Posts

Showing posts from 2019

অ্যান্টিবায়োটিক অকার্যকরে বিপদ

Image
জীবনযাপন পরামর্শ অধ্যাপক খাজা নাজিমুদ্দিন, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ২২ নভেম্বর ২০১৯, ১১:৩৬ আপডেট:  ২২ নভেম্বর ২০১৯, ১১:৩৯ প্রিন্ট সংস্করণ     জীবাণু ক্রমে নিজেদের মধ্যে অ্যান্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে বলে অ্যান্টিবায়োটিক একসময় আর তার বিপরীতে কাজ করে না, এটাকে বলে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স বা সহিষ্ণুতা। রেজিস্ট্যান্স অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মানবসৃষ্ট। বিশ্ব অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স সপ্তাহ পালিত হয় প্রতিবছর নভেম্বরে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অ্যান্টিবায়োটিক সহিষ্ণুতাকে অদৃশ্য মহামারি আখ্যা দিয়েছে। কীভাবে  সহিষ্ণুতা উৎপন্ন হয় জীবাণুগুলো নিজেদের এমনভাবে পরিবর্তন করে যে অ্যান্টিবায়োটিককে তার শরীরে আর প্রবেশ করতে দেয় না বা অ্যান্টিবায়োটিক যে জায়গায় (যেমন কোষের প্রাচীর) কাজ করে সেটার আদল বা গঠনেই পরিবর্তন আনে। কখনো এমন এনজাইম উৎপাদন করে, যা অ্যান্টিবায়োটিককে ভেঙে ফেলে। এই সহিষ্ণুতা জীবাণুর পরবর্তী প্রজন্মে ছড়ায়। ৬০ শতাংশ টাইফয়েড জ্বরে এখন সিপ্রফ্লক্সাসিন অকার্যকর...

গ্যাস্ট্রিকের ওষুধে ক্যান্সারের উপাদান, কী করবেন?

Image
গ্যাস্ট্রিক ও পেটের পেটের পীড়ার নানা উপসর্গের চিকিৎসায় ব্যবহৃত গ্যাস্ট্রিকের ওষুধে ক্যান্সারের উপাদান পাওয়া গেছে। জীবনযাত্রার নানান ক্ষতিকর দিকের একটি হল বুক জ্বালাপোড়া ও অম্লভাব বা ‘অ্যাসিডিটি’। চিকিৎসা-বিজ্ঞানের সঙ্গানুসারে স্বাস্থবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, পাকস্থলিতে থাকা ‘গ্যাস্ট্রিক’ গ্রন্থিগুলো থেকে অতিরিক্ত অ্যাসিড নিঃসৃত হলে এই অম্লভাব দেখা দেয়। আর এর কারণে বুকের নিচের অংশে হতে পারে জ্বালাপোড়া। বুক জ্বালাপোড়া কমানোর একটি ওষুধ হল ‘অ্যান্টাসিড’। এই ওষুধ প্রায় সবার ঘরেই থাকে।আবার অনেক সময় অনেকে তা সঙ্গে রাখেন। আর সামান্য অস্বস্তি হলেই ওষুধ খেয়ে ফেলেন। আর এখানেই বিপত্তি। গ্যাস্ট্রিকের ওষুধে ক্যান্সারের ঝুঁকি গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় ব্যবহৃত রেনিটিডিন গ্রুপের ওষুধে ক্যান্সারের উপাদান পাওয়া গেছে। তাই কয়েকটি কোম্পানি তাদের রেনিটিডিন জাতীয় ওষুধ প্রত্যাহার করেছে।   এই গ্রুপের ওষুধে ‘এন-নাইট্রোসোডিমিথাইলামিন (এনডিএমএ)’ নামক এক উপাদানের অস্তিত্ব খুঁজে পায়। ‘ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর রিসার্চ অন ক্যান্সার (আইএআরসি)’ এই উপাদানকে মানুষের দেহে ক্যান্সারের জন...

