Posts

Showing posts from June, 2016

রাস্তার বাতির আলোয় পড়ে রাফিজা

Image
মানসুরা হোসাইন | ৩০ জুন ২০১৬, ১৮:২৬ খুলনার কিশোরী রাফিজা আক্তার। সে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে। তার ছবি ছাপা হয়েছে জাতিসংঘ শিশু তহবিলের (ইউনিসেফ) বিশ্ব শিশু পরিস্থিতি, ২০১৬ (আ ফেয়ার চান্স ফর এভরি চাইল্ড) প্রতিবেদনে। ইউনিসেফের প্রতিবেদনের ছবিতে ডাস্টবিনের কাছে রাস্তার বাতির আলোয় রাফিজাকে পড়তে দেখা যায়। পাশেই তার ঘর। কিন্তু ঘরে বিদ্যুৎ নেই। তাই রাতে তাকে এভাবে পড়তে হয়। গত মঙ্গলবার প্রথম আলো কার্যালয়ে রাফিজার সঙ্গে কথা হয়। ওই দিনই ইউনিসেফের প্রতিবেদনটি বিশ্বব্যাপী প্রকাশিত হয়। খুলনার ইসলামি মিশন রোডের রাফিজা এসেছিল ‘সব শিশুর জন্য সমান সুযোগ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে অংশ নিতে। গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে প্রথম আলো। এতে সহায়তা করে ইউনিসেফ। রাফিজা জানায়, ডাস্টবিনের কাছে রাস্তার বাতির আলোয় পড়তে তার ভয় লাগে। পড়ার সময় এলাকার বখাটেরা তাকে বিরক্তও করে। তবে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে অভিযোগ করার পর এখন বখাটেদের উৎপাত কিছুটা কমেছে। গোলটেবিল শুরুর আগে রাফিজা জানায়, প্রথমবার ঢাকায় এসেছে সে। ঢাকার বড়বড় দালানকোঠা দেখে তার বেশ অবাক লাগছে। আবার একধরনের ভালো লাগাও কাজ করছে। রাফিজার কাছেই ই...

আইনটি সবার জানা দরকার

রোকেয়া রহমান | ২৭ জুন, ২০১৬    মো. লিয়াকত আলী চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার সুহিলপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। ২০১৩ সালের ২০ নভেম্বর চাঁদপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৪-এ ছেলে ইয়াসিন রানার বিরুদ্ধে তিনি একটি মামলা দায়ের করেন। পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইনে তিনি এই মামলা করেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়, মো. লিয়াকতের ছেলে ইয়াসিন রানা স্ত্রী রাশেদা আক্তার রিতা, শ্বশুর শেখ মো. বাদল, শাশুড়ি লুৎফা বেগম ও শ্যালক সোহেলের প্ররোচনায় তাঁকে ও তাঁর স্ত্রীকে ভরণপোষণ দেন না এবং ছোট ভাইবোনের খোঁজখবর নেন না। ছেলেকে জমিজমা বিক্রি করে বিদেশ পাঠিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ছেলে ইয়াসিন বাবা-মায়ের ভরণপোষণ না দিয়ে স্ত্রী, শ্বশুর, শাশুড়ি ও শ্যালকের কাছে টাকাপয়সা পাঠান। বাবার দায়ের করা মামলার অভিযোগ আমলে নিয়ে বিচারক অভিযুক্ত ছেলের বিরুদ্ধে সমন জারি করেন। পরে বাবা-মাকে প্রতি মাসে পাঁচ হাজার টাকা দেওয়ার শর্তে ছেলের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার করে নেন লিয়াকত আলী। এখন প্রতি মাসে ছেলের কাছ থেকে ভরণপোষণের খরচ হিসেবে পাঁচ হাজার টাকা করে পাচ্ছেন তিনি। আমাদের দেশে মো. লিয়াকত আলীর মতো অনেক বৃদ্ধ ম...

