শিশুর রোগ প্রতিরোধে গর্ভাবস্থায় ভিটামিন ডি খান


অনলাইন ডেস্ক
গর্ভাবস্থায় সম্পূরক হিসেবে ভিটামিন ডি গ্রহণ নবজাতক শিশুর রোগ প্রতিরোধব্যবস্থায় ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। অ্যাজমা ও শ্বাসনালির সংক্রমণ থেকে শিশুকে এই ভিটামিন ডি রক্ষা করে বলে মনে করা হচ্ছে। যুক্তরাজ্যের এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।
গবেষণায় দেখা গেছে, অন্তঃসত্ত্বা নারীদের মধ্যে যাঁরা সুপারিশকৃত মাত্রার চেয়ে বেশি মাত্রায় ভিটামিন ডি গ্রহণ করেন, তাঁদের নবজাতক শিশুর রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা উন্নততর।
গবেষণায় নেতৃত্ব দেওয়া লন্ডনের কিংস কলেজের গবেষক ক্যাথেরিন হরালোভিচ বলেন, ‘বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অ্যাজমা শিশুকালেই ধরা পড়ে। এতে করে ধারণা করা হয়, শিশু বয়সে বা ভ্রূণ অবস্থায় থাকাকালেই শিশুরা এই রোগে আক্রান্ত হয়।’
গর্ভাবস্থার শেষ ছয় মাসে সম্পূরক হিসেবে প্রতিদিন ৪ হাজার ৪০০ আইইউ (আন্তর্জাতিক ইউনিট) এবং সুপারিশকৃত ৪০০ আইইউ ভিটামিন ডি৩ গ্রহণের ফলে এর কার্যকারিতা কি হয়—তা পর্যবেক্ষণ করেছেন গবেষকেরা। গবেষণা প্রতিবেদনটি সাময়িকী অ্যালার্জি অ্যান্ড ক্লিনিক্যাল ইম্যুনোলোজিতে প্রকাশিত হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, গর্ভাবস্থায় উচ্চমাত্রায় ভিটামিন ডি গ্রহণের ফলে তা নবজাতকের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করে; অ্যাজমা হওয়া আশঙ্কা কমানোসহ শিশুকালে শক্ত রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা গড়ে তোলে। গবেষক দলের ধারণা, এই ভিটামিন ডি গ্রহণের ফলে শিশুর শ্বাসযন্ত্রের উন্নতিতে ভূমিকা রাখে।
ক্যাথেরিন হরালোভিচ বলেন, ‘গবেষণায় ভিটামিন ডি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার মধ্যে সম্পর্ক পর্যবেক্ষণ করা হয়। এই প্রথম আমরা দেখিয়েছি যে গর্ভাবস্থায় উচ্চমাত্রায় ভিটামিন ডির উপস্থিতি থাকলে তা কার্যকরভাবে নবজাতকের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়; যা অ্যাজমা হওয়ার হাত থেকে শিশুকে রক্ষা করতে পারে। এই ভিটামিন ডি শিশুর শরীরে দীর্ঘমেয়াদি কী প্রভাব ফেলে তা আগামী গবেষণায় দেখা উচিত।

Comments

Popular posts from this blog

কিডনি ভালো রাখতে যখন তখন ওষুধ নয়