Posts

হঠাৎ আগুন লাগলে

Image
  অগ্নিকাণ্ডের সময় অনুসরণীয় কিছু ফায়ার প্রটোকল রয়েছে, যা আমাদের সবার জানা উচিত। হঠাৎ যদি আগুন লেগেই যায়, মাথা ঠান্ডা করে এ পদ্ধতিগুলো অবলম্বন করতে হবে। লিখেছেন  নাদিমা জাহান সীতাকুণ্ডে অগ্নিকাণ্ডের ভয়াবহতায় এখনো হতবিহ্বল সবাই। হতাহত মানুষের হিসাব ছাড়িয়ে যাচ্ছে সহ্যশক্তির সীমা। এদিকে এ দুই দিনে দেশের আরও কয়েক স্থানে আগুনের ঘটনা ঘটেছে। অফিস, বাড়ি, কলকারখানা—সব জায়গাতেই অগ্নিকাণ্ডের ভয়। অক্সিজেন সিলিন্ডার, ত্রুটিপূর্ণ এসি, শর্টসার্কিট, আশপাশেই হয়তো অজানা কোনো রাসায়নিক দাহ্য পদার্থের গুদাম। একধরনের চাপা আতঙ্ক সবার মনে। তবে আগুন লাগলে প্রথমে মাথা ঠান্ডা রাখতে হবে। কারও বাড়িতে বা কর্মক্ষেত্রে হঠাৎ বড় ধরনের আগুন লাগলে অবশ্যই ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে জানিয়ে সাহায্য নিতে হবে। তবে তার আগে নিজেদের কিছু প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া খুব জরুরি। ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা মো. হাসানুজ্জামান বলেন, সব ধরনের বার্নই ঝুঁকিপূর্ণ, তবে শ্বাসনালি পুড়ে যাওয়া সবচেয়ে মারাত্মক। অনেক সময় দেখা যায়, খালি চোখে শরীরের বাইরে কোনো পোড়া বা ক্ষত নেই, কিন্তু শ্বাসনালি পুড়ে গিয়ে মানুষ অবশ্যম্ভাবীভাবে মৃত্যুর মুখে পতিত হয়, যদি ...

হাইবারনেট মোড চালুর পদ্ধতিসূত্র

Image
  হাইবারনেট মোড চালুর পদ্ধতি সূত্র : স্ক্রিনশট হাইবারনেট মোড চালুর জন্য কমান্ড প্রম্পটকে অ্যাডমিনিস্ট্রেটর মুডে খুলতে হবে। এ জন্য প্রথমে উইন্ডোজ সার্চে গিয়ে cmd লিখতে হবে। এবার যে ফলাফল দেখা যাবে, তার ওপর মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে Run as administrator অপশন নির্বাচন করতে হবে। এরপর ইউজার কন্ট্রোল স্ক্রিন এলে সেখানে ইয়েস চাপলেই কমান্ড প্রম্পট খুলে যাবে। এবার powercfg/hibernate on লিখে এন্টার চাপলেই হাইবারনেট মোড চালু হয়ে যাবে। বিজ্ঞাপন এবার স্টার্ট মেনুতে থাকা কম্পিউটারের পাওয়ার বন্ধের আইকনেই পাওয়া যাবে Hibernate অপশন। চাইলে অন্যভাবেও হাইবারনেট মোড চালু করা যায়। একসঙ্গে Windows কি ও X কি চাপলেই উইন্ডোজ এক্স মেনু দেখা যাবে। এবার U কি চেপে পাওয়ার মেনু চালু করতে হবে। এরপর কি–বোর্ডের H কি চাপলেই কম্পিউটার হাইবারনেট মোডে বন্ধ হয়ে যাবে। ফলে চালুর পর কম্পিউটারে করা সবশেষ কাজগুলো আগের অবস্থানে পাওয়া যাবে।

প্রকৌশলী ইমরুল এখন মুরগির সফল খামারি

Image
  মুনির হাসান সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটি প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২১, ০৯: ০৮ অ + অ - খামারের মুরগি হাতে প্রকৌশলী ইমরুল হাসান  ছবি: সংগৃহীত খামারের সামনে বসে আছেন খামারি। কর্মীরা খুঁজে দেখছেন কোনো মুরগি নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে কি না। কিংবা কয়টা মুরগি মারা গেল। প্রতিদিনই দলে দলে মরে যাচ্ছে যত্নের মুরগিগুলো। আক্রান্ত হয়েছে রানীক্ষেত রোগে। সাড়ে তিন হাজার মুরগি ছিল। কিন্তু এখন দেড় হাজারের কম। কর্মীরা দৌড়াদৌড়ি করেন, এলাকার পশুচিকিৎসক বা সুপারভাইজারের কাছে যান। সবার সমাধান একটাই—মুরগিকে ইনজেকশন দাও, অ্যান্টিবায়োটিক দাও। মাথা নাড়েন খামারি—‘না, কোনো অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া যাবে না।’ বিজ্ঞাপন সেই ব্যাচের সাড়ে তিন হাজারের মধ্যে আড়াই হাজার মুরগি বাঁচানো গেল না। পরের ব্যাচের দুই হাজারও একই পথের যাত্রী হয়েছে। এমন তথ্য দিয়ে গাজীপুরের কালিয়াকৈরের বড়ইতলী গ্রামের অর্গানিক চিকেন খামারের খামারি প্রকৌশলী ইমরুল হাসান বলেন, ‘আমার তত দিনে জেদ চেপে গেছে। অ্যান্টিবায়োটিক ছাড়া কি মুরগি বড় করা যাবে না।’ শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মোহাম্মদ কায়কোবাদকে সঙ্গে নিয়ে আমরা দেখতে গিয়েছি ইমরুল হাসানের পোলট্রি...

