ভোটকেন্দ্রে না যেতে হুমকি, আতঙ্ক ছড়াতে অভিযান
নির্বাচনের আগে দলীয় মেয়র পদপ্রার্থী এবং দলের নেতা-কর্মীদের মারধর করে আতঙ্ক সৃষ্টির অভিযোগ করেছে বিএনপি। এ ছাড়া ভোটকেন্দ্রে না যেতে হুমকি-ধমকির পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত বিএনপির প্রার্থীদের একাধিক নির্বাচন সমন্বয়কারীসহ ৭০ জন নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে। আতঙ্ক ছড়াতে ক্ষমতাসীন দলের সন্ত্রাসীরা বেশ কিছু পৌরসভায় মোটরসাইকেল দিয়ে মহড়া দিয়েছে।
রোববার রাত থেকেই অধিকাংশ নির্বাচনী এলাকায় গ্রেপ্তার অভিযান চলছে। ভোটের দিন কেরামতি দেখানোর জন্যই এসব অভিযান চালানো হচ্ছে রুহুল কবির রিজভী যুগ্ম মহাসচিব, বিএনপি
গতকাল সকালে ও সন্ধ্যায় রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে দলের যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এসব অভিযোগ করেন।
রিজভী বলেন, গত রোববার রাত থেকেই অধিকাংশ নির্বাচনী এলাকায় গ্রেপ্তার অভিযান ও হুমকি চলছে। ভোটের দিন কেরামতি দেখানোর জন্যই এসব অভিযান চালানো হচ্ছে। উড়ো খবরের দোহাই দিয়ে পুলিশ-র্যাবের এই অপতৎপরতা মূলত একটি কারসাজি। এর কারণ, বিএনপির নেতা-কর্মী ও জনগণ যাতে ভোট দিতে না যান।
হামলা-ভাঙচুর ও ভয়ভীতি প্রদর্শন: সংবাদ সম্মেলনে রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করেন, মুন্সিগঞ্জ ও মিরকাদিম পৌরসভায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সরকারদলীয় সন্ত্রাসীদের তাণ্ডবে বিএনপির নেতা-কর্মীরা এলাকায় থাকতে পারছেন না। জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ১০টি মাইক্রোবাসে করে এসে বিরোধী দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের এলাকা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য হুমকি দিচ্ছেন।
ঝিনাইদহের শৈলকুপায় ধানের শীষের প্রার্থী খলিলুর রহমান ও হরিণাকুণ্ডে বিএনপির নেতা শামীম মিসি বিরোধীদের হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন। মোরেলগঞ্জে বিএনপির প্রার্থী আবদুল মজিদ জাব্বারের বাসায় হামলায় তাঁর স্ত্রীসহ ২০ জন আহত হয়েছেন। মাটিরাঙ্গায় বিএনপি নেতা আবু তাহেরকে না পেয়ে তাঁর ছেলে বাদশাসহ আটজনকে পিটিয়েছে সন্ত্রাসীরা।
জামালপুরে মোটরসাইকেলে সন্ত্রাসীরা বিএনপির প্রার্থী ওয়ারেস আলীর চারটি নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুর এবং প্রার্থীর ভাইকে মারধর ও তাঁর ব্যক্তিগত গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। জামালপুরে বিএনপির কর্মী শাহারিয়ার সাজু, আবদুল হাকিম, হিরা ও নুরুল আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জামালপুরের মাদারগঞ্জে প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম অবস্থান করে বিভিন্নভাবে প্রভাব বিস্তার করছেন এবং বিএনপির নেতা-কর্মীদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছে দলটি।
সিরাজগঞ্জে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইকবাল হাসান মাহমুদের বাড়িতে হামলা হয়েছে। কুয়াকাটা পৌরসভায় ধানের শীষের প্রার্থী আবদুল আজিজকে গতকাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে চড় ও লাথি মারেন ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীরা। তাঁদের সামনেই ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী আলী আক্কাসের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। আলমডাঙ্গায় সাবেক কমিশনার হাফিজুর রহমান ও যুবদলের নেতা সোহাগকে সন্ত্রাসীরা মারধর করে। বিএনপির কর্মী সাগরের বাড়িতে ভাঙচুর করে তাঁর মোটরসাইকেলটি নিয়ে যায়।
যশোরের মনিরামপুর থানা যুবদলের সভাপতি ও মেয়র পদপ্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট তুহিন ও ছাত্রদলের নেতা ফারুককে মারধর করা হয়। রামগঞ্জে বিএনপি প্রার্থীর বাড়িতে ভাঙচুর ও রায়পুরে দলীয় প্রার্থীর হাসপাতাল ভাঙচুর করে সেখানে তাঁকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। সেখানে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মনিরুল ইসলাম হাওলাদারের বাসায়ও হামলা হয়।