চুই ঝালের উপকারিতা সমূহ

Image
- o + প্রিন্ট চুই ঝাল  হচ্ছে পিপারাসি পরিবারের সপুষ্পক লতা। পান ও চুই ঝাল একই পরিবারের। চুই ঝাল গাছ দেখতে পানের লতার মতো। পাতা কিছুটা লম্বা ও পুরু। পাতায় ঝাল নেই। উঁচু জায়গায় চুইঝালগাছ ভালো হয়। গোড়ায় পানি জমলে গাছ পচে যায়। গাছে ফুল-ফল হয়। বীজ থেকে চারাও হয়। তবে শিকড়সহ গিঁট কেটে লাগালে সহজে চারা হয়। গাছটির কাণ্ড বা লতা মসলা হিসেবে ব্যবহার হয়। রান্নায় এর ঝাল খাবারের স্বাদ বাড়ায় আবার শরীরেরও কোনো ক্ষতি করে না। ঝোল জাতীয় মাছ-মাংস সব কিছুতেই স্বাদ তৈরি করে। এদের কাণ্ড, শিকড়, পাতা, ফুল, ফলের ঔষধি গুণ আছে। বাংলাদেশের দক্ষিণপশ্চিম অঞ্চলের জেলা খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট এবং নড়াইল এলাকায় এই চুইঝাল মসলা হিসেবে খুব জনপ্রিয়। আজকের লেখাতে থাকছে এই চুই ঝালের কিছু উপকারিতার কথা। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক চুই ঝালের উপকারিতা সমূহঃ (১) ক্যান্সার প্রতিরোধে: এতে প্রচুর পরিমাণ আইসোফ্লাভোন ও অ্যালকালয়েড নামক ফাইটোক্যামিকাল রয়েছে যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং ক্যান্সার প্রতিরোধে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। (২) পাকস্থলীর সমস্যা দূরীকরণে: পাকস্থলী...

রং ও আকার দেখে ইলিশ চিনুন

Image
ইফতেখার মাহমুদ ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১:৩০ আপডেট:  ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১:৫৬ প্রিন্ট সংস্করণ     ৭ এক সপ্তাহ ধরে বাজার থেকে অন্য মাছগুলো মোটামুটি বিদায় নিয়েছে। বাজার ভরে উঠছে সাদা চকচকে রুপালি ইলিশে। পাঁচ-ছয় বছর আগেও এক কেজি ওজনের ইলিশ বাজারে খুঁজে পাওয়া ছিল দুষ্কর, এখন তো মাঝারি আর বড় আকৃতির ইলিশই বেশি। কিন্তু আকৃতিতে বড় আর সাদা চকচকে রং হলেই কি ইলিশ স্বাদের হবে? ইলিশ কিনতে গেলে এই দ্বন্দ্বে পড়েন ক্রেতারা। কেনার জন্য টুকরিতে রাখা যেই ইলিশের দিকে আঙুল তাক করবেন বিক্রেতা, অবশ্য সেটাকেই সেরা বলবেন। তাকে তো বিক্রি করতে হবে, তাই না।  অনেক আগে থেকে অবশ্য একটি কথার প্রচলন আছে, তা হচ্ছে পদ্মার ইলিশ নাকি সেরা। কিন্তু বাজারে কি আদৌ পদ্মার ইলিশ খুব বেশি পাওয়া যায়। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের হিসাব বলছে, সারা বছরে দেশে যে প্রায় ৫ লাখ টন ইলিশ ধরা পড়ে, তার মাত্র ১০ শতাংশ আসে পদ্মা থেকে। বড় অংশ ধরা হয় মেঘনা ও উপকূলীয় নদী এবং বঙ্গোপসাগর থেকে। সংখ্যার দিক থেকে এখনো সাগর ও উপকূলের ইলিশই বেশি। তবে স্বাদের দিক থেকে সাগরের ইলিশ সবচেয়ে পিছিয়ে। পদ্মার...

