Posts

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ও ফল প্রশ্নবিদ্ধ

Image
শেখ সাবিহা আলম | ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৫    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর যখন সংবাদ সম্মেলন করে পরীক্ষা স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু হওয়ার দাবি করছে, তখন মেডিকেল কলেজে ভর্তির ‘ফাঁস’ হওয়া প্রশ্ন ঘুরছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। আর চলমান অভিযোগের মধ্যেই স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গতকাল রোববার দুপুরের আগেই অনেকটা তড়িঘড়ি করে ভর্তি পরীক্ষার ফল ঘোষণা করল। অবশ্য এ ফলকে এবার ‘ভালো’ বলে দাবি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের মতে, ছেলেমেয়েরা এবার খুব পড়ালেখা করেছে। এদিকে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে রাজধানীসহ দেশের কমপক্ষে আটটি জেলায় গতকাল সকাল থেকে মেডিকেল কলেজে ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা সংবাদ সম্মেলন, মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন। মেডিকেলে নতুন করে পরীক্ষা নেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে গতকাল হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছেন আইনজীবী মো. ইউনূছ আলী আকন্দ। চিকিৎসকদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কেন্দ্রীয় কমিটির একজন নেতা বলেছেন, তাঁরাও মনে করেন, প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন তোলা হয়েছে অবিশ্বাস্য দ্রুততায় ফল প্রকাশ ও নম্বরের বাড়াবাড়ি দেখে। পরীক্ষা বাতিলের দাবি জ...

বাঙালিকে মানুষ করছে বাংলাদেশের বাঙালিরা

Image
আনিসুল হক | ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৫    এই লেখাটি উসকে দিয়েছে কলকাতা থেকে প্রকাশিত পাক্ষিক দেশ পত্রিকার একটা লেখা। ২ সেপ্টেম্বর ওই পত্রিকায় সুমিত মিত্র লিখেছেন, ‘বাঙালি মানেই দশটা-পাঁচটার চাকরি।’ সুমিত মিত্র বলছেন, বাঙালি বলতে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এখন বাংলাদেশের মানুষকে বোঝায়। তাঁর ভাষায়, ‘পৃথিবীর সব প্রান্তে, বিশেষ করে উন্নত দেশসমূহে, “বাঙালি” পরিচয়টির অর্থ বাংলাদেশের মানুষ।’ সুমিত মিত্র বলছেন, পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিরা চাকরি খোঁজে, অক্সফোর্ড বা কেমব্রিজকেই তার জীবনের গন্তব্য মনে করে, কিন্তু দেশে হোক, কিংবা বিদেশে হোক, কঠোর শারীরিক পরিশ্রমের কাজ করে না, ফলে তাদের হাতে ব্যবসা করার পুঁজি আসে না, ফলে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে বাংলাদেশ থেকে যাওয়া মানুষদের এখন দেখা যাচ্ছে বড় বড় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান চালাচ্ছে, আবার রাস্তায় হয়তো ফেরিওয়ালার কাজও করছে—কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিদের সেখানে খুঁজে পাওয়া যায় না। সুমিত মিত্র লিখেছেন, ‘শুধু ইতালি নয়, ফ্রান্স, স্পেনসহ ইউরোপের প্রায় সব দেশেই চীনা-জাপানি বাদ দিয়ে সবচেয়ে পরিচিত এশীয় মুখটি হচ্ছে বাংলাদেশের।’ ব্রিটেনে বাংলাদেশের মানুষেরা ...

ভাতের পাতে লালশাক!