গোল্ডেন মিল্ক নানা রোগ প্রতিরোধের নিদান

Image
  স্বাস্থ্য গোল্ডেন মিল্ক। এটি আসলে প্রাণিজ বা উদ্ভিজ্জ দুধের সঙ্গে কয়েকটি উপাদান মিশিয়ে তৈরি করা হয়। প্রাচীন ভারতীয় চিকিৎসায় এর ব্যবহার রয়েছে। হালে পশ্চিমা বিকল্প চিকিৎসাব্যবস্থায় নানা রোগ প্রতিরোধের নিদান হিসেবে গোল্ডেন মিল্ক পানে উৎসাহিত করা হচ্ছে। লেখা আলমগীর আলম প্রকাশ: ১১ মে ২০২১, ০৮: ০০ অ + অ - ছবি: আনস্প্ল্যাশ বিজ্ঞাপন গোল্ডেন মিল্ক। এটি হলুদের দুধ নামেও পরিচিত। এটি প্রাচীন ভারতবর্ষের একটি স্বাস্থ্যকর সুপানীয়, যা পশ্চিমা সংস্কৃতিতে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। এই উজ্জ্বল হলুদ পানীয়টি গতানুগতিকভাবে প্রাণিজ বা উদ্ভিজ দুধে হলুদ এবং অন্যান্য মসলা যেমন দারুচিনি ও আদা মিশিয়ে গরম করে তৈরি করা হয়। এর বহু স্বাস্থ্য উপকারের সুনাম আছে এবং প্রায়ই রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে এবং অসুস্থতা রোধ করতে বিকল্প প্রতিকার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ছবি: ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডল হলুদে আছে অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট কার্কুমিন। দুধে হলুদ মেশালে কার্কুমিনের সেই গুণ নষ্ট হয় না। বরং কার্কুমিনের অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্যের কারণে বহু শতাব্দী ধরে আয়ুর্বেদিক ওষুধে ব্যবহৃত হচ্ছে। অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট এমন যৌগিক উপাদান, যা কোষকে সুর...

নিজের পায়ে দাঁড়ানোর গল্প

Image
  অর্থনীতির অর্জন জাহাঙ্গীর শাহ ঢাকা প্রকাশ: ২৬ মার্চ ২০২১, ০৭: ০০ অ + অ - বাংলাদেশের অর্থনীতি বদলে গেছে। স্বাধীনতার পরের প্রায় দু্ই দশক দেশের অর্থনীতি বিদেশি সাহায্যনির্ভর ছিল। বিদেশি সহায়তা ছাড়া উন্নয়ন বাজেট করা যেত না। দাতাগোষ্ঠীর অর্থ ছাড়া উন্নয়ন প্রকল্প নেওয়া কঠিন ছিল। গত ৫০ বছরে সেই চিত্র প্রায় পুরোটাই পাল্টে গেছে। বাংলাদেশ এখন বাণিজ্যনির্ভর অর্থনীতির দেশ হয়েছে। বাণিজ্যনির্ভর অর্থনীতির কারণে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে অর্থ জোগানের ক্ষমতা বেড়েছে বহু গুণ। নব্বইয়ের দশকে অর্থনীতি উদারীকরণের সুফল মিলছে। বাণিজ্যনির্ভর অর্থনীতির দেশে রূপান্তরের পেছনে এ দেশের উদ্যোক্তারাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। পরিবর্তন কেমন হলো, এর একটি তুলনা দেওয়া যেতে পারে। সাধারণত উন্নয়ন প্রকল্পের খরচের জন্য দাতা দেশ ও সংস্থাগুলো ঋণ দেয়। ১৯৭২-৭৩ সালের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার ছিল ৫০১ কোটি টাকা। এডিপির ৭৫ শতাংশ অর্থ দিয়েছিল দাতারা। পাঁচ দশক পরে এডিপিতে বিদেশি সহায়তার পরিমাণ কমে দাঁড়ায় ৩৩ শতাংশ। এবার দেখা যাক, গত পাঁচ দশকে দেশে উদ্যোক্তা কত বেড়েছে। ১৯৭৩ সালের জুন মাসে দেশে শিল্পকারখ...