Posts

Showing posts from June, 2015

বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির ফোন!

Image
অনলাইন ডেস্ক  |  আপডেট:  ১৬:১৫, জুন ২৬, ২০১৫   ০ Like ৬       বিশ্বের শীর্ষ স্মার্টফোন নির্মাতা হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে অ্যাপল ও স্যামসাং। কিন্তু সাম্প্রতিক এক পরীক্ষার ফল বলছে, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠানটির তৈরি গ্যালাক্সি এস ৬ স্মার্টফোনটি এখন বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির ফোন। প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট টমস গাইড এই পরীক্ষা চালিয়েছে। টমস গাইডের পরীক্ষায় যে নয়টি বিষয় মূল্যায়ন করেছে তার মধ্যে ছয়টিতে শীর্ষে রয়েছে স্যামসাংয়ের তৈরি গ্যালাক্সি এস ৬ স্মার্টফোনটি। তালিকায় দ্রুতগতির ফোন হিসেবে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে এলজির জি ৪ স্মার্টফোনটি। তৃতীয় অবস্থানটি অ্যাপলের আইফোন ৬ এর। টমস গাইডের পরীক্ষকেরা দাবি করেছেন, গ্যালাক্সি ৬ স্মার্টফোনটি প্রতিদ্বন্দ্বীদের পেছনে ফেলার কারণ হচ্ছে স্যামসাংয়ের নিজস্ব অক্টাকোর এক্সিনোস ৭৪২০ প্রসেসর, উন্নত ডিডিআর ৪ মেমোরি ও দ্রুতগতির স্টোরেজ ফরম্যাট। যে ফোনগুলো নিয়ে টমস গাইড পরীক্ষা চালিয়েছে তার মধ্যে আইফোন ৬ হচ্ছে সবচেয়ে পুরোনো মডেলের ফোন। কিন্তু এর ৬৪ বিটের এ৮ প্রসেসর গেম ও পিডিএফ খোলার ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে...

এই বেলা নে ঘর ছেয়ে

Image
সৈয়দ আবুল মকসুদ  |  আপডেট:  ০০:৫৪, জুন ৩০, ২০১৫  |  প্রিন্ট সংস্করণ ১০ Like ১৭       শিয়ালদা থেকে ট্রেনে বোলপুর গিয়ে নামলাম। শান্তিনিকেতনে যাব কয়েক দিনের জন্য বেড়াতে। ওই ট্রেনেরই এক যাত্রীকে কয়েকজন যুবক-যুবতী স্টেশনে ফুল দিয়ে অভ্যর্থনা জানালেন। স্টেশনে দাঁড়িয়ে ছিলেন এক সম্ভ্রান্ত মধ্যবিত্ত ভদ্রলোক। তিনি অন্য ট্রেনে কোথাও যাবেন। তিনি তাঁর পরিচিত ওই যাত্রীকে বললেন, খুব যে দাঁত কেলাচ্ছ হে? পুষ্পস্তবক হাতে যাত্রী বললেন, কাজটা হয়ে গেছে। ভদ্রলোক বললেন, খুব ভালো, খুব ভালো। তাঁর ট্রেন এসে গিয়েছিল। ঘণ্টা বেজে উঠেছে। তিনি হনহন করে হেঁটে যেতে যেতে বললেন, এই বেলা নে ঘর ছেয়ে। মানুষের জীবনে সুযোগ সব সময় আসে না। দাঁও মারার লগ্ন আছে। সেই শুভক্ষণটি ধরতে হয়। নিজের ঘরের ফুটো চালটি ছেয়ে নেওয়ার সুযোগ সব সময় পাওয়া যায় না। বোলপুর স্টেশনের ওই যাত্রী সিপিএমের এক বিধায়ক বা মন্ত্রীকে ধরে একটি লাভজনক কাজ বাগিয়ে নিয়ে এসেছিলেন কলকাতা থেকে। তাই তাঁকে শুনিয়ে বোলপুরী ভদ্রলোক স্বগতোক্তির মতো বলছিলেন, এই বেলা নে ঘর ছেয়ে। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য তখ...

