Posts

সচল হবে অকেজো মেমোরি কার্ড

Image
রাকিবুল হাসান | ০৩ নভেম্বর ২০১৬, ০০:৩১    মেমোরি কার্ড তথ্য স্থানান্তরের সময় ফোনের মেমোরি কার্ড হঠাৎ খুলে নিলে কিংবা কোনোভাবে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে মেমোরি কার্ডের বেশ ক্ষতি হয়। নষ্টও হয়ে যেতে পারে। এমন অকেজো মেমোরি কার্ড সচল করার বেশ কিছু পদ্ধতি আছে। তবে পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত মেমোরি কার্ড ঠিক করতে পেশাদার ডেটা রিকভারি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়। ফাইল দেখাচ্ছে কিন্তু ব্যবহার করা যায় না, মেমোরি কার্ডের এমন সমস্যার সহজ সমাধান রয়েছে। এ ক্ষেত্রে মেমোরি কার্ডে ফাইল থাকে কিন্তু কম্পিউটার বা অন্য যন্ত্র সেটি পড়তে (রিড) পারে না। এ জন্য কার্ড রিডারের মাধ্যমে মেমোরি কার্ডটি কম্পিউটারে সংযুক্ত করুন। খেয়াল রাখুন ফাইল এক্সপ্লোরারে বা হার্ডডিস্কের ড্রাইভের মতো চিহ্ন দেখালে বুঝতে হবে এটিতে ঢোকা যাবে না কিন্তু ফাইল সিস্টেম ঠিক আছে। এবার উইন্ডোজ ৭-এ স্টার্ট মেন্যুতে cmd লিখে এর ওপর মাউসের ডান বোতামে ক্লিক করে Run as administrator নির্বাচন করে। কমান্ড প্রম্পট চালু হলে chkdsk f: /r লিখে এন্টার করুন। এখানে f: হচ্ছে মেমোরি কার্ডের ড্রাইভ লেটার। মেমোরি কার্ডের ড্রাইভ লেটার যেটি দেখ...

মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক রাখার ৫ সহজ উপায়

Image
অনলাইন ডেস্ক | ৩১ অক্টোবর ২০১৬, ১০:০৬ ভালো স্বাস্থ্য মানে মানসিক আর শারীরিক দুই দিক থেকেই সুস্থ বা ঠিক থাকা। অনেকের বেলায় দেখা যায়, শরীর ঠিক থাকলেও মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টিকে একেবারেই গুরুত্ব দেন না। আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাপন ঠিকমতো চালিয়ে নিতে মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর গুরুত্ব দেওয়া কিন্তু অনেক গুরুত্বপূর্ণ। জীবনযাপনে সামান্য কিছু পরিবর্তন এনে সব মানসিক সমস্যা দূরে ঠেলে মনকে ফুরফুরে করে তুলতে পারেন। এ রকম সহজ কয়েকটি নিয়ম মেনে চলতে পারেন। নিয়মমাফিক চলুন দৈনিক কাজের একটি নিয়ম দাঁড় করান। সময়ের কাজ সময়ে করুন। নিয়ম মেনে খাওয়া, ঘুম থেকে জাগা বা বিছানায় যাওয়ার বিষয়টি মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক রাখার জন্য দরকারি। যাঁরা নিয়ম মেনে চলেন, তাঁদের মানসিক ও শারীরিক দিক থেকে সুস্থ থাকার হার বেশি বলেই গবেষণায় দেখা গেছে। ব্যায়াম করুন মানসিকভাবে ভালো থাকতে শারীরিকভাবে সুস্থ থাকাটাও জরুরি। শরীরকে সক্রিয় রাখতে সামর্থ্য অনুযায়ী ব্যায়াম করুন। ব্যায়াম করলে সুখ হরমোন নিঃসৃত হয়। মানসিকভাবে হালকা বোধ করতে বা মন ভালো রাখতে নিয়মিত ব্যায়ামের চর্চা করে যান। পুষ্টিকর খাবার খান পুষ্টিমানসম্পন্ন ও স...

আপনার প্রিয় কোমল পানীয়টি কী কী ক্ষতি করছে জানেন কি?