Image
অধুনা প্রতিবেদক  |  আপডেট:  ০১:০২, সেপ্টেম্বর ০২, ২০১৫  |  প্রিন্ট সংস্করণ ০ Like       খুব পরিচিত সবজি লালশাক। বাড়ির আঙিনা হয়ে বিস্তৃত মাঠে চাষ হয় সবজিটির। একটা সময় শীতকালীন সবজি হিসেবে এটি পরিচিতি পেলেও এখন বছরজুড়েই পাওয়া যায় লালশাক। ভাজি কিংবা রান্না করেই খাওয়া হয় সবজিটি। মজার ব্যাপার হলো, রান্নার পরেও সবজিটি লাল রং ছড়াতে থাকে। বারডেম জেনারেল হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ আখতারুন নাহার আলো বলেন, লালশাক দেখতে যেমন ভালো, স্বাদেও অনন্য। এবার জেনে নিন লালশাকের আদ্যপান্ত। রক্তশূন্যতা রোধে লালশাক খেতে পারেন। এই শাকে থাকে প্রচুর পরিমাণে আয়রন । এই আয়রন শরীরে নতুন রক্তকোষ তৈরিতে সহায়তা করে, অ্যানিমিয়া রোগ দূরে রাখে। লালশাক রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দিতে সক্ষম। সেই সঙ্গে কোলেস্টেরলের মাত্রাও নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। নিয়মিত খেলে রাতকানা রোগ এড়ানো যায়। সেই সঙ্গে বয়সজনিত ছানি পড়ার প্রবণতাও কমে । গর্ভবতী নারী ও মায়েদের পুষ্টি পূরণে লালশাক খুব প্রয়োজনীয়। লালশাকে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, যেটি চোখের...

মিষ্টিকুমড়ার মিষ্টতা

Image
অধুনা প্রতিবেদক  |  আপডেট:  ০১:৩৭, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৫  |  প্রিন্ট সংস্করণ ০ Like       অক্টোবরের শেষে হ্যালোউইন উৎসবের সময় পাশ্চাত্যের দেশগুলোতে মিষ্টিকুমড়ার চাহিদা বেশ বেড়ে যায়। পাকা মিষ্টিকুমড়া খোদাই করে বিশেষ ধরনের বাতি জ্বালানোর রীতি আছে তাদের। আমাদের দেশে তেমন কোনো রীতি না থাকলেও বারোমাসি সবজি হিসেবে এটি বেশ সমাদৃত। হাতের নাগালে পাওয়া যায়, খেতেও সুস্বাদু। পুষ্টিগুণও বেশ। ঢাকার বারডেম জেনারেল হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ পুষ্টিবিদ শামছুন্নাহার নাহিদ বলেন , শর্করা বেশি থাকায় এটি শরীরে শক্তি বাড়ায়। পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, আয়রন, জিঙ্ক, ফসফরাস ও কপারের মতো দরকারি খনিজ উপাদানের উপস্থিতি মিষ্টিকুমড়াকে অনন্য সবজিতে পরিণত করেছে। ভিটামিনের মধ্যে এ, বি-কমপ্লেক্স, সি এবং ই পাওয়া যায় এই জাতের কুমড়ায়। এ ছাড়া মিষ্টিকুমড়ার বেটা-ক্যারোটিন ক্যানসার প্রতিরোধক কোষ গঠনে সাহায্য করে। মিষ্টিকুমড়ার ক্যারোটিনয়েড চোখের ছানি পড়া রোধের পাশাপাশি রেটিনা কোষ রক্ষা করে। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় মিষ্টিকুমড়া তাই আপনার চোখের সুস্বাস্থ্য ...