৭০ জন গ্রেপ্তার: হবিগঞ্জে বিএনপি প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট সামসু মিয়া চৌধুরী, দলের নেতা সালেহ উদ্দিন ও আল আমিনকে ডিবি পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। নলছিটিতে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী কাজী জাহাঙ্গীরসহ মোট ২০ জন, ধামরাইয়ে বিএনপি নেতা মো. শরীফ, কুষ্টিয়ায় জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শামীমুল হাসান, মনিরামপুরে বিএনপির সভাপতি খায়রুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস এম আশরাফুর রহমান, সিরাজগঞ্জে বিএনপির এজেন্ট আবদুল কাদের, আখাউড়ায় ছাত্রদলের নেতা মাহবুবুর রহমান, যুবদলের নেতা আবদুর রহিমসহ সাতজন, নওগাঁ সদরে ছাত্রদলের নেতা উজ্জ্বল, সম্রাট, মোর্শেদসহ ছয়জন, মৌলভীবাজারে ছাত্রদলের নেতা নুরুল আলম ও শিপন আহমেদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা ফয়সাল আহমেদ, জাসাসের নেতা মারুফ আহমেদসহ সাতজন, মৌলভীবাজার সদরে বিএনপি প্রার্থীর প্রধান নির্বাচন সমন্বয়কারী আনোয়ার হোসেন, সাতক্ষীরায় জেলা যুবদলের সভাপতি হাসান হাবিবসহ চারজন, গৌরনদীতে পৌর বিএনপির সভাপতি মনিরুজ্জামান, রাজশাহীর আড়ানীতে বিএনপি নেতা রুহুল, দুলাল সরকারসহ আটজন, সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে বিএনপির এজেন্ট মো. মঞ্জুরুল আলম ও ইসমাইল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এ ছাড়া চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় ধানের শীষের প্রার্থী মো. রফিকুল আলম ও বগুড়ার শিবগঞ্জের প্রার্থী মতিয়ার রহমান মতিন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন বলে মিথ্যা প্রচার চালাচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে তাঁরা নির্বাচনে আছেন। এর মধ্যে রফিকুলের ওপর হামলা ও তাঁর গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে রিজভী অভিযোগ করেন, সারা দেশে শতাধিক পৌরসভায় বিএনপির প্রার্থী ও সমর্থকদের কেন্দ্রে না যেতে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে শায়েস্তাগঞ্জ, নাটোর সদর, কলারোয়া, ভোলা সদর ও বোরহানউদ্দিন, নড়াইলের কালিয়া, মনিরামপুর, মুলাদি ও মেহেন্দীগঞ্জ, সীতাকুণ্ড, সন্দ্বীপ, বরগুনার পাথরঘাটা ও চৌমুহনীর নাম উল্লেখ করেন তিনি।
পরে রিজভী প্রথম আলোকে বলেন, বিএনপির মেয়র পদপ্রার্থীদের নির্বাচনী এজেন্ট ও দলের নেতা-কর্মী এবং সাধারণ ভোটারদের কেন্দ্রবিমুখ করতে ক্ষমতাসীন দলের সন্ত্রাসীরা পরিকল্পিতভাবে তাণ্ডব চালাচ্ছে। এর পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোথাও নীরবে, কোথাও প্রকাশ্যে নেতা-কর্মীদের ভোটকেন্দ্রে না যেতে হুমকি দিচ্ছে।
রিজভী বলেন, গত রোববার রাত থেকেই অধিকাংশ নির্বাচনী এলাকায় গ্রেপ্তার অভিযান ও হুমকি চলছে। ভোটের দিন কেরামতি দেখানোর জন্যই এসব অভিযান চালানো হচ্ছে। উড়ো খবরের দোহাই দিয়ে পুলিশ-র্যাবের এই অপতৎপরতা মূলত একটি কারসাজি। এর কারণ, বিএনপির নেতা-কর্মী ও জনগণ যাতে ভোট দিতে না যান।
হামলা-ভাঙচুর ও ভয়ভীতি প্রদর্শন: সংবাদ সম্মেলনে রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করেন, মুন্সিগঞ্জ ও মিরকাদিম পৌরসভায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সরকারদলীয় সন্ত্রাসীদের তাণ্ডবে বিএনপির নেতা-কর্মীরা এলাকায় থাকতে পারছেন না। জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ১০টি মাইক্রোবাসে করে এসে বিরোধী দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের এলাকা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য হুমকি দিচ্ছেন।
ঝিনাইদহের শৈলকুপায় ধানের শীষের প্রার্থী খলিলুর রহমান ও হরিণাকুণ্ডে বিএনপির নেতা শামীম মিসি বিরোধীদের হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন। মোরেলগঞ্জে বিএনপির প্রার্থী আবদুল মজিদ জাব্বারের বাসায় হামলায় তাঁর স্ত্রীসহ ২০ জন আহত হয়েছেন। মাটিরাঙ্গায় বিএনপি নেতা আবু তাহেরকে না পেয়ে তাঁর ছেলে বাদশাসহ আটজনকে পিটিয়েছে সন্ত্রাসীরা।
জামালপুরে মোটরসাইকেলে সন্ত্রাসীরা বিএনপির প্রার্থী ওয়ারেস আলীর চারটি নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুর এবং প্রার্থীর ভাইকে মারধর ও তাঁর ব্যক্তিগত গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। জামালপুরে বিএনপির কর্মী শাহারিয়ার সাজু, আবদুল হাকিম, হিরা ও নুরুল আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জামালপুরের মাদারগঞ্জে প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম অবস্থান করে বিভিন্নভাবে প্রভাব বিস্তার করছেন এবং বিএনপির নেতা-কর্মীদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছে দলটি।
