিন্ন গবেষণায় বলা হয়েছে, পুরুষদের চেয়েও এ কাজে দক্ষ নারীরা। সংসার সামলানোসহ ক্যারিয়ার চালিয়ে নিতে নারীদের প্রচুর খাটনি করতে হয়। অথচ তারা মোটেও স্বাস্থ্যসচেতন নন। এখানে বিশেষজ্ঞরা নারীদের জীবনযাপনে কিছু অভ্যাসযোগের পরামর্শ দিয়েছেন। এতে করে সারাবছর দিব্যি সুস্থ থাকবেন তারা। ১. ফিটনেসে প্রধান্য দিন : প্রতিদিন হালকা ব্যায়াম বেশ কাজে দেবে। অ্যারোবিক এবং অন্যান্য ব্যায়ামের মিশ্রণে ডায়াবেটিস, হৃদরোগ এবং বিশেষ কিছু ক্যান্সার প্রতিরোধ সম্ভব। ক্যালোরি গ্রহণ এবং পোড়ানোর ভারসাম্য করে ওজন নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। ২. স্বাস্থ্যকর খাবার খান : আয়রন, ফোলিক এসিড এবং ক্যালসিয়াম গ্রহণ করুন। নারীদেহে এগুলো অতি গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান। এ ছাড়া কৃত্রিম চিনি, প্রক্রিয়াজাত খাবার ইত্যাদি এড়িয়ে চলা জরুরি বিষয়। স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণের মাধ্যমে ডায়রিয়া, কনস্টিপেশন, বাওয়েল সিনড্রোম,...

মহাকাশ স্টেশনের দিনলিপি

Image
আপডেট:  ১০:৪২, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০১৬  |  প্রিন্ট সংস্করণ ২ Like             দেব দুলাল গুহ ঘুম থেকে উঠে, আমরা প্রতিদিন রুটিন মোতাবেক এমন কিছু কাজ করি, যা করার জন্য আমাদের কোনো চিন্তাভাবনার দরকার হয় না। যেমন ধরুন, বালিশ থেকে মাথাটাকে উঁচু করে তোলা, তারপর খাট থেকে নেমে কয়েক পা হাঁটা। দিনের পর দিন একই কাজ একইভাবে করতে করতে সবাই অভ্যস্ত এতে। পৃথিবীর প্রায় সব মানুষের ক্ষেত্রেই ব্যাপারটা এমন। তবে পৃথিবী থেকে ৪০০ কিলোমিটার দূরে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (আইএসএস) থাকা ছয় নভোচারীদের বেলায় ব্যাপারটা আলাদা। আরও একজন নভোচারী শিগগিরই তাঁদের সঙ্গে যোগ দেবেন। জেনে নেওয়া যাক আইএসএসে থাকা একজন নভোচারীর দিনলিপি কেমন হয়! ঘুম থেকে ওঠা মহাকাশ স্টেশনে সূর্যের আলো নয়, বরং মিশন কন্ট্রোলের কৃত্রিম আলো দেখে হয় ঘুম থেকে জাগরণ, ভোর ছয়টায়। সেখানে ঘুমানোর মানে হলো হারমোনি মডিউলের স্লিপিং ব্যাগে ঢুকে চোখ বুজে পড়ে থাকা, আর সারা রাত ভেসে ভেসে কাটিয়ে দেওয়া! তাই ‘ওঠা’, ‘নামা’ শব্দগুলো এখানে আপেক্ষিক। জাগার পর, বাকি কাজগুলো পৃথিবীর মতোই। তবু ...

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

Image
অনলাইন ডেস্ক  |  আপডেট:  ১৫:০৭, আগস্ট ১৯, ২০১৪ ১ Like ৭             ডিমের কুসুম খাওয়া প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে উঠতে পারে বলে বহুল প্রচলিত ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করছেন হালের গবেষকেরা। ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক কিংবা দুপুর-রাতের খাবারে ডিমের একটা মেন্যু ঘুরেফিরে আসবেই যেন। আর ব্যাচেলরদের জীবনে সহজে রান্নার সহজ মেন্যু হিসেবে ডিম তো প্রায় ‘জাতীয় খাদ্য’ই বটে! অবশ্য ডিমের জনপ্রিয়তার পাশাপাশি অনেক দিন ধরেই এই ধারণাও ব্যাপকভাবে প্রচারিত যে, ডিমের কুসুম খাওয়া অনেক সময়ই প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে উঠতে পারে। বিশেষত যাদের হূদরোগ বা এ রোগের ঝুঁকি আছে, তাঁদের ডিমের কুসুম খেতে নিষেধ করা হয়। বলা হয়ে থাকে, ডিমের কুসুমে থাকা ‘স্যাচুরেটেড ফ্যাট’ ও ‘উচ্চমাত্রার কোলেস্টরল’ উচ্চ...