মাংসের নানা পদের সঙ্গে পোলাও কিংবা বিরিয়ানি তো চাই-ই।

Image
পোলাও-খিচুড়ি চাই! ঝরঝরে পোলাও উপকরণ পোলাওয়ের চাল ১ কেজি, পেস্তা ও কাঠবাদাম আধা কাপ, ঘি ১ কাপ, এলািচ ৪টি, দারুচিনি ৫টি, গুঁড়া দুধ আধা কাপ, তেজপাতা ২–৩টি, পেঁয়াজ বেরেস্তা ১ কাপ, গরম পানি চালের দেড় গুণ, চিনি সিকি কাপ, আলু বোখারা ৭টি, লবণ প্রয়োজনমতো, কেওড়া জল ২ টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচ ৮–১০টি ও কিশমিশ সিকি কাপ। প্রণালি অল্প ঘিয়ে কিশমিশ ও বাদামগুলো ভেজে নিন। চাল ধুয়ে ১০ মিনিট ভিজিয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। হাঁড়িতে ঘি, বেরেস্তা, গুঁড়া দুধ, তেজপাতা, গরমমসলা, লবণ ও পানি দিন। ফুটে উঠলে চাল দিয়ে নেড়ে ঢাকনা দিয়ে বেশি জ্বালে রান্না করুন। চাল ও পানি সমান হলে আর একবার নেড়ে তাওয়ার ওপর মৃদু আঁচে দমে বসান। ১০ মিনিট পর ঢাকনা খুলে বাদাম ও কিশমিশ ছড়িয়ে দিয়ে পোলাও হালকা চেপে দিন। আলু বোখারাগুলো পোলাওয়ের ফাঁকে ফাঁকে গুঁজে দিন। ওপরে অল্প বেরেস্তা ছড়িয়ে ১০ মিনিট দমে রেখে নামিয়ে পরিবেশন করুন। পোলাওয়ের সঙ্গে যদি বাদামবাটা অথবা নারকেলবাটা দিতে চান, তাহলে যখন পানি ফুটানো হবে, তখনই দিয়ে দিতে হবে। ১ কেজি পোলাওয়ের জন্য ২ টেবিল চামচ করে দিতে হবে। খানদানি খিচুড়ি উপকরণ ক.  পোলাওয়ের চাল ৩ কাপ, মুগ ডাল ১ ...

কালো আর লাল কালির পথ-দুই

Image
গ্লোরিয়া আনজালদুয়া, অনুবাদ: জেসিকা ইসলাম | ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৫ (পূর্ব প্রকাশের পর) আমার জেগে দেখা স্বপ্নগুলো মূলত বদল নিয়ে। চিন্তা চেতনার বদল, বাস্তবতার বদল, লিঙ্গের বদল। একজন মানুষের আকৃতি রূপান্তরিত হয় অন্য পৃথিবীতে। যেখানে জনপদ বাতাসে উড়ে বেড়ায়, বেঁচে ওঠে নশ্বর ক্ষত থেকে। আমি নিজেকে নিয়েই খেলছি, আমি পৃথিবীর আত্মা নিয়ে খেলছি। আমি আধ্যাত্মিক পৃথিবীর সঙ্গে আমার নিজেরই সংলাপ, আমি নিজেকে বদলাই, পৃথিবীও বদলে যায়। মাঝে মাঝে আমি কল্পনা শক্তিকে আরও ভিন্ন ভাবে ব্যবহার করি। আমি শব্দ, ছবি, শারীরিক অনুভূতি বেছে নিয়ে আমার চেতনায় প্রয়োগ করি। এভাবেই আমার বিশ্বাস আর চেতনাবোধকে নতুন ভাবে সৃষ্টি করি। এর মধ্যে দিয়েই আমি আমার ভেতরের দৈত্যদের সম্মুখীন হই। তারপর আমি সিদ্ধান্ত নেই আমি কাদের আমার সত্তার মধ্যে রাখব। যাদের আমি চাই না তাদের আমি অনাহারে রাখি। তাদের আমি কোনো শব্দ কোনো ছবি কোনো অনুভূতি উৎসর্গ করি না। আমি তাদের কোনো সময় দিই না বা আমার ঘরে আশ্রয় দিই না। অবহেলিত হয়ে তারা চলে যায়। এটা করা শুধু গল্প তৈরি করার থেকেও অনেক কঠিন। এভাবে আমি বেশিক্ষণ চলতে পারি না। আমি আমার ভেতরের আখ্যানের কথ...

