Posts

Showing posts from May, 2017

শিশুর রোগ প্রতিরোধে গর্ভাবস্থায় ভিটামিন ডি খান

অনলাইন ডেস্ক ২৮ মে ২০১৭, ২২:২৪ গর্ভাবস্থায় সম্পূরক হিসেবে ভিটামিন ডি গ্রহণ নবজাতক শিশুর রোগ প্রতিরোধব্যবস্থায় ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। অ্যাজমা ও শ্বাসনালির সংক্রমণ থেকে শিশুকে এই ভিটামিন ডি রক্ষা করে বলে মনে করা হচ্ছে। যুক্তরাজ্যের এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, অন্তঃসত্ত্বা নারীদের মধ্যে যাঁরা সুপারিশকৃত মাত্রার চেয়ে বেশি মাত্রায় ভিটামিন ডি গ্রহণ করেন, তাঁদের নবজাতক শিশুর রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা উন্নততর। গবেষণায় নেতৃত্ব দেওয়া লন্ডনের কিংস কলেজের গবেষক ক্যাথেরিন হরালোভিচ বলেন, ‘বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অ্যাজমা শিশুকালেই ধরা পড়ে। এতে করে ধারণা করা হয়, শিশু বয়সে বা ভ্রূণ অবস্থায় থাকাকালেই শিশুরা এই রোগে আক্রান্ত হয়।’ গর্ভাবস্থার শেষ ছয় মাসে সম্পূরক হিসেবে প্রতিদিন ৪ হাজার ৪০০ আইইউ (আন্তর্জাতিক ইউনিট) এবং সুপারিশকৃত ৪০০ আইইউ ভিটামিন ডি৩ গ্রহণের ফলে এর কার্যকারিতা কি হয়—তা পর্যবেক্ষণ করেছেন গবেষকেরা। গবেষণা প্রতিবেদনটি সাময়িকী অ্যালার্জি অ্যান্ড ক্লিনিক্যাল ইম্যুনোলোজিতে প্রকাশিত হয়েছে। এতে বলা হয়...

হঠাৎ হাম বেড়েছে, শিশু মারা যাচ্ছে

Image
শিশির মোড়ল ২৩ মে ২০১৭, ০২:০৫ প্রিন্ট সংস্করণ রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় হাম দেখা দিয়েছে। এতে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। টিকা নিয়েছে এমন শিশুরও হাম হচ্ছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা বলেছেন, সরকারকে হামের টিকার ব্যাপারে জোর দিতে হবে। পাশাপাশি মানুষকে এ ব্যাপারে সচেতন করতে হবে। রাজধানীর মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে গত রোববার ১৬ জন হামের রোগী ভর্তি ছিল। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ১ জানুয়ারি থেকে ২১ মে পর্যন্ত ৪৬৫ জন হাম নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়। এদের মধ্যে সব বয়সের রোগী রয়েছে। এরই মধ্যে এই হাসপাতালে মারা গেছে ১০টি শিশু। ১৭ মে ১টি, ১৯ মে ২টি, ২০ মে ১টি, এপ্রিলে ১টি এবং মার্চে ৫টি শিশুর মৃত্যু হয়। এদের বয়স ১ থেকে ১০ বছরের মধ্যে। এ ছাড়া কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন চিকিৎসক জানিয়েছেন, গত সপ্তাহে সেখানে একটি শিশু হামে মারা গেছে। হামে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের সাবেক প্রধান অধ্যাপক আবিদ হোসেন মোল্লা। তিনি  প্রথম আলো কে বলেন, গত দু-তিন মাসে বেশ কয়েকটি শিশু হাম...

হাঁপানির নিয়ন্ত্রণ আপনার হাতেই

ডা. মো. আজিজুর রহমান, বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ ০১ মে ২০১৭, ০২:০০ বিশ্বে ২০ কোটি মানুষের হাঁপানি রোগ আছে। এর মধ্যে শিশুদের সংখ্যাই বেশি। বাংলাদেশেও ৭০ লাখের বেশি মানুষ হাঁপানিতে আক্রান্ত। তাদের মধ্যে ৬০ শতাংশেরই বয়স ১৫ বছরের নিচে। হাঁপানি হলো অতি সংবেদনশীলতার জন্য শ্বাসনালির শাখা-প্রশাখার সাময়িক সংকোচন। ফলে শ্বাসনালি সংকুচিত হয়ে পড়ে, তখন শ্বাস নিতে ও ছাড়তে কষ্ট হয়। হাঁপানির সঠিক কারণ অজানা। তবে বংশগত ও পরিবেশগত কিছু কারণকে দায়ী করা যায়। নিকটাত্মীয় কারও হাঁপানি বা অ্যালার্জির ইতিহাস থাকলে এই অসুখের ঝুঁকি বেশি। আপনার সন্তানের হাঁপানি আছে কি না, কীভাবে বুঝবেন? কিছু লক্ষণ খেয়াল করুন: * রাতে, বিশেষত শেষ রাতের দিকে শুষ্ক কাশি হচ্ছে * রাতে ঘুমের মধ্যে নাকে বা বুকে শোঁ শোঁ শব্দ হচ্ছে * বুকে চাপ ধরে থাকে বা শ্বাসপ্রশ্বাস ছোট হয়ে আসছে বলে মনে হয় *এ সমস্যা ধুলাবালি, ঠান্ডা আবহাওয়া, ঠান্ডা পানি, কার্পেটের ধুলা, পশুপাখির লোমের সংস্পর্শে বেড়ে যায় * মাঝেমধ্যে আবার একেবারেই রোগমুক্ত থাকে বাড়িতে কারও হাঁপানির সমস্যা থাকলে তার বিষয়ে সবাইকে সচেতন ...