সালমান খানের দুই মা

Image
দুই মায়ের সঙ্গে সালমান খান। ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে নেওয়া সালমান খানের বাবা সেলিম খান বলিউডের প্রখ্যাত চিত্রনাট্যকার। তবে তিনি চলচ্চিত্রে অভিনয়ও করেছেন। প্রথম অভিনয়ের সুযোগ পান ‘বরাত’ (১৯৬০) ছবিতে। এরপর ১৯৭০ সাল পর্যন্ত তিনি ১৪টি ছবিতে অভিনয় করেছেন। তবে কোনো ছবিতেই উল্লেখযোগ্য চরিত্রে কাজ করার সুযোগ পাননি। ১৯৭১ সাল থেকে তিনি চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্য লেখায় মন দেন। ১৯৬৪ সালের ১৮ নভেম্বর সুশীলা চরককে বিয়ে করেন সেলিম খান। সালমা নামে তিনি বেশ পরিচিত। সেলিম খান ও সালমা দম্পতির চার সন্তান—আরবাজ খান, সালমান খান, সোহেল খান ও আলভিরা খান। ১৯৮১ সালে সেলিম খান চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী হেলেনকে বিয়ে করেন। এই দম্পতি একটি মেয়েকে দত্তক নিয়েছেন। তাঁর নাম অর্পিতা। সালমান খান নিজের মা সালমাকে যেমন খুব পছন্দ করেন, ভালোবাসেন, তেমনি পছন্দ করেন ও ভালোবাসেন বাবার দ্বিতীয় স্ত্রী হেলনকেও। সময় পেলে দুই মায়ের সঙ্গেই সময় কাটান। ছেলের ব্যবহারে মুগ্ধ দুই মা। গতকাল শুক্রবার ছিল আন্তর্জাতিক নারী দিবস। এ উপলক্ষে ইনস্টাগ্রামে দুই মায়ের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করেছেন সালমান খান। ছ...

ফোন থেকে কম্পিউটারে তারহীন ফাইল স্থানান্তর

ফোন থেকে কম্পিউটারে কোনো ফাইল স্থানান্তরের জন্য আমরা সচরাচর ডেটা কেবল ব্যবহার করে থাকি। তবে সে জন্য প্রতিবার নতুন করে সেটআপ করে নিতে হয়। তবে আপনি চাইলে কোনো কেবল সংযোগের ঝামেলা ছাড়াই উইন্ডোজ ড্রাইভের মতো আপনার মুঠোফোনের সব বিষয়বস্তু (কনটেন্ট) কম্পিউটারে স্থানান্তর করতে পারেন। ধাপগুলো এমন— প্রথমে গুগল প্লে স্টোরে ঢুকে কোনো একটি ফাইল ম্যানেজার অ্যাপ নামিয়ে নিন। তবে সে অ্যাপে ইএস ফাইল এক্সপ্লোরার বা এমএক্স ফাইল এক্সপ্লোরারের মতো এফটিপি ফাইল স্থানান্তরের সুবিধা থাকতে হবে। ইনস্টল হয়ে গেলে অ্যাপটি চালু করুন এবং ‘ভিউ অন পিসি’ বা ‘এফটিপি’ অপশন খুঁজে নিন। এবার আপনার স্মার্টফোন এবং কম্পিউটার একই ওয়াই-ফাইয়ের সঙ্গে সংযুক্ত কি না, তা নিশ্চিত করুন। অ্যাপটিতে এফটিপি স্থানান্তর সক্রিয় করুন। এরপর আপনার কম্পিউটারের ‘মাই কম্পিউটার’ বা ‘দিস পিসি’ অপশনে যান। উইন্ডোর ওপরের অংশ থেকে ‘অ্যাড আ নেটওয়ার্ক লোকেশন’-এ চাপুন। তারপর ‘নেক্সট’ বোতামে ক্লিক করুন। এবার ফাইল ম্যানেজার অ্যাপ থেকে নেটওয়ার্ক ইউআরএল নিয়ে কম্পিউটারে যুক্ত করুন। ‘নেক্সট’ বোতামে ক্লিক করুন এবং চাইলে ইউজার নেম এবং পা...