Image
২২ মে, ১৪ Tagged In:    soft drinks    cold drinks       Viewed#:       Favorites#:     রোজকার ব্যস্ত জীবনে সকলকেই ছুটতে হয় জীবন ও জীবিকার প্রয়োজনে। সারাদিনের দৌড়ঝাঁপে ক্লান্তি আসেই। আর বিশেষ করে এই গরমের দিনে বাড়ির বাইরে বেরোলেই শরীর ক্লান্ত হয়ে পড়ে। আর ঠিক তখনই চোখ যায় কোমল পানীয়ের দিকে। এছাড়া একটু গুরুপাক খাবার কিংবা ফাস্টফুডের সাথে কোমল পানীয় খাওয়া তো আজকাল যেন নিয়মে পরিণত হয়েছে। ছেলে-বুড়ো সকলেই চুটিয়ে পান করছে নানান রকম কোমল পানীয়। অনেক বাড়িতেই সারাক্ষণ ফ্রিজে থাকে এই বস্তু, অতিথি আপ্যায়নেও শরবতের স্থান দখল করে নিয়েছে এই কোমল পানীয়ই। প্রচন্ড গরমে কোমল পানীয় পানে খানিকটা সময়ে শান্তি মেলে ঠিকই, মনে হয় চট করে বুঝি একটু এনার্জি পেলেন শরীরে। কিন্তু আপনি জানেন কি এটি মানবদেহে কি মারাত্মক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে? বাড়তি চিনি ও ক্যালোরি ইত্যাদির সমস্যা তো আছেই, সাথে আছে ক্যান্সারের ঝুঁকি! চিকিৎসকদের মতে, কোমল পানীয় হজমে বাধা সৃষ্টি করে এবং শরীরে অক্সিজেনের পরিমাণ হ্রাস করে। ...

কীভাবে ব্যবহার করবেন গুগলের ১৫ গিগাবাইট

২১ সেপ্টেম্বর ২০১৬, ০০:০০    প্রতিনিয়ত ই-মেইল চালাচালির সময় লেখার সঙ্গে ছবি ও নথি যুক্ত করা হয়। দিনদিন ই-মেইলের আদান-প্রদান বেড়েই চলছে। কিন্তু গুগলে এ জন্য পাওয়া যায় ১৫ গিগাবাইট জায়গা। প্রতিদিনের জমা হওয়া ই-মেইল, নথি ও ছবির কারণে হয়তো অনেকখানি জায়গাই (স্টোরেজ) ব্যবহার করা হয়ে গেছে। বাকি জায়গাটা শেষ হলেই পড়তে হবে বিপত্তিতে। তবে কিছু বিষয় জানা থাকলে এবং একটু সচেতনভাবে ব্যবহার করলে সহজেই বিপত্তি এড়ানো যাবে এবং মূল্যবান ই-মেইল কিংবা নথিটি হারাতে হবে না। কোনো কারণে নির্ধারিত ১৫ গিগাবাইট শেষ হয়ে গেলে যেসব সমস্যায় পড়তে হবে: * গুগল ড্রাইভে কোনো ফাইল রাখা যাবে না * ছবির মূল ফাইল আপলোড করা যাবে না * কেউ ই-মেইল পাঠালে তা প্রেরকের কাছে ফেরত যাবে এখানে জেনে রাখা ভালো, গুগল ড্রাইভ বা ডকস ব্যবহার করে কোনো নথি তৈরি করলে তার জন্য কোনো অতিরিক্ত জায়গা খরচ হবে না। শুধু ড্রাইভে আপলোড করা নথির ক্ষেত্রে জায়গার প্রয়োজন হবে। গুগল ফটোর ক্ষেত্রে সংকুচিত (কম্প্রেসড) অবস্থায় ছবি রাখলে তার জন্য কোনো জায়গা প্রয়োজন হয় না। এ জন্য গুগল ফটোজে গিয়ে সেটিংস অপশন থেকে হাই-কোয়ালিটি নির্ধারণ করতে হবে। কি...

শিশুর খাবারে স্বাদ বাড়ানো

Image
ফারজানা ফাহমি | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬, ০৯:৪৮ ছয় মাস থেকে দুই বছর বয়স পর্যন্ত সময়টা শিশুদের জন্য খুবই সংবেদনশীল। এই বয়সে মায়ের দুধের পাশাপাশি শিশুকে অন্যান্য সম্পূরক খাবার দেওয়া হয়। কিন্তু সম্পূরক খাবারে স্বাদের ভিন্নতা না থাকায় একই রকম খাবার খেতে শিশুর অরুচি আসে। শিশুর হজমে সমস্যা হতে পারে, এ জন্য এই বয়সী শিশুদের খাবারে খুব একটা নতুনত্ব আনা যায় না। তবে স্বাদে ভিন্নতা আনতে অবশ্যই হালকা কিছু যোগ করা যেতে পারে। বাংলাদেশ গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের খাদ্য ও পুষ্টি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক সাজেদা আক্তার একটু ব্যাখ্যা করলেন। প্রথম দিকে, অর্থাৎ​ ছয় থেকে আট-নয় মাস পর্যন্ত কম আঁঁশযুক্ত খাবারই শিশুর জন্য বেশি উপযোগী। এরপরে ধীরে ধীরে আঁঁশযুক্ত খাবারের সঙ্গে অভ্যস্ত করে নেওয়া ভালো। এতে করে খাবার হজমে কোনো রকম সমস্যা দেখা দেবে না। এ ছাড়া বাচ্চারা যেহেতু পানি তেমন একটা পান করে না, তাই বুকের দুধের পাশাপাশি অর্ধতরল খাবার বেশি খাওয়ানো হয়। এতে শিশুর পেট বেশি সময় ভরা থাকে। সেই সঙ্গে শিশু সব ধরণের পুষ্টি উপাদানও পেয়ে থাকে, যা তাদের শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ছয় মাস থ...