মাথাব্যথা থেকে দূরে থাকতে

Image
অনলাইন ডেস্ক  |  আপডেট:  ১৮:৪৭, জুন ২৮, ২০১৫ ০ Like       নানা কারণেই মাথাব্যথা হতে পারে। শারীরিক, মানসিক এমনকি পরিবেশের কারণেও আপনি মাথাব্যথায় ভুগতে পারেন। বেশির ভাগ মানুষই মাথাব্যথা হলে গপাগপ ব্যথানাশক ওষুধ খেয়ে ফেলেন। কিন্তু ওষুধ না খেয়েও অনায়াসেই আপনি মাথাব্যথাকে দূরে রাখতে পারেন। সম্প্রতি টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে এমন কয়েকটি পথ বাতলে দেওয়া হয়েছে। ভালো ঘুম মাথাব্যথার অন্যতম কারণ পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া। যদি প্রায়শই আপনি মাথাব্যথায় ভোগেন, তাহলে ঘুমের রুটিন ঠিক করুন। প্রতিদিন নিয়ম করে একই সময়ে ঘুমাতে যান এবং ঘুম থেকে উঠুন। আইস প্যাক দুশ্চিন্তা কিংবা মানসিক চাপের কারণে বিরক্তিকর মাথাব্যথা হলে আইস প্যাক ব্যবহার করুন। মাথা, ঠোঁট, কাঁধ ও ঘাড়ের পেছন দিকে আইস প্যাক দিন। মাথাব্যথা কমে যাবে। পানি পান অনেক সময় শরীরে পানিস্বল্পতার কারণেও মাথাব্যথা হতে পারে। এ ক্ষেত্রে কিছু সময় চুপচাপ বসে থাকুন এবং ধীরে ধীরে পানি পান করুন। পেপারমিন্ট তেল পেপারমিন্ট তেল স্নায়ুকে শান্ত করে আপনাকে চাঙা করে তোলে। মাথাব্যথা হলে প্রায় মিনিট পনেরো পেপারমিন্ট তে...

উইন্ডোজ ১০ ফ্রি পাবেন যেভাবে

Image
অনলাইন ডেস্ক  |  আপডেট:  ১২:১৮, জুন ২৩, ২০১৫ ১ Like       উইন্ডোজ ১০ এর চূড়ান্ত সংস্করণটি বিনা মূল্যে হালনাগাদের সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে মাইক্রোসফট। শর্ত হচ্ছে, যাঁরা উইন্ডোজ ১০ এর প্রিভিউ সংস্করণটি পরীক্ষা করবেন কেবল তাঁরাই বিনা মূল্যে উইন্ডোজ ১০ পাবেন। এটা মনে রাখতে হবে যে যাঁরা আসল উইন্ডোজ ৭ বা উইন্ডোজ ৮.১ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করছেন তাঁরাই কেবল এই হালনাগাদ পাবেন। অর্থাৎ পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহারকারীদের জন্য কোনো সুখবর নেই। প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট দ্য ভার্জ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, উইন্ডোজ ১০ এর সর্বশেষ প্রিভিউ (বিল্ড ১০১৩০) সংস্করণ মাইক্রোসফট অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে তাঁদের মেশিনে ডাউনলোড করবেন এবং উইন্ডোজ ইনসাইডার প্রোগ্রামের জন্য নিবন্ধন করবেন তাঁরা বিনা মূল্যে উইন্ডোজ ১০ এর চূড়ান্ত সংস্করণ পেয়ে যাবেন। প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা বলছেন, এখন প্রিভিউ সংস্করণটি ডাউনলোড করে নিলে বিনা মূল্যে যে উইন্ডোজ ১০ মিলবে সেটি আসল সফটওয়্যার হবে। মাইক্রোসফটের কর্মকর্তা গ্যাব আল টুইটারে একটি টুইটের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ ছাড়া একটি...

রোবট না মানুষ !

Image
সাংহাই ইয়ানজিয়াং ইন্টেলিজেন্স রোবট সায়েন্স সার্ভিস ও জাপানের অধ্যাপক হিরোশি ইশিগুরো যৌথভাবে রোবটটি তৈরি করেছেন। তরুণদের মধ্যে জনপ্রিয় করে তুলতে রোবটটি আকর্ষণীয়ভাবে তৈরি করা হয়েছে। ছবি: রয়টার্স   নানা ভঙ্গিতে রোবট ইয়ানজিয়াং। ছবি: রয়টার্স

