Posts

যে ১০টি বদঅভ্যাস কিডনি ধ্বংস করছে

Image
রোববার, ০৩ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৮:০৩:৪৫ অপরাহ্ন   কিডনি আমাদের দেহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোর একটি। প্রতিদিন আমাদের দুটি কিডনি ১২০-১৫০ কোয়ার্ট রক্ত, বর্জ্য এবং অতিরিক্ত তরল ফিল্টার করে ১-২ কোয়ার্ট পেশাব উৎপাদন করে। শরীরে কোনো বিষাক্ত বর্জ্য জমতে দেয় না কিডনি। ইলেকট্রোলাইট নিয়ন্ত্রণ এবং হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখার হরমোন উৎপাদনও করে কিডনি। এছাড়া লাল রক্ত কনিকা উৎপাদন এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও কাজ করে কিডনি। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ কীভাবে ভালো থাকবে তা জানাটা যে জরুরি সেটা বলাই বাহুল্য। এখানে রইল প্রতিদিনের এমন ১০টি অভ্যাসের বিবরণ যেগুলো আপনার কিডনিকে ধ্বংস করছে। ১. অতিরিক্ত মদপান প্রতিদিন এক পেগের বেশি মদপান করলে কিডনি বিকল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়ে। কারণ অ্যালকোহল কিডনি এবং লিভারের ওপর অতিরিক্ত চাপ ফেলে। ২. পেশাব ধরে রাখা সময় মতো পেশাব না করে তা চেপে রাখলে কিডনির ওপর যে চাপ পড়ে তার ফলে কিডনি বিকল হওয়া এবং কিডনিতে পাথর হওয়ার মতো বিপদ ডেকে আনতে পারে। ৩. পর্যাপ্ত পানি পান না করা আপনি যদি পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান না করেন তাহলে দেহ থেকে যেসব বর্জ্য এবং বিষ বের হয়ে যাওয়ার কথ...

বাঙালি বউ নিয়ে সুখের সংসার আফ্রিকান ফুটবলারের

Image
রাশেদুল ইসলাম ২৯ জানুয়ারি ২০১৮, ২৩:৫৮     ৩ * ২০১১ সাল থেকে ঢাকার ফুটবলে নিয়মিত মুখ এলিটা কিংসলে * নাইজেরিয়ান ফুটবলার এলিটা কিংসলে বাঙালি লিজাকে বিয়ে করেছেন * ঝগড়া হলে লিজা বা এলিটা মন খুলে ঝগড়া করতে পারেন না। লিজা খুব ভালো ইংরেজি বলতে পারেন না, এলিটাও পারেন না ভালো বাংলা বলতে এলিটা কিংসলে ও লিজা দম্পতি। সংগৃহীত ছবি ‘হ্যাপি ম্যারি ক্রিসমাস’ লেখা বড় স্টিকার ঝুলছে দরজার বাইরে। কলিং বেলের শব্দে দরজা খোলার পর ‘আসসালামু আলাইকুম’ও শোনা গেল। সম্বোধনের জবাব দিয়ে ভেতরে বসতে বসতে মাথায় এল, ক্ষণিকের ব্যবধানে ‘হ্যাপি ম্যারি ক্রিসমাস’ ও ‘আসসালামু আলাইকুম’ অনভ্যস্ত কানে কিছুটা অদ্ভুত লাগবেই। কিন্তু সে অস্বস্তিটা মিলিয়ে যায় মুহূর্তেই, দারুণ এক গল্প শোনার অপেক্ষায়। ২০১২ সালের প্রথম দিককার কথা। ক্লাবের অনুশীলন শেষে রেস্টুরেন্টে গিয়ে বসতেন এক ফুটবলার। সেখানে দেখা মিলত এক নারীর, ছেলেকে স্কুলের টিফিন কিনে দিতে ঢুকতেন তিনি। নিয়মিত চোখাচোখি হতো, কথাবার্তাও শুরু হলো। এ প্লেট থেকে খাবার ও প্লেটে, মন আদান-প্রদান হতেও সময় লাগল না। দুই জোড়া হাতের এক হয...