সিরাজগঞ্জে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইকবাল হাসান মাহমুদের বাড়িতে হামলা হয়েছে। কুয়াকাটা পৌরসভায় ধানের শীষের প্রার্থী আবদুল আজিজকে গতকাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে চড় ও লাথি মারেন ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীরা। তাঁদের সামনেই ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী আলী আক্কাসের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। আলমডাঙ্গায় সাবেক কমিশনার হাফিজুর রহমান ও যুবদলের নেতা সোহাগকে সন্ত্রাসীরা মারধর করে। বিএনপির কর্মী সাগরের বাড়িতে ভাঙচুর করে তাঁর মোটরসাইকেলটি নিয়ে যায়।
যশোরের মনিরামপুর থানা যুবদলের সভাপতি ও মেয়র পদপ্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট তুহিন ও ছাত্রদলের নেতা ফারুককে মারধর করা হয়। রামগঞ্জে বিএনপি প্রার্থীর বাড়িতে ভাঙচুর ও রায়পুরে দলীয় প্রার্থীর হাসপাতাল ভাঙচুর করে সেখানে তাঁকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। সেখানে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মনিরুল ইসলাম হাওলাদারের বাসায়ও হামলা হয়।
৭০ জন গ্রেপ্তার: হবিগঞ্জে বিএনপি প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট সামসু মিয়া চৌধুরী, দলের নেতা সালেহ উদ্দিন ও আল আমিনকে ডিবি পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। নলছিটিতে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী কাজী জাহাঙ্গীরসহ মোট ২০ জন, ধামরাইয়ে বিএনপি নেতা মো. শরীফ, কুষ্টিয়ায় জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শামীমুল হাসান, মনিরামপুরে বিএনপির সভাপতি খায়রুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস এম আশরাফুর রহমান, সিরাজগঞ্জে বিএনপির এজেন্ট আবদুল কাদের, আখাউড়ায় ছাত্রদলের নেতা মাহবুবুর রহমান, যুবদলের নেতা আবদুর রহিমসহ সাতজন, নওগাঁ সদরে ছাত্রদলের নেতা উজ্জ্বল, সম্রাট, মোর্শেদসহ ছয়জন, মৌলভীবাজারে ছাত্রদলের নেতা নুরুল আলম ও শিপন আহমেদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা ফয়সাল আহমেদ, জাসাসের নেতা মারুফ আহমেদসহ সাতজন, মৌলভীবাজার সদরে বিএনপি প্রার্থীর প্রধান নির্বাচন সমন্বয়কারী আনোয়ার হোসেন, সাতক্ষীরায় জেলা যুবদলের সভাপতি হাসান হাবিবসহ চারজন, গৌরনদীতে পৌর বিএনপির সভাপতি মনিরুজ্জামান, রাজশাহীর আড়ানীতে বিএনপি নেতা রুহুল, দুলাল সরকারসহ আটজন, সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে বিএনপির এজেন্ট মো. মঞ্জুরুল আলম ও ইসমাইল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এ ছাড়া চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় ধানের শীষের প্রার্থী মো. রফিকুল আলম ও বগুড়ার শিবগঞ্জের প্রার্থী মতিয়ার রহমান মতিন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন বলে মিথ্যা প্রচার চালাচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে তাঁরা নির্বাচনে আছেন। এর মধ্যে রফিকুলের ওপর হামলা ও তাঁর গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে রিজভী অভিযোগ করেন, সারা দেশে শতাধিক পৌরসভায় বিএনপির প্রার্থী ও সমর্থকদের কেন্দ্রে না যেতে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে শায়েস্তাগঞ্জ, নাটোর সদর, কলারোয়া, ভোলা সদর ও বোরহানউদ্দিন, নড়াইলের কালিয়া, মনিরামপুর, মুলাদি ও মেহেন্দীগঞ্জ, সীতাকুণ্ড, সন্দ্বীপ, বরগুনার পাথরঘাটা ও চৌমুহনীর নাম উল্লেখ করেন তিনি।
পরে রিজভী প্রথম আলোকে বলেন, বিএনপির মেয়র পদপ্রার্থীদের নির্বাচনী এজেন্ট ও দলের নেতা-কর্মী এবং সাধারণ ভোটারদের কেন্দ্রবিমুখ করতে ক্ষমতাসীন দলের সন্ত্রাসীরা পরিকল্পিতভাবে তাণ্ডব চালাচ্ছে। এর পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোথাও নীরবে, কোথাও প্রকাশ্যে নেতা-কর্মীদের ভোটকেন্দ্রে না যেতে হুমকি দিচ্ছে।
Comments