হাঁটু ব্যথায় দিনে দুটি ব্যায়াম

অধ্যাপক সোহেলী রহমান  |  আপডেট:  ০১:৫৫, ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০১৬  |  প্রিন্ট সংস্করণ ০ Like             বয়স বাড়লে একটু-আধটু হাঁটু ব্যথা হতেই পারে। তবে এমন ব্যথায় যাঁরা ভুগছেন, তাঁরা বিশেষ কিছু ব্যায়াম করলে উপকার পাবেন। এই ব্যায়ামগুলোর যেকোনোটিই সারা দিনে দুটি বা তিনটি আলাদা সময়ে করা যাবে, প্রতিবার ব্যায়ামটি করতে হবে ৫-১০ বার।  * দুই হাঁটু সোজা করে পা দুটি টান টান অবস্থায় রাখুন। এভাবে ১০ সেকেন্ড থাকুন। তারপর পা দুটি স্বাভাবিক অবস্থায় রেখে বিশ্রাম নিন। ৫-১০ বার ব্যায়ামটি করুন। শুয়ে বা বসে কিংবা অফিসে কাজের ফাঁকেও এই ব্যায়াম করতে পারেন। * একটি তোয়ালে ভাঁজ করে নিয়ে গোড়ালির নিচে চাপ দিয়ে রেখে শুয়ে থাকুন ১০ সেকেন্ড। এরপর পায়ের চাপ কমিয়ে স্বাভাবিক হোন। একই পদ্ধতিতে ৫-১০ বার ব্যায়াম করুন। * হাঁটুর নিচে তোয়ালে ভাঁজ করে রেখে পায়ের পাতা টান টান করে শুয়ে থাকুন ১০ সেকেন্ডের জন্য। এরপর একই অবস্থানে থেকে পায়ের পাতা স্বাভাবিক রেখে বিশ্রাম নিন। এই পদ্ধতিতে ৫-১০ বার ব্যায়াম করুন। * চেয়ারের পেছনের উঁচু অংশে দুই হাত রেখে দাঁড়ান...

মাত্র ৭ বছর বয়সে কোরআনের হাফেজ!

Image
 ডেস্ক রিপোর্ট  « আগের সংবাদ   37 পরের সংবাদ»    ০১ ফেব্রুয়ারী ২০১৬, ১৩:০৯ অপরাহ্ন লন্ডন: গ্রেট ব্রিটেনের লোটন অঞ্চলের ৭ বছর বয়সী মেয়ে মারিয়া কোরআন মুখস্থ করে বিস্ময়ের জন্ম দিয়েছে। তাকে নিয়ে ব্রিটেনভিত্তিক ওয়েবসাইট ইলমফিড.কম (ilmfeed.com) একটি অনুপ্রেরণামূলক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।  রফিক ইবনে জোবায়েরের করা ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মারিয়া যুদ্ধ কবলিত সিরিয়ার জন্য অর্থ সংগ্রহের লক্ষে একটি দাতব্য প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনায় সূরা ইয়াসিনের প্রতিযোগিতার অংশ নেয়। তখন তার বয়স ছিল মাত্র ৫ বছর।  সে ওই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে দ্রুততম সময়ে সূরা ইয়াসিন মুখস্থ করে ফেলে। তার মুখস্থ করার অসাধারণ দক্ষতার প্রেক্ষিতে তাকে স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় ভর্তি করা হয়। এখানে সে মাত্র দুই বছরে পুরো কোরআন অত্যন্ত সুন্দরভাবে মুখস্থ করতে সক্ষম হয়।  মারিয়ার মায়েরও লক্ষ্য ছিল, সে যেন দ্রুত কোরআন মুখস্থ করতে সক্ষম হয়। তাই মারিয়াকে হাফেজ বানানোর জন্য তাকে গাইড করতে থাকে।  তার ভাষায়, ‘মারিয়া যদিও কোরআনের অর্থ উপলব্ধি করে না, কিন্তু সে খুব ভালোভাবে মুখস্থ করতে পার...

পেয়ারা খেলে যে লাভ

Image
অনলাইন ডেস্ক  |  আপডেট:  ১৭:৩৯, জানুয়ারি ৩১, ২০১৬ ০ Like             পেয়ারা স্বাদ, পুষ্টিগুণ আর স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রাখলে পেয়ারা খেলে প্রচুর লাভ। স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় পেয়ারা রাখা যেতে পারে। এতে আছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন ‘সি’ ও লাইকোপেন—যা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই দরকারি। পেয়ারার বিশেষ পাঁচটি গুণের মধ্যে রয়েছে, এটি ডায়াবেটিসের জন্য উপকারী, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, চোখের জন্য ভালো, পেটের জন্য উপকারী আর ক্যানসার প্রতিরোধী। ডায়াবেটিস রোধে নিয়মিত পেয়ারা খেলে টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে। কারণ পেয়ারায় যে আঁশ আছে, তা শরীরে চিনি শোষণ কমাতে পারে। রোগ প্রতিরোধে পেয়ারায় যে পরিমাণ ভিটামিন ‘সি’ থাকে তা শরীরে গেলে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করে শরীরের রোগ প্রতিরোধ করতে পারে। দৃষ্টিশক্তির জন্য পেয়ারায় থাকা ভিটামিন ‘এ’ চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। রাতকানা রোগ থেকে বাঁচায়। ডায়রিয়া রোধে পেয়ারা ডায়রিয়ার বিরুদ্ধে লড়তে পারে। তাই নিয়মিত পেয়ারা খেলে ডায়রিয়া হওয়ার আশঙ্কা কমে যাবে অনেকটা। পেয়া...