কচুশাকের কথা

Image
গুণাগুণ অধুনা প্রতিবেদক | ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৫    আয়রনসমৃদ্ধ খাবার হিসেবে কচুশাকের খ্যাতি আছে। বাংলাদেশেও বেশ সহজপ্রাপ্য। ইলিশ, চিংড়ি ও শুঁটকি মাছের সঙ্গে মুখরোচক খাবার হিসেবে বেশ সুস্বাদু। পুষ্টিগুণও নেহাত কম না। কচুশাকের প্রধান উপাদান আয়রন রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিক রেখে শরীরে অক্সিজেন সরবরাহ বজায় রাখে। জানালেন বারডেম জেনারেল হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ পুষ্টিবিদ শামছুন্নাহার নাহিদ। তিনি বলেন, প্রতি ১০০ গ্রাম কচুশাকে ৩৯ গ্রাম প্রোটিন, ৬.৮ গ্রাম শর্করা, ১৫ গ্রাম চর্বি, ২২৭ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ১০ মিলিগ্রাম আয়রন, ৫৬ কিলোক্যালরি খাদ্যশক্তি এবং ভিটামিন এ, বি ৬ ও সি আছে। কচুর ডগা, বিশেষ করে কালো কচুশাকে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে। যারা রক্তশূন্যতায় ভুগছে এটি তাদের জন্য একরকম আবশ্যক বলা চলে। রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে গেলে শরীরে অক্সিজেন সরবরাহ কমে যায়। এতে দুর্বলতা, দৃষ্টিশক্তি হ্রাসসহ নানা ধরনের রোগের উপসর্গ দেখা দিতে পারে। কচুশাকের আয়রন রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিক রেখে রোগপ্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়। এই শাক সরাসরি শরীরের নির্দিষ্ট কোনো অঙ্গপ্রত্যঙ্গের রোগ দূর করে ...

বুঝেশুনে সন্তান মানুষ করছেন তো?

Image
মেখলা সরকার | ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৫    শিশু বড় হয়ে কেমন মানুষ হবে? তার অনেকখানিই নির্ধারিত হয়ে যায় তার শৈশব ও কৈশোরেই। একটা বয়স পর্যন্ত মা-বাবা বাচ্চাকে অতিরিক্ত আহ্লাদ-আদর দেন। এরপর সন্তান যখন বয়ঃসন্ধির বয়সে পা দেয়, তখন থেকে শুরু হয় সমস্যা। মা-বাবা সন্তানের বয়সের নানা ধাপের সঙ্গে নিজেদের মানসিকতার পরিবর্তন করতে পারেন না অনেক সময়। মা-বাবার জন্য কিছু কথা— কর্তৃত্বপরায়ণ সন্তানপালন বাবা-মা সন্তানদের কঠিন নিয়ম-শৃঙ্খলে বড় করেন এবং সামান্য ত্রুটি-বিচ্যুতি হলেই শাস্তি দেন। এমন ক্ষেত্রে সন্তানেরা বড় হলে মানসিকভাবে হীনম্মন্য বা ভিতু প্রকৃতির হয়। সন্তানের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করা এ ক্ষেত্রে সন্তানের সঙ্গে বাবা-মায়ের মানসিক যোগাযোগ খুবই কম থাকে। শুধু সন্তানের মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ করা ছাড়া সময় একেবারেই দেন না। ছেলেমেয়েরা বড় হয় একা একা। কোনো রকম যত্ন ছাড়া। এ ধরনের ছেলেমেয়েরা নানাভাবেই বিপথগামী হতে পারে, মূল্যবোধের দৃঢ় ভিত্তি এদের গড়ে ওঠে না। পারমিসিভ প্যারেন্টিং এ ক্ষেত্রে সন্তানের সঙ্গে বাবা-মায়ের দৃঢ় মানসিক যোগাযোগ থাকে। এ ক্ষেত্রে একধরনের সতর্ক দৃষ্টির মাধ্যমে শিশু স্বাধীনভা...

