Posts

Showing posts from January, 2020

‘এখন মেয়েটার শরীরে চামড়া নাই, হাড় বেরিয়েছে’

Image
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা ২৭ জানুয়ারি ২০২০, ২২:০৭   আপডেট:  ২৭ জানুয়ারি ২০২০, ২৩:০১     ৪ শেখ সামাওয়া জাহরি সরৌশী। ছবি: ফেসবুক থেকে নেওয়া ‘আমার তুলতুলে একটা মেয়ে ছিল। এখন মেয়েটার শরীরে চামড়া নাই, হাড় বেরিয়েছি। মেয়েকে দেখে আমরা আর সহ্য করতে পারছি না। এটা মানা যায় না। মানতে পারছি না। সবকিছু সৃষ্টিকর্তার হাতে ছেড়ে দিয়েছি’—এভাবেই কথাগুলো বললেন শেখ গোলামুন্নবী জায়েদ। তাঁর মেয়ে শেখ সামাওয়া জাহরি সরৌশী।মাত্র ২ বছর ৪ মাস বয়সী মেয়েটা এখন হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি। গরম পানিতে ঝলসে গেছে ছোট শরীরের বেশির ভাগ অংশ। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, পোড়ার পরিমাণ ৩৩ শতাংশ। শেখ গোলামুন্নবী জায়েদ বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল নিউজ ২৪-এর প্রতিবেদক এবং সংবাদ উপস্থাপক। সরৌশীর মা ওরিন নাশিদ ঋদি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের শিক্ষক। ২৪ জানুয়ারি বিকেলে রান্নাঘরে গামলার মধ্যে রাখা গরম পানিতে ঝলসে গেছে সরৌশী। ঘটনার পর প্রথমে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি ছিল। সেখান থেকে গতকাল রোববার রাতে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্...

'কথাসাহিত্যের কাজ মায়া সৃষ্টি করা’

Image
মশিউল আলম ২২ নভেম্বর ২০১৯, ১২:২৯ আপডেট:  ২২ নভেম্বর ২০১৯, ১২:৪২ প্রিন্ট সংস্করণ     ৩ বাংলাদেশ নিয়ে আবার উপন্যাস লিখবেন মনিকা আলী। ছবি: অন্য আলো বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ঔপন্যাসিক মনিকা আলীর সঙ্গে আলাপন। সম্প্রতি বাংলাদেশে এসেছিলেন ব্রিক লেনখ্যাত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ঔপন্যাসিক মনিকা আলী। প্রথম আলোর সঙ্গে অন্তরঙ্গ আলাপনে তিনি জানালেন নিজের লেখালেখি, মা–বাবা এবং বাংলাদেশ সম্পর্কে তাঁর অনুভবের কথা। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন  মশিউল আলম । জন্ম মনিকা আলীর জন্ম ঢাকা শহরে, ১৯৬৭ সালে। বাঙালি পিতা ও ইংরেজ মায়ের ঘরে জন্ম নেওয়া মনিকা ১৯৭১ সালে মাত্র সাড়ে তিন বছর বয়সেই তাঁদের সঙ্গে লন্ডনে পাড়ি জমান। তাঁর পূর্বপুরুষদের ভিটা ছিল ময়মনসিংহ এলাকায়। পড়াশোনা লন্ডনে প্রথমে বোল্টন স্কুল, পরে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে দর্শন, রাজনীতি ও অর্থনীতি বিষয়ে পড়াশোনা করেন মনিকা। লেখালেখি ২০০৩ সালে তাঁর প্রথম উপন্যাস  ব্রিক লেন  প্রকাশ পাওয়ার পরই সাড়া পড়ে গিয়েছিল। স্বল্পশিক্ষিতা অল্পবয়সী বাঙালি মেয়ে নাজনিনের বয়স্ক এক প্রবাসীকে বিয়ের পর লন্ডনে এ...

কংক্রিটের জঙ্গলে নতুন আশা দেখাচ্ছেন গবেষকেরা

Image
ফজলুল কবির ১৮ জানুয়ারি ২০২০, ০৯:০০ আপডেট:  ১৮ জানুয়ারি ২০২০, ০৯:০০     যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডো বিশ্ববিদ্যালয়ের এক দল বিজ্ঞানী এমন এক ধরনের কংক্রিট তৈরি করেছেন, যা জীবন্ত সত্তার মতো কাজ করবে। পুনরুৎপাদনে সক্ষম এ কংক্রিট নির্মাণ খাতে এক বড় ধরনের পরিবর্তন নিয়ে আসছে। পরিবেশবান্ধব এ কংক্রিট সব অর্থেই ‘সবুজ’। প্রাণহীন, রূঢ় শুধু নয়, প্রাণের বিপরীত বাস্তবতার উপমা হিসেবে সারা বিশ্বের কবি ও শিল্পীরা বরাবরই ইট-কাঠ-পাথরকে ব্যবহার করেছেন। প্রকৃতির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে যে নগরসভ্যতার সূচনা হয়েছিল এবং যা আরও আরও সবেগে ছুটে চলেছে অজানা ভবিষ্যতের দিকে, তার বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে কবিদের এ ছাড়া আর কোনো গত্যন্তর ছিল না। সেই কবেই কিংবদন্তি শিল্পী বব মার্লে লিখে গেছেন, গেয়ে গেছেন তাঁর গান ‘কংক্রিট জঙ্গল’। সেই গানে অবধারিতভাবেই উঠে এসেছে প্রকৃতি-বিচ্ছিন্ন নগরজীবনের ভয়াবহ বাস্তবতার কথা। বব মার্লে বলছেন, ‘আমার আকাশে আজ সূর্য উঠবে না/ সুদূর ওই হলদে চাঁদের দেখা মিলবে না।’ শুধু বব মার্লে কেন ইট-পাথর ও কংক্রিটের নিষ্প্রাণ কাঠামোয় জেরবার হয়ে দু ছত্র লেখেননি এমন কবি...