Posts

Showing posts from March, 2021

নিজের পায়ে দাঁড়ানোর গল্প

Image
  অর্থনীতির অর্জন জাহাঙ্গীর শাহ ঢাকা প্রকাশ: ২৬ মার্চ ২০২১, ০৭: ০০ অ + অ - বাংলাদেশের অর্থনীতি বদলে গেছে। স্বাধীনতার পরের প্রায় দু্ই দশক দেশের অর্থনীতি বিদেশি সাহায্যনির্ভর ছিল। বিদেশি সহায়তা ছাড়া উন্নয়ন বাজেট করা যেত না। দাতাগোষ্ঠীর অর্থ ছাড়া উন্নয়ন প্রকল্প নেওয়া কঠিন ছিল। গত ৫০ বছরে সেই চিত্র প্রায় পুরোটাই পাল্টে গেছে। বাংলাদেশ এখন বাণিজ্যনির্ভর অর্থনীতির দেশ হয়েছে। বাণিজ্যনির্ভর অর্থনীতির কারণে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে অর্থ জোগানের ক্ষমতা বেড়েছে বহু গুণ। নব্বইয়ের দশকে অর্থনীতি উদারীকরণের সুফল মিলছে। বাণিজ্যনির্ভর অর্থনীতির দেশে রূপান্তরের পেছনে এ দেশের উদ্যোক্তারাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। পরিবর্তন কেমন হলো, এর একটি তুলনা দেওয়া যেতে পারে। সাধারণত উন্নয়ন প্রকল্পের খরচের জন্য দাতা দেশ ও সংস্থাগুলো ঋণ দেয়। ১৯৭২-৭৩ সালের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার ছিল ৫০১ কোটি টাকা। এডিপির ৭৫ শতাংশ অর্থ দিয়েছিল দাতারা। পাঁচ দশক পরে এডিপিতে বিদেশি সহায়তার পরিমাণ কমে দাঁড়ায় ৩৩ শতাংশ। এবার দেখা যাক, গত পাঁচ দশকে দেশে উদ্যোক্তা কত বেড়েছে। ১৯৭৩ সালের জুন মাসে দেশে শিল্পকারখ...

এক বাগানেই কোটি টাকা আয়

Image
  নওগাঁর সাপাহার উপজেলার ফুটকইল গ্রামে ৯৬ বিঘা জমিতে আম আর বরইয়ের মিশ্র বাগান করেছেন কৃষক সাখাওয়াত হাবিব। ওমর ফারুক  নওগাঁ প্রকাশ: ২৪ মার্চ ২০২১, ০৭: ৪৭ অ + অ - সাখাওয়াত হাবিবের মিশ্র ফল বাগানে চলে বরই তোলার কাজ। সম্প্রতি নওগাঁর সাপাহারের ফুটকইলে ছবি: প্রথম আলো ৯৬ বিঘা জমিজুড়ে দুই বছর আগে ১২ হাজার ৮০০টি আমের গাছ লাগিয়েছিলেন নওগাঁর সাপাহার উপজেলার কৃষক সাখাওয়াত হাবিব (৪৫)। ১০ মাস আগে সেই বাগানের আমগাছের সারির ফাঁকা জায়গায় বিভিন্ন জাতের ১১ হাজার ৭০০টি বরইগাছ লাগান। আমগাছগুলো থেকে গত বছরই ফলন পান। আর এবারই প্রথম বরইগাছগুলোতে বরই ধরেছে। এক সপ্তাহ ধরে বরই বিক্রি শুরু করেছেন সাখাওয়াত। প্রতিদিন ৭০ থেকে ৮০ মণ বরই নামছে তাঁর বাগান থেকে। সাখাওয়াতের এই মিশ্র ফলের বাগান উপজেলা সদর থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরের শিরন্টি ইউনিয়নের ফুটকইল গ্রামে। তাঁর এই বাগান থেকে গত বছর শুধু আম বিক্রি করেছিলেন ২৫ লাখ টাকার। এ বছর মুকুল আসার পরপরই সম্ভাব্য ফলন ধরে নিয়ে ব্যবসায়ীদের কাছে ৪১ লাখ টাকায় বিক্রির চুক্তি করেছেন। আর বরই বিক্রির আশা করছেন ৭০ লাখ টাকার। সব মিলিয়ে মিশ্র বাগান থেকে এ বছরে প্রায় ১ কোটি ১১...

