খইয়াছড়ার ঝরনায়
দুধসাদা জলের ধারা গড়িয়ে পড়ছে ৩০–৩৫ ফুট উঁচু থেকে। সূর্যের আলো পড়লে মনে হয় হাজারো হীরার টুকরো আছড়ে পড়ছে সশব্দে। চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার খইয়াছড়ার এই ঝরনার খবর পৌঁছে গেছে প্রকৃতিপ্রেমিকদের কাছে l প্রথম আলোচট্টগ্রাম থেকে বাসে মিরসরাই, এরপর মিরসরাই বাজার থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় চেপে খইয়াছড়া পৌঁছাতে হবে প্রথমে। খইয়াছড়া থেকে ৩০–৪০ মিনিট হাঁটলেই ঝরনায় পৌঁছানো যাবে। যাত্রা পথে চোখে পড়বে ধানখেত, গ্রাম, পাহাড় আর ঝোপ–জঙ্গল। গ্রামীণ পথে কিছুক্ষণ চলার পর পাহাড় ডিঙিয়ে যেতে হবে খইয়াছড়ায়।
.খইয়াছড়ায় নেমে কাঁটায় ছেয়ে থাকা ঝোপ–জঙ্গল পার হয়ে এগোতে থাকলে চোখের সামনে এসে দঁাড়াবে একটি উঁচু পাহাড়। তার ঢাল বেয়ে উঠলে দেখবেন সরু দুধসাদা জলের রেখা নিচের দিকে নেমে গেছে। সামনে এগোলে জলের ধারাটাও বড় হতে থাকবে। আরও ২০-২৫ মিনিট হাঁটার পর পাহাড়ের সবুজ বেষ্টনী ভেদ করে দেখতে পাবেন ঝরনা। ৩০ থেকে ৩৫ ফুট উঁচু থেকে গড়িয়ে পড়ছে জলরাশি। ঝরনার জলে রোদ এসে পড়লে মনে হয় অসংখ্য হিরে শব্দ করে গড়িয়ে পড়ছে নিচের দিকে। এরপর আর একটু ওপরে উঠলে স্তরে স্তরে সাজানো তিনটি ছোট ঝরনার দেখা পাবেন। আর জল পড়ার শব্দও যে কত বিচিত্র হতে পারে, তা এখানে না এলে জানা হবে না। কোথাও ছলছল, কোথাও কলকল, ঝিমঝিম, ফুট ফুট, ফটফট কত অদ্ভুত শব্দেই যে তাকে অনুবাদ কারা যায়!
Comments