পরমাণু কৌশল থেকে ৪৫ লাখ টন ফসল

Image
ইফতেখার মাহমুদ, ঢাকা মাঠে গবেষণায় ব্যস্ত বিজ্ঞানী মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত • বিনা উদ্ভাবিত ধানের জাত ২০ দেশে চাষ হচ্ছে • বন্যা, লবণাক্ত ও খরাসহিষ্ণু ধানের জাত উদ্ভাবন করছেন সংস্থাটির বিজ্ঞানীরা পরমাণু কৌশল কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ এ পর্যন্ত ৬০টি ফসলের জাত উদ্ভাবন করেছে। বাংলাদেশে উৎপাদিত ফসলের ৮ শতাংশ এখন এসব জাত থেকেই আসছে। আর পরিমাণের দিক থেকে তা প্রায় ৪৫ লাখ টন। বিভিন্ন জাতের এই ফসল গ্রামের মানুষের জীবনযাত্রার উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। একই সঙ্গে লবণাক্ততা, বন্যা ও খরার মতো জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বিপদকে সাফল্যের সঙ্গে মোকাবিলা করতে কৃষককে সহায়তা করছে। গত বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের পরমাণু শক্তিবিষয়ক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অ্যাটমিক এনার্জি এজেন্সির (আইএইএ) একটি প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়েছে। কৃষিপ্রযুক্তির প্রথাগত ব্যবহারের পাশাপাশি কৃষিতে এই সাফল্যের পেছনে বড় ভূমিকা রাখছে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অন্তর্ভুক্ত সংস্থা বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা)। এই গবেষণার নেতৃত্ব দিচ্ছেন সংস্থাটির প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মি...

এক বছরেই ৫০ হাজার কোটি টাকা পাচার

Image
তথ্যসূত্র ও সৌজন্যে প্রথম আলো নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা ২৯ জানুয়ারি ২০১৯, ১১:২৯   আপডেট:  ২৯ জানুয়ারি ২০১৯, ১১     ১২ • ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান জিএফআইয়ের প্রতিবেদন • কয়েক বছর ধরে জিএফআই অর্থ পাচারের প্রতিবেদন দিচ্ছে • এবারের প্রতিবেদনে ১৪৮টি দেশের অর্থ পাচারের তথ্য • ২০১৫ সালে অর্থ পাচারের দিক থেকে বাংলাদেশ ১৯তম  • ২০১৪ সালের চেয়ে অর্থ পাচার কমেছে ২৭ হাজার কোটি টাকা বাংলাদেশ থেকে ২০১৫ সালে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা পাচার হওয়ার তথ্য দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেগ্রিটি (জিএফআই)। সংস্থাটি গতকাল সোমবার বৈশ্বিকভাবে ১৪৮টি দেশের অর্থ পাচারের তথ্য প্রকাশ করেছে। কয়েক বছর ধরে জিএফআই এ ধরনের অর্থ পাচারের প্রতিবেদন প্রকাশ করে আসছে। এবারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মাধ্যমে ৫৯০ কোটি ডলারের সমপরিমাণ অর্থ পাচার হয়েছে। বর্তমান বাজারদরে (৮৪ টাকা প্রতি ডলার হিসাবে) এই অর্থের পরিমাণ ৪৯ হাজার ৫৬০ কোটি টাকা। আর গতবারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২...

রিক্ততা

Image
রিক্ততা সেতুবন্ধন  | সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৮ | ০৭:৫০ বিভাগ:  কবিতা |    ৬৯ বার দেখা খুঁজে খুঁজে অনেক ঘুরলে নিঃসঙ্গতায় কাটছে দিন দুঃখের পাতায় জমছে ঋণ স্বপন ভাঙ্গে ফিকে রঙে শুকনো পাতার মড়মড়ে সুখ বুঝি ঐ যায় দূরে অনুরাগের পুষ্পদলে খুশবো ছড়ায় স্নিগ্ধতা তাতেও বাড়ে রিক্ততা।