পেশিশক্তি চান? আপেল আর সবুজ টমেটো খান

Image
কালের কণ্ঠ অনলাইন আমেরিকার লোয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা পেশির সুগঠনের উপায় খুঁজে পেয়েছে। তারা আপেল এবং সবুজ টমেটোতে দুটো প্রাকৃতিক উপাদান পেয়েছেন যা পেশির বয়স ধরে রাখতে সহায়তা করে। মূলত পেশিকে দুর্বল করে দেওয়া বিশেষ এক প্রোটিন খুঁজতে গিয়েই এ আবিষ্কার করে ফেলেন তারা। এটিএফ৪ নামের প্রোটিন পেশির প্রোটিন সিনথেসিস, শক্তি এবং সামর্থ্য কমাতে থাকে। এটি খুঁজতে গিয়ে আপেলে খুঁজে পান আরসোলিক এসিড । আর সবুজ টমেটোতে পেয়েছেন টোমাটিডাইন । এ দুটো উপাদান পেশিকে শক্তি প্রদান করে এবং বয়সের সঙ্গে পেশির বুড়িয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয়। প্রধান গবেষক ক্রিস্টোফার অ্যাডামস জানান, আরসোলিক এসিড এবং টোমাটোডাইন পেশির দুর্বলতায় দারুণ কার্যকর হয়ে হঠে। আবার বয়স বাড়ার সঙ্গে পেশি দুর্বল হতে থাকলেও উপাদান দুটি ক্রিয়াশীল হয়। বয়স্কালে পেশির দুর্বলতা ঠিক কি কারণে ঘটে তা বুঝতে এ দুটি উপাদানকে কাজে লাগানো যাবে বলেও মনে করেন তিনি। উপাদান দুটি ইঁদুরের ওপর প্রয়োগ করে দেখা গেছে, তাদের পেশির দুর্বলতা ১০ শতাংশ হারে কমে গেছে। জার্নাল অব বায়োলজিক্যার কেমিস্ট্রি-তে গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে। সূত্র : হ...

সরাসরি নিজের ফাইলে প্রবেশ ঠেকাতে

০৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৫    উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেমে কুইক অ্যাকসেস নামে নতুন বৈশিষ্ট্য যোগ হয়েছে। এতে ক্লিক করলেই সাম্প্রতিক ব্যবহৃত ফাইল, ফোল্ডার, ডকুমেন্টস দেখা যায়। এটি উইন্ডোজ ৮.১-এ এক্সপ্লোরার নেভিগেশন ফেভারিটস নামে ছিল। উইন্ডোজ ১০ যাঁরা ব্যবহার করছেন, খেয়াল করলেই দেখবেন ফাইল এক্সপ্লোরারে ক্লিক করলে সরাসরি কুইক অ্যাকসেস চলে আসে এবং সম্প্রতি ব্যবহৃত ফাইলগুলো সেখানে দেখা যায়। অনেক সময় এক কম্পিউটার অনেকে ব্যবহার করলে ব্যক্তিগত ফাইল অন্যজন দেখে ফেলার সম্ভাবনা থাকে। চাইলে এটি বন্ধ করতে পারবেন সহজেই। সাধারণত উইন্ডোজ এক্সপ্লোরারে ওপরের বাম পাশের তালিকায় Quick Access থাকে। আর Win Key + E একসঙ্গে উইন্ডোজ এক্সপ্লোরার চালু হবে এবং সরাসরি কুইক অ্যাকসেস ফোল্ডার দেখাবে। এটি বন্ধ করতে এক্সপ্লোরারের ওপরের রিবন থেকে View ট্যাবে ক্লিক করুন। ডান পাশের কোনায় Options বোতামে ক্লিক করুন। তাহলে Folder Options খুলে যাবে। এভাবে খুলতে না পারলে স্টার্ট মেনুতে গিয়ে Folder Options লিখেও খুলতে পারবেন।  এখন ফাইল এক্সপ্লোরারের Open File Explorer to থেকে This PC নির্বাচন করে ওকে করল...

