অ্যান্টিবায়োটিক অকার্যকরে বিপদ
জীবনযাপন পরামর্শ অধ্যাপক খাজা নাজিমুদ্দিন, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ২২ নভেম্বর ২০১৯, ১১:৩৬ আপডেট: ২২ নভেম্বর ২০১৯, ১১:৩৯ প্রিন্ট সংস্করণ জীবাণু ক্রমে নিজেদের মধ্যে অ্যান্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে বলে অ্যান্টিবায়োটিক একসময় আর তার বিপরীতে কাজ করে না, এটাকে বলে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স বা সহিষ্ণুতা। রেজিস্ট্যান্স অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মানবসৃষ্ট। বিশ্ব অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স সপ্তাহ পালিত হয় প্রতিবছর নভেম্বরে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অ্যান্টিবায়োটিক সহিষ্ণুতাকে অদৃশ্য মহামারি আখ্যা দিয়েছে। কীভাবে সহিষ্ণুতা উৎপন্ন হয় জীবাণুগুলো নিজেদের এমনভাবে পরিবর্তন করে যে অ্যান্টিবায়োটিককে তার শরীরে আর প্রবেশ করতে দেয় না বা অ্যান্টিবায়োটিক যে জায়গায় (যেমন কোষের প্রাচীর) কাজ করে সেটার আদল বা গঠনেই পরিবর্তন আনে। কখনো এমন এনজাইম উৎপাদন করে, যা অ্যান্টিবায়োটিককে ভেঙে ফেলে। এই সহিষ্ণুতা জীবাণুর পরবর্তী প্রজন্মে ছড়ায়। ৬০ শতাংশ টাইফয়েড জ্বরে এখন সিপ্রফ্লক্সাসিন অকার্যকর...