খাওয়া হয় না, কিন্তু প্রতিদিনই খাওয়া প্রয়োজন যে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট

কালের কণ্ঠ অনলাইন   
১২ এপ্রিল, ২০১৬ ১৬:২৩


খাওয়া হয় না, কিন্তু প্রতিদিনই খাওয়া প্রয়োজন যে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট
দারুণ স্বাস্থ্যকর ও স্বাদের ফ্যাটপূর্ণ খাবারটি নাম ঘি, যাকে বলা হয় ক্লারিফইড বাটার। সুস্বাদু তরকারি থেকে শুরু করে ডালে পর্যন্ত খাঁটি ঘিয়ের ব্যবহার করা যায়। এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলের অতি জনপ্রিয় একটি খাবার। পশ্চিমা বিশ্বেও এর কদর বেড়ে চলেছে। ঘিয়ের অনবদ্য গুণ সম্পর্কে যারা জানেন না, তাদের জানান দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ ম্যারিগ্রেস টেইলর
ঘি আসলে কি? এটা হলো মাখন থেকে দুধের নিরেট অংশ বাদ দেওয়া। লবণ মিশ্রিত না করে যে মাখন প্রস্তুত হয় তাকে গলিয়ে ঘি পাওয়া যায়। এটি ফুটিয়ে সাদা দুধের প্রোটিনের  অংশ বাদ দেওয়া হয়। ফলে সোনালী রংয়ের একটা ঘন তরল মেলে যার স্বাদ গতানুগতিক মাখনের চেয়ে অনেক ভালো। একে উচ্চ তাপমাত্রায় ফোটানো যায়। তাতেও এটি স্মোকিং পয়েন্টে যাবে না। অর্থাৎ, এ গুণাগুণ নষ্ট হবে না। ফ্রিজে বা এমনিতেই অনেক দিন সংরক্ষণ করা যায়।
অন্যান্য মাখনের তুলনায় ঘি ওজন কমাতে অনেক বেশি সহায়ক। এতে কনজুগেটেড লিনিওলিক এসিডে পূর্ণ। এটি এমন এক ফ্যাটি এসিড যা দুগ্ধজাত পণ্যে পাওয়া যায়। গবেষণায় প্রমাণ মিলেছে, পেটে চর্বি কমাতে ঘি অতুলনীয় খাবার। নিউ ইয়র্ক হেলথ অ্যান্ড ওয়েলনেসের পুষ্টিবিজ্ঞানী জ্যাকি জাস্টিস এসব তথ্য জানান। অন্যান্য স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের মতোই ঘি দীর্ঘক্ষণ পেটে থাকে এবং ক্ষুধা লাগে না।
পেটে সমস্যা বা কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে ঘি উপকার দেয়। এতে আছে বুটাইরিক এসিড যা পেটের ব্যথা দূর করতে সহায়তা করে। অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার দেখভাল করে ঘি। যাদের দুগ্ধজাত খাবার খেলে সমস্যার সৃষ্টি হয়, তাদের জন্যে ঘি দারুণ কাজের।
এত কিছু জানার পরও হয়তো এক চামচ ঘি খেতে অনেকেই অনাগ্রহ প্রকাশ করেন। এর এক চামচে অলিভ ওয়েল বা নারকেল তেলেরে মতোই ক্যালোরি রয়েছে। প্রতি টেবিল চামচে আছে ১২০ ক্যালোরি। পশ্চিমা বিশেষজ্ঞরা প্রতিদিন দুই টেবিল চামচ ঘি যেকোনো খাবারের সঙ্গে খেতে বলেনসেদ্ধ সবজি বা ডিম বা একবাটি ওটমিলের সঙ্গে এটি অনায়াসে উপভোগ করা যায়। রান্নাতে ঘিয়ের ব্যবহার সবচেয়ে ভালো। কারণ এর স্মোক পয়েন্ট অনেক বেশি।
বাজারে অনেক ভালো মানের ক্লারিফাইড বাটার পাওয়া যায়। এগুলো কিনে প্রতিদিনই খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। সূত্র : ফক্স নিউজ
- See more at: http://www.kalerkantho.com/online/lifestyle/2016/04/12/346818#sthash.Kmw2Bash.dpuf

Comments

Popular posts from this blog

কিডনি ভালো রাখতে যখন তখন ওষুধ নয়