তারহীন স্মার্ট নিরাপত্তা ক্যামেরা

Image
আপডেট:  ০০:০১, জুন ২১, ২০১৫  |  প্রিন্ট সংস্করণ ০ Like       নেটগিয়ারের আরলো ব্র্যান্ডের নতুন বিশেষ নিরাপত্তা ক্যামেরা বাজারে এসেছে। শতভাগ তারহীন এই ক্যামেরা বাড়ি কিংবা দোকানের নিরাপত্তায় কাজ করতে সক্ষম। ক্যামেরাগুলো ওয়াটার ও ওয়েদারপ্রুফ। একটি বেজ স্টেশনের সঙ্গে সর্বোচ্চ পাঁচটি ক্যামেরার তারহীন সংযোগ দেওয়া যায়। যার সাহায্যে যেকোন স্থান থেকে পর্যবেক্ষণ করা যাবে। স্মার্টফোন, ট্যাবলেট, ল্যাপটপ কিংবা পিসিতে একসঙ্গে চারটি ক্যামেরার ভিউ একসঙ্গে দেখা যায়। ক্যামেরাগুলোয় মোশন ডিটেকশন ও নাইটভিশন সুবিধা রয়েছে। কম্পিউটা সিটি টেকনোলজিস লিমিটেডের বাজারে আনা দুটি ক্যামেরা, একটি বেজ স্টেশনসহ আরলোর দাম ৩৫ হাজার টাকা

একজন সবুজ মানুষ

Image
আনোয়ার হোসেন  |  আপডেট:  ০০:০১, জুন ২০, ২০১৫  |  প্রিন্ট সংস্করণ ৩ Like ১০       কার্তিক যখন খুব ছোট, বাবা তাঁকে গল্প শোনাতেন। বলতেন, ‘কী হবে গিয়ে তীর্থে? শুধু তীর্থে গেলেই তো পুণ্য হয় না। ক্লান্ত পথিকের জন্য যদি গাছ বোনো, তবে তীর্থে যাওয়ার চেয়েও পুণ্য হবে বেশি।’ ছোট্ট কার্তিকের মনে গেঁথে যায় সে কথা। কথাটি মনে রেখে ১০ বছর বয়সে কার্তিক বৃক্ষ রোপণ করতে শুরু করেন। জীবনের প্রথম গাছটি তিনি লাগান এলাকার একটি তেরাস্তার মোড়ে। সেই কার্তিক পরামানিকের বয়স এখন ৭৫ বছর। এখনো অক্লান্তভাবে গাছ লাগিয়ে চলেছেন তিনি। কার্তিকের দেখা পেতে হলে যেতে হবে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সদর থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে, শিবগঞ্জ উপজেলায়। সেখানে ভারতীয় সীমান্তের কোল ঘেঁষে তারাপুর ঠুটাপাড়া গ্রাম। এখানেই কার্তিকের বাড়ি। ভারত ভাগ হওয়ার আগে তাঁরা থাকতেন একই উপজেলার রাধাকান্তপুর গ্রামে। একসময় আত্মীয়স্বজনেরা সবাই ভারত পাড়ি দিলেন। রয়ে গেলেন কেবল কার্তিকের বাবা। তিনি শুধু গ্রামটি বদল করলেন। এলাকার বৃক্ষহীন ধু ধু বালুচরে হাঁটতে গেলে আগে বালুর তাপে পায়ে ফোসকা পড়ে যেত। মাথার...

মার্স ভাইরাস: সচেতনতা জরুরি

ভালো থাকুন অধ্যাপক এবিএম আবদুল্লাহ | ২৬ জুন, ২০১৪ মূলত মার্স করোনা শ্বাসতন্ত্রে আক্রমণ করে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো থাকলে কিদন পর এমনিতেই সেরে যায়। কিন্তু জটিল রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি যেমন ডায়াবেটিস, কিডিন, হৃদ্যন্ত্র বা ফুসফুসের পুরোনো রোগীদের ক্ষেত্রে মারাত্মক জটিলতা দেখা দিতে পারে। যেমন—এটি মোড় নিতে পারে নিউমোনিয়া, রেসপিরেটরি ফেইলিউর বা কিডিন অকার্যকারিতার দিকে। এ পর্যন্ত এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার কারণে ৩০ শতাংশ ক্ষেত্রে রোগীর মৃত্যু ঘটেছে। সাম্প্রতিক সময়ে মার্স করোনা ভাইরাস নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে৷ কিছুদিন আগে আবুধািব থেকে আগত একজন প্রবাসী বাংলাদেশি এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বলে বাংলাদেশেও এ নিয়ে সচেতনতা তৈরি হচ্ছে। এ নিয়ে চলছে অনেক ধরনের বিভ্রািন্ত ও অজানা আতঙ্কও৷ মার্স ভাইরাস কী? ২০১২ সালে প্রথম সৌদি আরবে এই ভাইরাসের অস্তিত্ব আবিষ্কৃত হয়। এই রোগের নাম দেওয়া হয় মিডল ইস্ট রেসপিরেটরি সিনড্রোম বা সংক্ষেপে মার্স। করোনা ভাইরাস গোত্রীয় বলে ভাইরাসটির নাম মার্স করোনা ভাইরাস। সৌদি আরব ছাড়াও এর উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে ওমান, আরব আমিরাত, মিসর ইত্যা...