১০ বছরে পাচার সাড়ে চার লাখ কোটি টাকা

Image
শওকত হোসেন | ২৪ জুন, ২০১৬    ১০ বছরে বাংলাদেশ থেকে পাচার হয়েছে ৫ হাজার ৫৮৭ কোটি ৬০ লাখ ডলার। টাকার অঙ্কে যা ৪ লাখ ৪১ হাজার ৪২০ কোটি টাকা। এই অর্থ এবারের বাজেটের চেয়েও ১ লাখ কোটি টাকা বেশি। স্বল্পোন্নত দেশগুলোর (এলডিসি) মধ্যে অর্থ পাচার সবচেয়ে বেশি হয়েছে বাংলাদেশ থেকেই। এর বাইরে গত দুই অর্থবছরে সুইস ব্যাংকসমূহে বাংলাদেশি নাগরিকদের ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা দ্বিগুণ বেড়েছে। এই অর্থও পাচার করা। আবার মালয়েশিয়ায় ‘মাই সেকেন্ড হোম’ কর্মসূচিতে গত ১৩ বছরে ৩ হাজার ৬১ জন বাংলাদেশি অর্থ পাঠিয়েছেন। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়। এর চেয়ে বেশি মানুষ গেছে চীন ও জাপান থেকে। এর বাইরে অস্ট্রেলিয়া, কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগ করে নাগরিকত্ব নেওয়ার সুযোগ নিচ্ছেন অসংখ্য বাংলাদেশি। বাংলাদেশ থেকে টাকা পাচারের এসব তথ্য এক জায়গায় নিয়ে এসেছে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। সংস্থাটি ‘বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে অবৈধ অর্থ পাচার’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছে। প্রতিবেদনে টাকা পাচারের পরিসংখ্যানটি নেওয়া হয়েছে ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ফাইন্যান্সি...

৬৮ বছরের ছাত্র

Image
Login প্রচ্ছদ আজকের পত্রিকা খেলা বিনোদন মতামত বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অর্থনীতি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি দূর পরবাস জীবনযাপন শিক্ষা আমরা শিল্প ও সাহিত্য বিশেষ সংখ্যা পাঁচমিশালি ফিচার ছবি ভিডিও সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি   ⁄     আন্তর্জাতিক     ⁄    সংবাদ ৬৮ বছরের ছাত্র অনলাইন ডেস্ক | ১৫ জুন, ২০১৬ একবার না পারিলে শতবার দেখার চেষ্টাই করছেন দুর্গা কামি নামের এই ৬৮ বছরের বৃদ্ধ। এই বয়সে তিনি নেপালের শ্রী কালা ভৈরব মাধ্যমিক উচ্চবিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র। ছোট ছোট শিক্ষার্থীর সঙ্গে তিনি পড়েন, টিফিনের সময় একসঙ্গেই খেলেন। নিজের জীবনের নানা দুঃখ ও কষ্টের কথা কিছুটা সময় ভুলে থাকতেই স্কুলে যাওয়া শুরু করেন তিনি। দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার নিবন্ধনও হয়ে গেছে তাঁর। এবার পালা পরীক্ষা দেওয়ার। ছবিতে থাকছে এই দুর্গা কামির অধ্যবসায়ের গল্প। স্কুলে ছোট ছোট শিক্ষার্থীর সঙ্গে নেপালের ৬৮ বছর বয়সী দুর্গা কামি। ছয় সন্তানের বাবা এই দুর্গার আট নাতি-নাতনি। এই বয়সেও তিনি সপ্তাহে ছয় দিনই স্কুলে যান। স্কুল শেষে...
Image
ফোন সেট হারালে কোথায় খুঁজবেন? অনলাইন ডেস্ক | ১১ জুন, ২০১৬ মোবাইল ফোন সেট হারিয়ে গেলে দুশ্চিন্তার শেষ থাকে না। এখানে-ওখানে খুঁজতে থাকেন হারানো ফোনটি। কিন্তু কোথায় খুঁজলে উদ্ধার করা যাবে হারানো ফোনে থাকা গুরুত্বপূর্ণ সব তথ্য বা ফোনটির অবস্থান? এ সমস্যার সমাধান দিতে এগিয়ে এসেছে গুগল। গুগল সম্প্রতি একটি মজার টুল উন্মুক্ত করে, যা হারানো ফোন সেট খুঁজে দিতে পারে। এ ফিচার ব্যবহার করতে ব্যবহারকারীকে গুগলে গিয়ে শুধু ‘I lost my phone’ কথাটি টাইপ করতে হবে। সার্চ পেজটিতে একটি বিশেষ পেজ দেখাবে গুগল, যাতে গুগলের সঙ্গে সিনক্রোনাইজ থাকা ফোনের তথ্য দেখাবে। ব্যবহারকারীকে তার হারানো ফোনটির ওপর ক্লিক করতে হবে। হারানো ফোনটির অবস্থান জানার পাশাপাশি দূর থেকে হারানো ফোনটির স্ক্রিন লক করে দেওয়ার সুবিধা থাকছে। এ ফিচার শুধু অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের জন্য প্রযোজ্য।