গাধা নিয়ে যেসব কৌতুক আমি জানি

আনিসুল হক ২৬ জানুয়ারি ২০১৮, ০৯:০৯ প্রিন্ট সংস্করণp     ১৯ গাধাবিষয়ক অনেক কৌতুক আছে। সার্কাস দলে ছিল এক গাধা। তার সঙ্গে কথা হচ্ছে গৃহস্থের গাধার। সার্কাসের গাধা বলল, খুব কষ্টে আছি। খেতে পাই না। আবার বকাঝকা খাই। গৃহস্থের গাধা বলল, তাহলে এই দল ছেড়ে চলে যাও না কেন। সার্কাসের গাধা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, এখানে কষ্ট থাকলেও একটা আশা আছে। আশায় আশায় আছি। সার্কাসের মালিকের সুন্দরী মেয়ে আছে। সে দড়ির ওপর দিয়ে হাঁটে। মালিক তাকে বলেছে, ঠিকভাবে হাঁট। যদি পড়ে যাস, তাহলে তোকে গাধাটার সাথে বিয়ে দিয়ে দেব। আশায় আশায় আছি, যদি দড়িটা ছেঁড়ে... আরেকটা গাধা একটা স্কুলের সামনে দিয়ে যাচ্ছে। শুনতে পেল, এক অভিভাবক বলছে, মাস্টারমশাই, আমার ছেলে তো বোকাসোকা, দেখেন ওকে মানুষ করতে পারেন কি না। মাস্টার বললেন, রেখে দিয়ে যান। কোনো চিন্তা নাই। কত গাধাকে পিটিয়ে মানুষ করলাম। আর আপনারটা তো কেবলই বোকাসোকা। পারব। গাধা স্কুলের আশপাশে ঘুরতে লাগল। মাস্টারের চোখে যদি সে পড়ে। তাকে যদি মাস্টারমশাই পিটিয়ে মানুষ করে দেন। একদিন এক লোক ঘোড়ার পিঠে চড়ে যাচ্ছে। শুনতে পেল, এই বিশ্ববিদ্যালয়ে...
তেজ -দেবব্রত সিংহ কবিতা ককটেল   দেবব্রত সিংহ 1 Comment   4,356 Views ‘মু জামবনির কুঁইরি পাড়ার শিবু কুঁইরির বিটি সাঁঝলি বটে।’ কাগজওয়ালারা বইললেক, “উঁ অতটুকু বইললে হবেক কেনে? তুমি এবারকার মাধ্যমিকে পত্থম হইছ। তোমাকে বইলতে হবেক আরো কিছু।” পঞ্চায়েতের অনি বৌদি, পধান, উপপধান, এইমেলে, এম.পি- সব একেবারে হামলিয়ে পড়ল আমাদের মাটির কুঁইড়েঘরে। জামবনি ইস্কুলের হেডমাস্টার কোন বিহান বেলায় টিনের আগর খুইলে, হেইকে, ডেইকে, ঘুম ভাঙাই- খবরটা যখন পথম শুনালেক তখন মাকে জড়াই শুয়ে ছিলুম আমি। কুঁড়াঘরের ঘুটঘুইটা আঁধারে হেডমাস্টার মশাইরে দেইখে চোখ কচালে মায়ের পারা আমিও হাঁ – হয়ে ভাইবে ছিলেম। -একি স্বপন দেখছি নাকি- স্যার বইলল, এটা স্বপুন লয়, স্বপুন লয়, সত্যি বইটে। কথাটো শুইনে কেঁইনদে ভাসায়েছিলুম আমরা মা বিটি। আজ বাপ বেঁইচে থাইকলে আমি মানুষটাকে দেখাইতে পাইত্থম। দেখাইতে পাইতত্থেম বহুত কিছু- আমার বুকের ভিতর যে তেজালো সইনঝা বাতিটা জ্বালায়ে ছিল মানুষটা। সেই বাতিটা আজকে কেমন আমাদের কুঁইড়ে ঘরটাকে আলো কইরেছে। সেটো দেখাইতে পাইত্থম। আপনারা বইলছেন বটে “তুমাদের মতো মেইয়ারা যদি উঠে আসে তবে ভারতবর্ষ উঠ...

জিভের রঙ দেখে জানুন আপনি সুস্থ না রোগাক্রান্ত

Image
 একুশে টেলিভিশন  প্রকাশিত : ০২:৩১ পিএম, ২৮ জুন ২০১৭ বুধবার |  আপডেট: ০৩:৪৯ পিএম, ২৯ জুন ২০১৭ বৃহস্পতিবার অসুস্থ্য শরীর নিয়ে হাসাপাতাল কিংবা ক্লিনিকে গেলে প্রথমে জিভটা দেখাতে বলেন চিকিৎসক। কারণ, জিভের রঙ ও আকার দেখে শারীরিক সমস্যার বিষয়টি বুঝতে পারেন চিকিৎসক। শতাব্দি পুরনো এই পন্থা আসলে চীনাদের চিকিৎসা পদ্ধতির অঙ্গ ছিল। আপনিও বাড়িতে বসেই শরীরে কোথায় সমস্যা তা জানতে পারেন নিজের জিভ দেখেই। ১) জিভের ওপর পাতলা সাদা আবরণ জিভ মূলত আমাদের পরিপাকতন্ত্রের খবরাখবর জানায়। কারণ জিভ থেকেই এই তন্ত্রে শুরু। জিভের ওপর যদি পাতলা সাদা একটি আস্তরণ থাকে, তা হলে বুঝবেন হজমে কোনো সমস্যা নেই। পরিপাকতন্ত্র ঠিকমতো কাজ করছে। ২) মোটা সাদা আস্তরণ এটা শরীর খারাপের সংকেত। এটা হলে বুঝবেন শরীরে কোথাও চোট রয়েছে অথবা ভেতরে ভেতর শরীর খারাপ হচ্ছে। শরীরে কোনো একটি অংশ ঠিক মতো কাজ করছে না। হলুদ আস্তরণ মূলত জ্বর হলে জিভের ওপর হলুদ আস্তরণ পড়ে। দেহের তাপমাত্রা অনেক কারণে বাড়তে পারে। সেটা ব্যাক্টেরিয়া সংক্রমণ হতে পারে, শরীরের কোনো অংশ ফুলে গিয়ে থাকতে পারে। ৪) উপ...