,২৫ মিনিটের হাঁটায় আয়ু বাড়বে ৭ বছর

Image
দিনে অন্তত ২৫ মিনিট দ্রুত হাঁটুন। এতেই আপনার আয়ু বেড়ে যাবে সাত বছর। আর নিয়মিত ব্যায়াম ৫০ বা ৬০ বছর বয়সেও হার্টঅ্যাটাকে মৃত্যুর ঝুঁকি কমিয়ে দেবে অর্ধেক। ইউরোপিয়ান সোসাইটি অব কার্ডিওলজির একটি নতুন গবেষণায় উঠে এসেছে এ চিত্র। এ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট। প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, যুক্তরাজ্যে হৃদ্‌রোগের কারণে প্রতি সাত সেকেন্ডে একজন মারা যায়। স্থূলতা এবং ডায়াবেটিসের রোগীদের আকস্মিক হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। নিয়মিত ব্যায়াম স্থূলতা ও ডায়াবেটিসের প্রবণতা কমিয়ে মৃত্যুঝুঁকি কমিয়ে দেয়। গবেষণার অংশ হিসেবে জার্মানির সারল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩০ থেকে ৬০ বছর বয়সী অধূমপায়ী ৬৯ জনের একটি দলের ওপর জরিপ পরিচালনা করা হয়। জরিপের জন্য যে ৬৯ জনকে বাছাই করা হয় তাঁরা নিয়মিত ব্যায়াম করতেন না। পরে তাঁদের নির্দিষ্ট কিছু শারীরিক ব্যায়াম করিয়ে এবং প্রতি ছয় মাস অন্তর অন্তর রক্ত পরীক্ষা করে গবেষণার ফল নির্ধারণ করা হয়। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়েছেন, সবার প্রতিদিন নিয়মিত অন্তত ২৫ মিনিট হাঁটা বা জগিং করা উচিত। যে বয়সেই ব্যায়াম শুরু করা হোক না কেন তা জীবন যাপনে একটা পরিবর্তন আনবে।...

পরীক্ষার শেষ সময়ে যা করতে পারেন

Image
সুশান্ত পাল | ২৮ আগস্ট, ২০১৫    লেখাটি যখন পড়ছেন, তার ঠিক তিন দিন পর থেকেই পরীক্ষা শুরু। আমি পরীক্ষার্থী হলে এ সময়ে যা যা করতাম এবং পরীক্ষার হলে যা যা করেছি, নিচে লিখলাম * নিশ্চয়ই সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং বাংলা এখন না পড়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে পড়ার জন্য রেখে দিতাম। * কোন প্রশ্নে কত সময় দেব, সেটা প্রশ্নের গুরুত্ব এবং সময়বণ্টন অনুযায়ী ঠিক করে ফেলতাম। * কে কী পড়েছে, সে খবর কিছুতেই নিতাম না। এ সময়ে মনমেজাজ খারাপ করার তো কোনো মানেই হয় না। * যা যা পড়েছি, তার তেমন কিছুই মনে থাকবে না, এটা মেনে নিতাম। * পরীক্ষায় বেশির ভাগ প্রশ্নের উত্তরই ওই মুহূর্তে মাথায় যা আসে তা-ই, কিংবা মাথায় কিছু না এলেও জোর করে এনে, লিখে দিয়ে আসতে হয়। তাই এত দিন যত কিছু পড়েছি, সেসব কিছুতে খুব দ্রুত চোখ বুলিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করতাম, যাতে পরীক্ষার হলে কোনো প্রশ্ন একেবারে আনকোরা মনে না হয়! * পেনসিল, কলম, রাবার, চৌকোনা স্কেল, ক্যালকুলেটর এসব গুছিয়ে রাখতাম। পরীক্ষার হলে কয়েকটা ‘চালু কলম’ নেওয়া ভালো। (আমি মূল খাতাটির পৃষ্ঠাগুলোতে চারদিকে মার্জিন করে, অতিরিক্ত পৃষ্ঠাগুলোর...