যে সকল ভুলের সুযোগে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট লুট করতে পারে হ্যাকাররা!

  | প্রকাশের সময় : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ৬:১৮ পিএম কোনও অনলাইন লেনদেন ভেরিফিকেশনের ওটিপি হ্যাকারদের হাতে পড়ে গেলেই সর্বনাশ! ওই লেনদেন অর্থ তো বটেই, ওই লেনদেনের সঙ্গে সংযুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত খালি করে দিতে পারে হ্যাকাররা। ওটিপি অর্থাৎ ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড যা কেবল একবারই ব্যবহার করা যায়। অনলাইন লেনদেনের ক্ষেত্রে এই ওটিপি ভেরিফিকেশন করার মাধ্যমে ওই লেনদেন সুরক্ষিত করা হয়। তাই এই ওটিপি কখনওই কারও সঙ্গে শেয়ার করা উচিৎ নয়।    তবে জানেন কি ওটিপি না বললেও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, ডেবিট, ক্রেডিট কার্ড থেকে টাকা লুঠ করে নিতে পারে হ্যাকাররা! কোন কোন ক্ষেত্রে, কী ভাবে ওটিপি ছাড়াই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, ডেবিট, ক্রেডিট কার্ড থেকে টাকা তুলতে পারে জালিয়াতরা? আসুন দেখে নিই...   আপনার অ্যাকাউন্টে কোনও অচেনা অ্যাকাউন্ট থেকে বা ফোন নম্বর থেকে অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে কিছু টাকা চলে এল। তার পর, ওই নম্বর থেকে আসবে ফোন। ফোনে বলা হবে, ভুল বশত আপনাকে ওই টাকা পাঠানো হয়েছে, তাই তা ফেরৎ দিতে। আপনি রাজি হয়ে গেলেই বলবে কিউআর কোড স্ক্যান করতে। আপনি রাজি হলেই কিউআর কোড স্ক্যান করে আপনার ব্...

বিনিয়োগকারী ওয়ারেন বাফেটের নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে বিশ্বখ্যাত হওয়ার গল্প।

Image
  বিশ্ববাণিজ্য বাণিজ্য ডেস্ক প্রকাশ: ০২ মার্চ ২০২১, ১২: ৫৭ অ + অ - কিংবদন্তি বিনিয়োগকারী ওয়ারেন বাফেটের পরিচয়ের শেষ নেই। যুক্তরাষ্ট্রের নেবারস্কা অঙ্গরাজ্যের শহর ওহামার বাসিন্দা বাফেটকে কখনো বলা হয় ‘ওরাকল অব ওহামা’, কখনোবা বিনিয়োগগুরু। বিশ্বের অন্যতম এই শীর্ষ ধনী সমাজসেবী হিসেবেও বড় পরিচয় ধারণ করেন। তবে এত পরিচয়ের মধ্যে বাফেটের যে বিষয় সারা বিশ্বের বিনিয়োগকারীদের জন্য পাঠ্য হয়ে রয়েছে, তা হলো তাঁর বিপুল অভিজ্ঞতা। বাফেটও মনে করেন, অভিজ্ঞতাই সফল বিনিয়োগকারী হওয়ার চাবিকাঠি। নতুন বিনিয়োগকারীরা অভিজ্ঞদের কাছ থেকে শিখতে পারেন। অভিজ্ঞতার কথাই যখন এল, তখন প্রথমেই প্রশ্ন আসে কত বছর বয়স থেকে বিনিয়োগ শুরু করেছেন বাফেট? উত্তর হলো ১১ বছর বয়স থেকে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ শুরু করেন বাফেট। যে বয়সে অন্য কিশোরেরা খেলায় মেতে থাকে, বাফেট তখন স্টক কিনতেন। ১৯৪২ সালে মাত্র ১১ বছর বয়সের বাফেট ৩৮ ডলারের বিনিময়ে সিটিস সার্ভিস প্রেফার্ডের (বর্তমানে সিআইটিজিও হিসাবে পরিচিত) ছয়টি শেয়ার কিনেছিলেন। সে সময় দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ চলছিল আর পার্ল হারবার আক্রান্ত হয়েছিল। আর এতে কমে গিয়েছিল শেয়ারের দাম। সে সুযোগই কাজে লাগিয়েছিলে...