জিভে জল আনা জলপাই

Image
      জলপাই গুণাগুণ: জলপাই খোসাসহ খেতে হয়। খোসায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আঁশ। এই আঁশ নিয়মিত খাবার হজমে সাহায্য করে। আর পাকস্থলী, ক্ষুদ্রান্ত, বৃহদান্ত, কোলনের ক্যানসারের ঝুঁকি কমায় এই মৌসুমের ফল জলপাই। এটি টকজাতীয় ফল। শুধু ফল হিসেবে নয়, এর তেল খুব স্বাস্থ্যকর। রান্না ও আচারের কাঁচা জলপাইয়ে পুষ্টি বেশি। বারডেম হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ আখতারুন নাহার আলো বলেন, ‘১০০ গ্রাম জলপাইয়ে থাকে ৭০ ক্যালরি। এতে শর্করা ১৬.২ গ্রাম, খনিজ ৩.১ মিলিগ্রাম ও ভিটামিন সি থাকে ৩৯ মিলিগ্রাম। যেকোনো বয়সের জন্য বিশেষ করে হূদরোগী ও অস্ত্রোপচারের পর জলপাই খেলে উপকার পাওয়া যায়।’ জলপাইয়ের ভিটামিন সি ও ভিটামিন এ ত্বক, চুল, দাঁতের উজ্জ্বলতা ও পুষ্টি জোগায়। সংক্রামক ও ছোঁয়াচে রোগগুলোকে রাখে অনেক দূরে। এ ছাড়া জীবাণুর আক্রমণ, চোখ ওঠা, চোখের পাতায় লালচে ফোড়া এই সমস্যাগুলোর বিরুদ্ধে কাজ করে। জলপাই খোসাসহ খেতে হয়। খোসায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আঁশ। এই আঁশ নিয়মিত খাবার হজমে সাহায্য করে। আর পাকস্থলী, ক্ষুদ্রান্ত, বৃহদান্ত, কোলনের ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। রক্ত চলাচল ঠিক রেখে হূৎপিণ্ডকে সঠিকভাবে কাজ করতে অবদান...

আমের নাম তাইওয়ান গ্রিন

Image
বাংলাদেশ বিবিধ কৃষি আনোয়ার হোসেন,  ১৩  ২০১৭, ০২:৩০ প্রিন্ট সংস্কর চাঁপাইনবাবগঞ্জ হর্টিকালচার সেন্টারের বাগানের গাছে ঝুলছে তাইওয়ান গ্রিন আম। ছবিটি সম্প্রতি তোলা l প্রথম আলো আমের নাম তাইওয়ান গ্রিন। আম তো নয়, যেন ছোটখাটো লাউ। গাঢ় সবুজ রঙের একেকটি আমের ওজন ৯০০ গ্রাম থেকে সোয়া কেজি। চাঁপাইনবাবগঞ্জ হর্টিকালচার সেন্টারের গবেষণা বাগানের দুটি গাছে ঝুলছে এমন আম। কৃষিবিদদের মতে, শুধু আকৃতি ও ওজনের দিক থেকেই নয়, গুণ ও মানেও আমপ্রেমীদের মন জয় করবে এই আম। চাঁপাইনবাবগঞ্জ হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালক সাইফুর রহমান  প্রথম আলো কে বলেন, ভিয়েতনাম থেকে আনা হয়েছে এই জাত। ভিয়েতনাম থেকে রপ্তানিযোগ্য আমের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে এই আম। ২০১২ সালে শিক্ষাসফরে ভিয়েতনামে যান বাংলাদেশের বিভিন্ন হর্টিকালচার সেন্টারের ১২ জন উদ্যানতত্ত্ববিদ। সম্ভাবনাময় জাত মনে করে তাঁরা তাইওয়ান গ্রিনের ‘সায়ন’ (চারা তৈরির উপযোগী ডগা) সংগ্রহ করে নিয়ে আসেন বাংলাদেশে। চারা তৈরির পর ২০১৩ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ হর্টিকালচার...