আপনার আইডিতে কয়টি সিম নিবন্ধিত হয়েছে জেনে নিন

Image
এখন পর্যন্ত চারটি মোবাইল অপারেটর এ সুবিধা চালু করেছে। একজনের আঙুলের ছাপ একাধিকবার নিয়ে গোপনে অন্যজনের সিম নিবন্ধন হয়েছে, এমন খবর প্রকাশের পর গ্রাহকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এর পরই মোবাইল অপারেটররা এক এনআইডির অধীনে কতগুলো সিম নিবন্ধন হয়েছে, তা গ্রাহকদের এসএমএস করে জানিয়ে দিয়েছে। যারা এই এসএমএস পাননি, তাঁরা চাইলে এসএমএস কিংবা ডায়াল করে জেনে নিতে পারেন। গ্রামীণফোন : info লিখে ৪৯৪৯ নম্বরে এসএমএস করুন। বাংলালিংক : *১৬০০*২# নম্বরে ডায়াল করুন। রবি : *১৬০০*৩# নম্বরে ডায়াল করুন। এয়ারটেল : ডায়াল করুন *১২১*৪৪৪৪# নম্বরে। একজনের নামে ২০টির বেশি সিম নিবন্ধিত থাকলে অতিরিক্ত সিম স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ করে দেওয়া হবে বলেও এসএমএস করে গ্রাহকদের জানানো হয়েছে। অপারেটরগুলোর গ্রাহক সেবাকেন্দ্র থেকে বাড়তি বা অপ্রয়োজনীয় সিম বন্ধ করা যাবে।

ইসরাইলি ভাইরাস দিয়ে গুপ্তচরবৃত্তি করছে আমিরাত

Image
সংযুক্ত আরব আমিরাত বা ইউএই দেশটির মানবাধিকার কর্মীদের বিরুদ্ধে নজরদারি ও গোয়েন্দা তৎপরতা চালানোর কাজে ইহুদিবাদী ইসরাইলের কাছ থেকে কেনা কম্পিউটার ভাইরাস ব্যবহার করছে। এই ভাইরাস দিয়ে মানবাধিকার কর্মীদের ব্যবহৃত অ্যাপেল আইফোনকে তাদের বিরুদ্ধে নজরদারি ও গোয়েন্দা তৎপরতা চালানোর যন্ত্রে পরিণত করা হচ্ছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেছে টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের সিটিজেন ল্যাব। সিটিজেন ল্যাবের কাছে এ সংক্রান্ত সন্দেহভাজন লিংক পাঠিয়েছেন ইউএই’র মানবাধিকার কর্মী আহমেদ মানসুর। মানসুরের কাছে পাঠানো একটি টেক্সট মেসেজে এ লিংক ছিল।  সন্দেহজনক মনে হওয়ায় লিংকটি সিটিজেন ল্যাবের কাছে পাঠিয়ে দেন তিনি। সংযুক্ত আরব আমিরাতে কারাবন্দিদের নির্যাতন চালানোর নতুন গোপন তথ্য আছে বলে লিংকে দাবি করা হয়েছিল। কিন্তু সিটিজেন ল্যাবের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইসরাইল-ভিত্তিক সাইবার কোম্পানি এনএসও গ্রুপের সঙ্গে এ লিংকের যোগসূত্র রয়েছে বলে শনাক্ত করা গেছে। সাইবার যুদ্ধে সহায়তা দিয়ে থাকে বলে দাবি করে এনএসও।  গোয়েন্দা তৎপরতার কাজে ব্যবহৃত পেগাসাস নামের একটি কম্পিউটার ভাইরাসও বিক্রি করে এ সংস্থা।...